📌 নিউইয়র্ক ক্লাইমেট উইকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সৌরবিদ্যুৎ ও ব্যাটারি স্টোরেজ খাতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে। জলবায়ু ন্যায়বিচার ও জ্বালানি রূপান্তরের বিষয়গুলোও আলোচিত হয়
নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ক্লাইমেট উইকে বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের সম্ভাবনা তুলে ধরতে আন্তর্জাতিক আলোচনা ও বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ ও ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ খাতে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ জাগিয়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৪ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে ‘রিনিউয়েবল এনার্জি রাউন্ডটেবিল’ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্ভাবনা উপস্থাপন করা হয়
- 📌 বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবি তুলে ধরা হয় — দয়া বা অনুদান নয়, ন্যায্য অধিকার ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাওয়া হয়
- 📌 সৌরবিদ্যুৎ ও ব্যাটারি স্টোরেজ খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতকে টেকসই ও আধুনিক করার সম্ভাবনা আলোচিত হয়
- 📌 ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী গ্লোবাল সোলার কাউন্সিলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন
- 📌 BSREA, ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও বিদ্যুৎ বিভাগ যৌথভাবে আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও প্রদর্শনী আয়োজনের উদ্যোগ নেয়
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত ‘রিনিউয়েবল এনার্জি রাউন্ডটেবিল’-এ বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকি, জ্বালানি রূপান্তর এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের (BSREA) সভাপতি হিসেবে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জলবায়ু ন্যায়বিচারের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোস্তফা আল মাহমুদ।
আলোচনায় অংশগ্রহণকারী গ্লোবাল সোলার কাউন্সিলের (GSC) সেক্রেটারি ড্যানি কেনেডি, রিনিউয়েবল এনার্জি কাউন্সিল এশিয়া-প্যাসিফিকের (RECAP) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জন গ্রাইমসসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। তবে বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট সৃষ্টিতে বাংলাদেশের অবদান তুলনামূলকভাবে নগণ্য। ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের ন্যায্য অধিকার, অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
বৈঠকে বাংলাদেশের জ্বালানি রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ ও ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি খাতকে আরও টেকসই ও আধুনিক করার সম্ভাবনা আলোচিত হয়।
এদিকে, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী গ্লোবাল সোলার কাউন্সিল এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের জ্বালানি খাতের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের সম্ভাবনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের সুযোগ এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে সৌরবিদ্যুৎ ও ব্যাটারি স্টোরেজ খাতের সম্ভাবনা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করতে BSREA, ইনভেস্ট বাংলাদেশ এবং বিদ্যুৎ বিভাগ যৌথভাবে শিগগির একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও প্রদর্শনীর আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ সম্মেলন ও প্রদর্শনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের সম্ভাবনা আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও দৃশ্যমান হবে এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
"জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ দয়া বা অনুদান নয়, জলবায়ু ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে ন্যায্য অধিকার ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক (জাতিসংঘ সদর দফতর), ঢাকা (বাংলাদেশ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোস্তফা আল মাহমুদ, আশিক চৌধুরী, ড্যানি কেনেডি, জন গ্রাইমসসহ আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!