📌 উত্তর কোরিয়া ডেমিলিটারাইজড জোনে (ডিএমজি) প্রচারাভিযান পুনরায় শুরু করবে বলে জানা গেছে। দক্ষিণ কোরিয়া তরফ থেকে শান্তি বজায় রাখার জন্য আলোচনার আহ্বান জানানো হয়েছে। উত্তর কোরিয়ার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা কিম ইয়ো জং ডিএমজিতে উচ্চস্বরের স্পিকার স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছেন
উত্তর কোরিয়া ডেমিলিটারাইজড জোন (ডিএমজি) সীমান্তে প্রচারাভিযান পুনরায় শুরু করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া তরফ থেকে শান্তি বজায় রাখার জন্য আলোচনার আহ্বান জানানো হয়েছে। উত্তর কোরিয়ার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা কিম ইয়ো জং, যিনি দেশের নেতা কিম জং উনের বোন, শুক্রবার ঘোষণা দেন যে উত্তর কোরিয়া সীমান্তের পুরো অংশে উচ্চস্বরের স্পিকার স্থাপন করবে। তিনি সামরিক কর্মকর্তাদের সাথে সীমান্তের দুর্গস্থল পরিদর্শন করার পর এই ঘোষণা দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 উত্তর কোরিয়া ডিএমজিতে উচ্চস্বরের স্পিকার স্থাপন করবে এবং সীমান্তে "নতুন প্রতিরোধ ব্যবস্থা" সজ্জা করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে কিম ইয়ো জং।
- 📌 কিম ইয়ো জং দক্ষিণ কোরিয়াকে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের জন্য সতর্ক করেছেন, বলেছেন "সবচেয়ে ভয়াবহ ও দুঃখজনক অবস্থা" সৃষ্টি হতে পারে।
- 📌 ডিএমজিতে আগস্ট মাসে একটি ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে তিনজন দক্ষিণ কোরিয়ান সৈনিক আহত হয়। দক্ষিণ কোরিয়া উত্তর কোরিয়াকে অভিযুক্ত করেছে সীমান্তে ল্যান্ডমাইন স্থাপনের জন্য।
- 📌 উত্তর কোরিয়া সীমান্তে মাইন, তীক্ষ্ণ কাঁটাবাঁধ, ট্যাঙ্ক প্রতিরোধ ব্যবস্থা ইত্যাদি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় উত্তর কোরিয়াকে সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে আলোচনা করার আহ্বান জানিয়েছে।
📰 বিস্তারিত
উত্তর কোরিয়ার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা কিম ইয়ো জং শুক্রবার ঘোষণা দেন যে উত্তর কোরিয়া সীমান্তের পুরো অংশে উচ্চস্বরের স্পিকার স্থাপন করবে। তিনি বলেন, "দক্ষিণ কোরিয়া যদি উত্তর কোরিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ অব্যাহত রাখে, তাহলে সবচেয়ে ভয়াবহ ও দুঃখজনক অবস্থা সৃষ্টি হবে।" শনিবার তার একটি অনুসরণকারী বিবৃতি থেকে জানা যায়, উত্তর কোরিয়া সীমান্তে "নতুন প্রতিরোধ ব্যবস্থা" সজ্জা করবে এবং স্পিকারগুলো কয়েক দিনের মধ্যে সজ্জিত থাকবে।
আগস্ট মাসে ডিএমজিতে একটি ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে তিনজন দক্ষিণ কোরিয়ান সৈনিক আহত হয়। দক্ষিণ কোরিয়া উত্তর কোরিয়াকে অভিযুক্ত করেছে সীমান্তে ল্যান্ডমাইন স্থাপনের জন্য। উত্তর কোরিয়ার কিম ইয়ো জং এই অভিযোগকে "দক্ষিণ কোরিয়ার কল্পনা" বলে খারিজ করেছেন। তিনি আরও বলেন, উত্তর কোরিয়ার ট্যাকটিক্যাল ইউনিট নতুন অবস্থানে স্থাপন করেছে এবং দক্ষিণ কোরিয়ান সৈনিকদের সীমান্তে সতর্কতা প্রচার ও গুলি করার অভিযোগ করেছেন। দক্ষিণ কোরিয়া বলেছে, সতর্কতা গুলি ছিল "আবশ্যক ও প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা"।
উত্তর কোরিয়া ডিএমজির উত্তর পাশে মাইন, তীক্ষ্ণ কাঁটাবাঁধ, ট্যাঙ্ক প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং অন্যান্য দুর্গস্থল বাড়িয়ে দিচ্ছে। এই সীমান্ত বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সজ্জিত সীমান্তগুলোর মধ্যে একটি। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শনিবার ঘোষণা দিয়েছে যে তারা উত্তর কোরিয়াকে সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে আলোচনা করার আহ্বান জানিয়েছে এবং দুর্ঘটনাক্রমে সামরিক সংঘর্ষের সম্ভাবনা কমাতে চায়।
উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া ইতিপূর্বে সীমান্তে উচ্চস্বরের স্পিকার ব্যবহার করে প্রচারাভিযান চালিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার স্পিকারগুলোতে ক-পপ সঙ্গীত এবং খবর প্রচার করা হতো, যা উত্তর কোরিয়াকে বিরক্ত করেছিল। এই দুই দেশের মধ্যে ১৯৫০-৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধের পর সৃষ্ট ডিএমজি রয়েছে। উত্তর কোরিয়া ২০২৪ সাল থেকে ডিএমজির উত্তর পাশে মাইন, বাঁধ, কাঁটাবাঁধ ইত্যাদি বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে জানা যায়।
"দক্ষিণ কোরিয়া যদি উত্তর কোরিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ অব্যাহত রাখে, তাহলে সবচেয়ে ভয়াবহ ও দুঃখজনক অবস্থা সৃষ্টি হবে।"
"দক্ষিণ কোরিয়ান সৈনিকদের সতর্কতা প্রচার ও গুলি করা ছিল 'আবশ্যক ও প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা'।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ডেমিলিটারাইজড জোন (ডিএমজি), উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া সীমান্ত
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: কিম ইয়ো জং (উত্তর কোরিয়ার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা), কিম জং উন (উত্তর কোরিয়ার নেতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন আহত দক্ষিণ কোরিয়ান সৈনিক (ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!