📌 ভারতের মধ্যপ্রদেশের সিংগ্রৌলি এলাকার মিস প্রিটি ইন্ডিয়া নিধি তিওয়ারি (৩০) মৃত্যুর আগে বিবাহিত প্রকৌশলী সোনু সিংয়ের সঙ্গে শেষ ফোনালাপে বিতর্কের পর একা ঘরে বন্ধ দরজায় আত্মহত্যা করেন। পরিবার ও পুলিশ তদন্ত করছে ঘটনার পেছনের কারণ
ভারতের মধ্যপ্রদেশের সিংগ্রৌলি এলাকার মিস প্রিটি ইন্ডিয়া নিধি তিওয়ারি (৩০) মৃত্যুর আগে বিবাহিত প্রকৌশলী সোনু সিংয়ের সঙ্গে শেষ ফোনালাপে বিতর্কের পর একা ঘরে বন্ধ দরজায় আত্মহত্যা করেন। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, নিধি মৃত্যুর আগের রাতে নিজের ঘরে বন্ধ দরজায় আত্মহত্যা করেছেন। পুলিশ তদন্ত করছে ঘটনার পেছনের কারণ এবং প্রকৌশলী সোনু সিংয়ের ভূমিকা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০ বছর বয়সী নিধি তিওয়ারি ভারতের মধ্যপ্রদেশের সিংগ্রৌলিতে মৃত্যুর আগে বিবাহিত প্রকৌশলী সোনু সিংয়ের সঙ্গে শেষ ফোনালাপে বিতর্কের পর একা ঘরে বন্ধ দরজায় আত্মহত্যা করেন।
- 📌 নিধির ফেসবুকে ৯ লাখ ২৮ হাজার ও ইনস্টাগ্রামে ৭ লাখ ১২ হাজার অনুসারী থাকলেও তিনি ২০২৪ সালে ‘মিস প্রিটি ইন্ডিয়া’ খেতাব জিতেছিলেন এবং চলচ্চিত্রে কাজ করার স্বপ্ন দেখতেন।
- 📌 নিধির মা হেমলতা তিওয়ারি জানিয়েছেন, নিধি হোটেলে কাজের সময় প্রকৌশলী সোনু সিংয়ের সঙ্গে পরিচিত হন এবং তাদের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। পরিবার জানতে পেরে নিধিকে সোনু সিংয়ের কাছ থেকে দূরে থাকার জন্য বললেও যোগাযোগ বন্ধ হয়নি।
- 📌 রাত ৮টার দিকে নিধি ও সোনু সিংয়ের ফোনালাপে বিতর্কের পর নিধি নিজের ঘরে বন্ধ দরজায় আত্মহত্যা করেন। পরিবারের সদস্যরা দরজা খুলতে চাইলেও তিনি খোলেননি। পরদিন সকালে পুলিশ তাঁকে মৃত অবস্থায় পায়।
- 📌 নিধির মৃত্যুর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি একটি পোস্ট দিয়েছিলেন, যেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘এই অসম্পূর্ণ হৃদয়কে কেউ পূর্ণ করতে পারেনি, তাই আমি নিজেই তা পূর্ণ করে নিয়েছি’।
- 📌 পুলিশ সোনু সিংয়ের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে এবং তাঁকে খুঁজছে। তাঁর সঙ্গে নিধির সম্পর্ক ও মৃত্যুর আগে তাঁদের কথোপকথনের বিষয়টি তদন্তের আওতায় রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
ভারতের মধ্যপ্রদেশের সিংগ্রৌলি এলাকার নিধি তিওয়ারি (৩০) মৃত্যুর আগে বিবাহিত প্রকৌশলী সোনু সিংয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। নিধি হোটেলে কাজের সময় সোনু সিংয়ের সঙ্গে পরিচিত হন এবং তাদের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের হয়ে যায়। পরিবার জানতে পেরে নিধিকে সোনু সিংয়ের কাছ থেকে দূরে থাকার জন্য বললেও যোগাযোগ বন্ধ হয়নি। নিধির মা হেমলতা তিওয়ারি পুলিশকে জানিয়েছেন, সোনু সিং নিধির ওপর সব সময় নজর রাখতেন এবং তাঁর কার সঙ্গে আছেন তা জানতে চাইতেন।
নিধির মৃত্যুর আগের রাতে সন্ধ্যায় তিনি নিজের ঘরে পূজা করেছিলেন। এরপর ওপরের তলায় নিজের ঘরে যান। রাত প্রায় আটটার দিকে সোনু সিংয়ের সঙ্গে নিধির ফোনালাপ হয়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ফোনালাপে বাগ্বিতণ্ডা হয়েছিল। ফোনালাপের পর নিধি নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা তাঁর ঘরের কাছে যান। দরজা খুলতে চাননি নিধি। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে একা থাকতে দেন। পরদিন সকালেও ঘরের দরজা বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয় এবং পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে জানালা দিয়ে ঘরের ভেতরে নিধিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।
নিধির মৃত্যুর সঙ্গে সোনু সিংয়ের সরাসরি কোনো সম্পর্ক ছিল কি না, সেটিও তদন্তাধীন। পুলিশ কল রেকর্ড খতিয়ে দেখছে নিধির মৃত্যুর সঠিক কারণ। নিধির মৃত্যুর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি একটি পোস্ট দিয়েছিলেন, যেখানে তিনি নিজেকে ভালোবাসার কথা লিখেছিলেন। এই পোস্টও তদন্তের অংশ হিসেবে দেখছে পুলিশ। তবে পোস্টটির সঙ্গে মৃত্যুর সরাসরি কোনো যোগ আছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
"এই অসম্পূর্ণ হৃদয়কে কেউ পূর্ণ করতে পারেনি, তাই আমি নিজেই তা পূর্ণ করে নিয়েছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিংগ্রৌলি, ভারতের মধ্যপ্রদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিধি তিওয়ারি (৩০), সোনু সিং (বিবাহিত প্রকৌশলী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ লাখ (ফেসবুক অনুসারী), ৩০ বছর বয়স, ৯ লাখ ২৮ হাজার (ফেসবুক অনুসারী), ৭ লাখ ১২ হাজার (ইনস্টাগ্রাম অনুসারী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!