📌 ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেটানিয়াহু ‘নাজা’ নামের একটি পুরস্কারপ্রাপ্ত গাজা চলচ্চিত্রের স্রষ্টাদের বিরুদ্ধে তথ্য নিরাপত্তা লঙ্ঘন, অপরাধমূলক মিথ্যা প্রচার এবং আন্তর্জাতিক মর্যাদা ক্ষতির দায়ে মামলা দাবি করেছেন। চলচ্চিত্রে ২৪ জন অজ্ঞাতনামা ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর জাসোসের সাক্ষ্য উল্লেখ করা হয়েছে যারা দাবি করেছেন, ইসরায়েলের সেনাবাহিনী এআই-চালিত লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ ব্যবস্থা ব্যবহার করে গাজায় অসংখ্য সিভিলিয়ানকে হত্যা করেছে
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেটানিয়াহু গাজায় সিভিলিয়ান হত্যার দায়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে তথ্য প্রকাশের দায়ে ‘নাজা’ নামে একটি পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রের স্রষ্টাদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও মামলা দাবি করেছেন। এই চলচ্চিত্রে ২৪ জন অজ্ঞাতনামা ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর জাসোসের সাক্ষ্য ব্যবহার করা হয়েছে, যারা দাবি করেছেন যে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী এআই-চালিত লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ ব্যবস্থা ব্যবহার করে গাজায় অসংখ্য সিভিলিয়ানকে হত্যা করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেটানিয়াহু তদন্ত ও মামলা দাবি: তিনি প্রধান সেনাপতি, শিন বেতের প্রধান এবং আইনমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন ‘নাজা’ চলচ্চিত্রের অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে তথ্য নিরাপত্তা লঙ্ঘন, অপরাধমূলক মিথ্যা প্রচার এবং আন্তর্জাতিক মর্যাদা ক্ষতির দায়ে মামলা করা।
- 📌 ইসরায়েলি সেনাবাহিনী চলচ্চিত্রের দাবিকে “অস্বীকার্য” ঘোষণা করে বলেছে, সকল লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ “মানবিক কর্মকর্তা” কর্তৃক করা হয়।
- 📌 নাজা চলচ্চিত্রের নামকরণ করা হয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর শব্দ ‘নাজা’ থেকে, যার অর্থ “সামরিক হামলায় অপ্রয়োজনীয় মৃত্যু” বা “সামরিক ক্ষতির ক্ষতি”।
- 📌 ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব এ চলচ্চিত্রটি বিশেষ জুরি পুরস্কার পেয়েছে এবং ২৫ মিনিটের দাঁড়িয়ে তালি পেয়েছে।
- 📌 ইসরায়েলের ৪৩টি মানবাধিকার সংগঠন চলচ্চিত্রের স্রষ্টাদের সমর্থন করেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে যে হুমকি দেওয়া হয়েছে তা নিন্দা করেছে।
- 📌 নেটানিয়াহু এবং সংস্কৃতি মন্ত্রী মিকি জোহার চলচ্চিত্রের পরিচালকদের বিরুদ্ধে “দেশদ্রোহিতা” দাবি করেছেন এবং তাদের ইসরায়েলি নাগরিকত্ব বাতিলের হুমকি দিয়েছেন।
- 📌 ইসরায়েলের জাতীয় জনসংযোগ পরিচালক টসিপি হটোভেলি ‘নাজা: সত্যিকারের গল্প’ নামে একটি চলচ্চিত্রের স্রষ্টাদের স্বীকৃতি প্রদান করেছেন, যেটি মূল চলচ্চিত্রের দাবিকে “রক্তের মিথ্যা” বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
📰 বিস্তারিত
গাজায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কার্যকলাপ নিয়ে আলোচিত ‘নাজা’ চলচ্চিত্রটি ইসরায়েলের রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে একটি বড় ঝড় সৃষ্টি করেছে। চলচ্চিত্রটি ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ২৪ জন অজ্ঞাতনামা জাসোসের সাক্ষ্য ব্যবহার করে দাবি করেছে যে, সেনাবাহিনী এআই-চালিত লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ ব্যবস্থা ব্যবহার করে গাজায় অসংখ্য সিভিলিয়ানকে হত্যা করেছে। এই দাবিকে প্রত্যাখ্যান করে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে যে, সকল লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ “মানবিক কর্মকর্তা” কর্তৃক করা হয় এবং তাদের দাবিকে “অস্বীকার্য” এবং “অবাস্তব” বলে বর্ণনা করেছে।
নেটানিয়াহু তার এক টুইটে বলেছেন, “আমি দাবি করছি যে প্রধান সেনাপতি, শিন বেতের প্রধান এবং আইনমন্ত্রী ‘নাজা’ চলচ্চিত্রের অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে একটি ব্যাপক তদন্ত শুরু করুন এবং তাদের তথ্য নিরাপত্তা লঙ্ঘন, অপরাধমূলক মিথ্যা প্রচার এবং আন্তর্জাতিক মর্যাদা ক্ষতির দায়ে মামলা করা হয়। চলচ্চিত্রটি একটি মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর এবং বাঁকা কাহিনী উপস্থাপন করে যা ইসরায়েল রাষ্ট্র এবং সেনাবাহিনীকে আন্তর্জাতিকভাবে অপমান করে এবং ইসরায়েলের অবস্থানকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।”
চলচ্চিত্রের পরিচালকরা ইউভাল আব্রাহাম এবং রাচেল সোরকে ইসরায়েলের রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে হুমকির মুখে পড়েছে। নেটানিয়াহু এবং সংস্কৃতি মন্ত্রী মিকি জোহার তাদের বিরুদ্ধে “দেশদ্রোহিতা” দাবি করেছেন এবং তাদের ইসরায়েলি নাগরিকত্ব বাতিলের হুমকি দিয়েছেন। অন্যদিকে, ইসরায়েলের ৪৩টি মানবাধিকার সংগঠন চলচ্চিত্রের স্রষ্টাদের সমর্থন করেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে যে হুমকি দেওয়া হয়েছে তা নিন্দা করেছে।
"আমি দাবি করছি যে প্রধান সেনাপতি, শিন বেতের প্রধান এবং আইনমন্ত্রী ‘নাজা’ চলচ্চিত্রের অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে একটি ব্যাপক তদন্ত শুরু করুন এবং তাদের তথ্য নিরাপত্তা লঙ্ঘন, অপরাধমূলক মিথ্যা প্রচার এবং আন্তর্জাতিক মর্যাদা ক্ষতির দায়ে মামলা করা হয়। চলচ্চিত্রটি একটি মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর এবং বাঁকা কাহিনী উপস্থাপন করে যা ইসরায়েল রাষ্ট্র এবং সেনাবাহিনীকে আন্তর্জাতিকভাবে অপমান করে এবং ইসরায়েলের অবস্থানকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসরায়েল, গাজা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেনজামিন নেটানিয়াহু, ইউভাল আব্রাহাম, রাচেল সোর, মিকি জোহার, টসিপি হটোভেলি, ইয়াল জামির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ জন অজ্ঞাতনামা জাসোস, ২৫ মিনিট দাঁড়িয়ে তালি, ৪৩টি মানবাধিকার সংগঠন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!