📌 নেপালের নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশের প্রবাসী ভোটগ্রহণ মডেলের অভিজ্ঞতা নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। আগামী দেড় বছরে প্রাদেশিক নির্বাচনে 'আউট-অফ-কান্ট্রি ভোটিং' চালু করার জন্য বাংলাদেশের 'আইটি-অ্যাসিস্টেড পোস্টাল ভোটিং' মডেলকে আদর্শ হিসেবে বিবেচনা করছে তারা
নেপালের নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশের প্রবাসী ভোটগ্রহণ ব্যবস্থাকে মডেল হিসেবে গ্রহণ করে আগামী দেড় বছরের মধ্যে প্রাদেশিক নির্বাচনে 'আউট-অফ-কান্ট্রি ভোটিং' (ওসিভি) চালু করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশ সফররত নেপালের নির্বাচন কমিশনার ড. রাজীব সুব্বা এই তথ্য জানিয়েছেন। আজ বুধবার ঢাকার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে ওসিভি বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ড. রাজীব সুব্বা বলেন, বাংলাদেশের মতো নেপালেও বিপুলসংখ্যক নাগরিক বিদেশে কর্মরত আছেন, যারা দেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্সের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেপালের নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশের 'আইটি-অ্যাসিস্টেড পোস্টাল ভোটিং' মডেলকে অনুসরণ করে প্রবাসী ভোটগ্রহণ চালু করার পরিকল্পনা করেছে
- 📌 আগামী দেড় বছরের মধ্যে নেপালের প্রাদেশিক নির্বাচনে 'ওসিভি' চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
- 📌 নেপালে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ নাগরিক বিদেশে কর্মরত, তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার জন্য এই উদ্যোগ
- 📌 বাংলাদেশের মডেলটি গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর জন্য সফল উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত
- 📌 নেপাল বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তা গ্রহণের সম্ভাবনা প্রকাশ করেছে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ সফররত নেপালের নির্বাচন কমিশনার ড. রাজীব সুব্বা বলেন, বাংলাদেশের তৈরি 'আইটি-অ্যাসিস্টেড পোস্টাল ভোটিং' মডেলটি কার্যকরী ও প্রশংসনীয়। তিনি উল্লেখ করেন, 'আমরা বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে চাই। শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার পর এটি আমাদের তৃতীয় দফার বৈঠক। বাংলাদেশের মডেলটি গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর জন্য একটি সফল উদাহরণ।'
ড. রাজীব সুব্বা আরও জানান, প্রবাসীদের ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারে অভ্যস্ত করা এবং ডাকযোগে ব্যালট স্থানান্তরের ক্ষেত্রে সময়ক্ষেপণ ও সাইবার নিরাপত্তা কিছুটা চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। তবে সঠিক নির্বাচনী প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের মাধ্যমে এসব সমস্যা মোকাবিলা করা সম্ভব। তিনি বলেন, 'প্রযুক্তিটি ইতিমধ্যে বাংলাদেশে সফলভাবে পরীক্ষিত হওয়ায় নেপাল সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আরও নির্ভুলভাবে এটি বাস্তবায়ন করতে পারবে।'
নেপালের নির্বাচন কমিশন জানায়, ভারত ছাড়াও প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ নেপালি নাগরিক মধ্যপ্রাচ্য, আমেরিকা ও ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত ও অধ্যয়নরত আছেন। এই নাগরিকদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে কারিগরি বা লজিস্টিক সহায়তা নেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে ড. রাজীব সুব্বা বলেন, 'গবেষণার ফলাফল এবং রাজনৈতিক দলসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের (স্টেকহোল্ডার) সঙ্গে আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন থেকে কারিগরি সহায়তা পেলে সাদরে গ্রহণ করা হবে।'
বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ড. রাজীব সুব্বা বলেন, 'প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা গণতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতে পারি।'
"আমরা বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে চাই। শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার পর এটি আমাদের তৃতীয় দফার বৈঠক। বাংলাদেশের মডেলটি গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর জন্য একটি সফল উদাহরণ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন ভবন), নেপাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. রাজীব সুব্বা (নেপালের নির্বাচন কমিশনার), এএমএম নাসির উদ্দিন (বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০-৪০ লাখ (নেপালি প্রবাসী), ১ বছর ৬ মাস (পরিকল্পিত সময়সীমা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!