📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নেপালে ভূমিধস ও বন্যা: ৩০ জনের মৃত্যু, হেলিকপ্টারে উদ্ধার পর্যটকদের বিপদ

নেপালে ভূমিধস ও বন্যা: ৩০ জনের মৃত্যু, হেলিকপ্টারে উদ্ধার পর্যটকদের বিপদ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেপালে আবারও ভূমিধস ও বন্যার কারণে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৬ আগস্টের বন্যার ধাক্কা থেকে দেশটি এখনও মুক্তি পায়নি। হেলিকপ্টারে উদ্ধার হওয়া পর্যটকদের কথা জানানো হয়েছে। অন্নপূর্ণা সার্কিটের ট্রেকারদের পথে বিপদ সৃষ্টি হয়েছে

নেপালে আবারও ভারী বৃষ্টি ও ভূমিধসের কারণে প্রায় ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৬ আগস্টের ভয়াবহ বন্যার ধাক্কা থেকে দেশটি এখনও মুক্তি পায়নি। ওই বন্যায় ১ হাজার ৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং আরও কয়েক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নেপালে ভূমিধস ও বন্যায় ৩০ জনের মৃত্যু, ১ হাজার ৯০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত
  • 📌 ২৪০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত, সড়ক ও সেতু ভেসে গেছে
  • 📌 অন্নপূর্ণা সার্কিটে শত শত ট্রেকারকে হেলিকপ্টারে উদ্ধার করা হয়েছে
  • 📌 ভূমিধসের কারণে পাহাড়ের ঢালে নিজেদের পথ তৈরি করতে হয়েছে ট্রেকারদের
  • 📌 মানাং ও মুস্তাং জেলায় ১৫টি ভূমিধসের এলাকা পার করতে হয়েছে
  • 📌 তিব্বতের সীমান্তে হিমলুং শৃঙ্গে তুষারধসে চারজন মরদেহ উদ্ধার, ১২ জন নিখোঁজ
  • 📌 অন্নপূর্ণা সার্কিটে ৭০০ ট্রেকার আটকে পড়েছেন, ট্রেকিং শিল্পের চাপে রুট খোলার কথা বলা হলেও বন্ধ রাখা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত সপ্তাহের শেষদিকে নতুন ভূমিধস ও বন্যায় ১ হাজার ৯০০টির বেশি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ২৪০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সড়ক, ভবন ও সেতু ভেসে গেছে। বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, অন্নপূর্ণা সার্কিটে থাকা শত শত ট্রেকার ও পর্বতারোহীদের ভ্রমণ সংক্ষিপ্ত করতে হয়েছে।

মানাং ও মুস্তাং জেলার ট্রেকারদের অনেককে হেলিকপ্টারে করে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অন্নপূর্ণা সার্কিটের এই পথ পায়ে হেঁটে শেষ করতে সাধারণত তিন সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগে। তবে ভূমিধস ও বন্যার কারণে পথ বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। সাফোকের ২১ বছর বয়সী জেক স্টেসি জানিয়েছেন, ভারী তুষারপাতের কারণে উচ্চ মানাংয়ের ইয়াক খারকায় তাঁর গাইডসহ আটকা পড়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা পাহাড়ের ঢালে নিজেদের পথ তৈরি করে নিয়েছিলাম। জায়গাটি বেশ খাড়া ছিল। নিচে নদী থাকায় আমাদের অনেকটা আঁকড়ে আঁকড়ে এগোতে হয়েছে। খুব কাদাময় ও ভেজা ছিল।’

অস্ট্রেলিয়ার অ্যান্ড্রু গ্রাহাম ও তাঁর গাইড প্রেম কেসি জানান, মানাং গ্রাম থেকে ফিরে আসার পথে তাঁদের ১৫টি ভূমিধসের এলাকা পার করতে হয়েছে। গ্রাহাম বলেন, ‘এর মধ্যে কয়েকটি বেশ বিপজ্জনক ছিল। এখন ঝুঁকি আরও বেড়েছে।’ চামে গ্রামে পৌঁছানোর পর তাঁরা আটকা পড়েন। ভূমিধসের ঝুঁকির কারণে গ্রামটি খালি করে দেওয়া হয়েছিল। বাধ্য হয়ে তাঁদের এক রাত জঙ্গলে কাটাতে হয়েছে।

এদিকে, তিব্বতের সীমান্তের কাছে হিমলুং শৃঙ্গের পাদদেশে তুষারধসে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো ১২ জন নিখোঁজ রয়েছেন। স্থানীয় ট্রেকিং কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, অন্নপূর্ণা সার্কিটে যাওয়ার অপেক্ষায় এখনো প্রায় ৭০০ ট্রেকার পোখারায় রয়েছেন। তবে ট্রেকিং শিল্পের চাপে রুট খোলার ঘোষণা দিতে বাধ্য হলেও, বর্তমানে ট্রেকারদের আটকে রাখা হয়েছে।

"আমরা পাহাড়ের ঢালে নিজেদের পথ তৈরি করে নিয়েছিলাম। জায়গাটি বেশ খাড়া ছিল। নিচে নদী থাকায় আমাদের অনেকটা আঁকড়ে আঁকড়ে এগোতে হয়েছে। খুব কাদাময় ও ভেজা ছিল।"
"অনেক ট্রেকারকে হেলিকপ্টারে করে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেপাল (অন্নপূর্ণা সার্কিট, মানাং, মুস্তাং, হিমলুং শৃঙ্গ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেক স্টেসি, অ্যান্ড্রু গ্রাহাম, সে রিং দোমা, এলেন ভলস্ট্রোম, মুক্তি প্রসাদ খানাল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ জন মৃত্যু, ১ হাজার ৯০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত, ২৪০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত, ১ হাজার ৪০০ জন মৃত্যু (গত বন্যায়), ৭০০ ট্রেকার আটকে পড়েছেন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖