📌 নেপালের গোর্খা জেলায় ভূমিধসের কারণে বন্যায় এক ডজন ঘরবাড়ি ও দুটি সেতু ভেসে গেছে। কর্তৃপক্ষ জরুরি সতর্কতা জারি করে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। গত আগস্টের হিমবাহ ধসের ঘটনায় ১,৪৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল
নেপালের গোর্খা জেলায় আকস্মিক ভূমিধসের কারণে বন্যায় দুটি সেতু ভেসে গেছে। এ ঘটনায় এক ডজন ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কর্তৃপক্ষ জরুরি সতর্কতা জারি করে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেপালের গোর্খা জেলার চুমরুব্রি গ্রামে ভূমিধসের কারণে বুড়ি গণ্ডকী নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে
- 📌 বন্যায় এক ডজন ঘরবাড়ি ও দুটি ঝুলন্ত সেতু ভেসে গেছে, যার মধ্যে একটি গোর্খা ও ধাদিং জেলার সংযোগকারী মহাসড়ক সেতু
- 📌 জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্যাম্পও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পানি দ্রুত বাড়ছে বলে কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে
- 📌 কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ঘটনায় এখনো কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি
- 📌 গত আগস্টের হিমবাহ ধসের ঘটনায় ত্রিশূলী নদীতে ১,৪৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
নেপালের মধ্যাঞ্চলে ভূমিধসের কারণে সৃষ্ট বন্যায় বুড়ি গণ্ডকী নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনায় গোর্খা জেলার চুমরুব্রি গ্রামের নদী তীরবর্তী এলাকায় এক ডজন ঘরবাড়ি ও দুটি ঝুলন্ত সেতু ভেসে গেছে। এর মধ্যে একটি সেতু গোর্খা ও পার্শ্ববর্তী ধাদিং জেলার সংযোগকারী মহাসড়ক সেতু।
গোর্খা জেলার শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ধর্মেন্দ্র কুমার মিশ্র জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্যাম্প। তিনি আরও বলেন, বাসিন্দাদের অবিলম্বে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে। জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রধান ধরম রাজ উপ্রেতি জানিয়েছেন, কাদামাটিযুক্ত ঢলের পানি দ্রুত বাড়ছে।
বুড়ি গণ্ডকী হলো ত্রিশূলী নদীর একটি উপনদী। গত আগস্টে এই নদীতে হিমবাহ ধসের কারণে ভয়াবহ বন্যায় ১,৪৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং এখনো কয়েক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
"নদীর ভাটি অঞ্চলে বসবাসরত গ্রামবাসীদের অবিলম্বে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এক ডজন ঘরবাড়ি এবং দুটি ঝুলন্ত সেতু।" — ধর্মেন্দ্র কুমার মিশ্র, গোর্খা জেলার শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গোর্খা জেলা, নেপাল (চুমরুব্রি গ্রাম)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ধর্মেন্দ্র কুমার মিশ্র (গোর্খা জেলার শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা), ধরম রাজ উপ্রেতি (জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রধান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ কিলোমিটার (কাঠমান্ডু থেকে দূরত্ব), ১,৪৫৭ জন (গত আগস্টের হিমবাহ ধসের মৃত্যু)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!