📌 হিমবাহ ধসে সৃষ্ট বিধ্বংসী বন্যা ও ভূমিধসে নেপালের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে শতাধিক শ্রমিক আটকা পড়েছেন। নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ ও খননযন্ত্রের সাহায্যে উদ্ধারকর্মীরা তাদের উদ্ধারে ব্যস্ত রয়েছেন। এখন পর্যন্ত ৯০৩ জনের মৃত্যু ও ৪,২৪৭ জন নিখোঁজের খবর পাওয়া গেছে
হিমবাহ ধসে সৃষ্ট বিধ্বংসী বন্যা ও ভূমিধসে নেপালের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে শতাধিক শ্রমিক আটকা পড়েছেন। রয়টার্সের খবর অনুযায়ী, সুড়ঙ্গগুলো পুরু কাদায় চাপা পড়ায় ভেতরে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারে উদ্ধারকারী দলগুলো সোমবার (৩১ আগস্ট) থেকে তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে। খননযন্ত্র ও নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে সুড়ঙ্গগুলো খোলার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সুড়ঙ্গে আটকা পড়েছেন শতাধিক শ্রমিক, যাদের মধ্যে ৯৩৩ জন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মী
- 📌 উদ্ধারকর্মীরা নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ, খননযন্ত্র ও সার্চলাইট ব্যবহার করছেন সুড়ঙ্গগুলো খোলার জন্য
- 📌 এখন পর্যন্ত তিনটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, তবে অধিকাংশ অংশই কাদায় চাপা পড়ে আছে
- 📌 নেপালি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজা রাম বাসনেট জানান, ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে সুড়ঙ্গগুলো খোলাই প্রধান চ্যালেঞ্জ
- 📌 মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, ২৬ আগস্ট চীন-নেপাল সীমান্তে হিমবাহ ধসের ফলে এই দুর্যোগের সৃষ্টি হয়
📰 বিস্তারিত
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেপালের রাসুয়া ও নুয়াকোট জেলার ১১টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে শ্রমিকরা আটকা পড়েছেন। এসব সুড়ঙ্গে প্রায় ৯০০ জনেরও বেশি শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। উদ্ধারকারী দলগুলো রাতের আঁধারেও মাটি সরানোর যন্ত্র ও কোদাল ব্যবহার করে কাদা ও পাথর সরিয়ে চলেছেন। একটি সুড়ঙ্গে প্রবেশের জন্য নেপালি সৈন্যরা নিজেদের তৈরি গর্তে টর্চলাইট ব্যবহার করছেন।
নেপালি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজা রাম বাসনেট বলেন, ‘প্রচুর পরিমাণে ধ্বংসাবশেষ জমা হয়েছে, যা সুড়ঙ্গগুলো খোলার ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ।’ তিনি আরও জানান, অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দলগুলো পানি ও কাদা সরিয়ে আটকে পড়া মানুষদের কাছে পৌঁছানোর জন্য নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ, খননযন্ত্র এবং সার্চলাইট ব্যবহার করছে। দলগুলো দুটি সুড়ঙ্গে প্রবেশ করে তিনটি মৃতদেহ উদ্ধার করেছে, তবে অন্যান্য অংশগুলো কাদায় চাপা পড়ে আছে এবং সেখানে তল্লাশি চলছে বলে জানানো হয়েছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, গত ২৬ আগস্ট চীন-নেপাল সীমান্তে হিমবাহ ধসের কারণেই এ দুর্যোগের সৃষ্টি হয়। এর ফলে পানির সঙ্গে বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ তীব্র বেগে নেমে আসে। প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ এই বন্যাকে একটি ‘অভূতপূর্ব ও বিধ্বংসী প্রাকৃতিক দুর্যোগ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
‘প্রচুর পরিমাণে ধ্বংসাবশেষ জমা হয়েছে এবং এটি সুড়ঙ্গগুলো খোলার ক্ষেত্রে আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো সুড়ঙ্গগুলো খোলা।’ — রাজা রাম বাসনেট, নেপালি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেপালের রাসুয়া ও নুয়াকোট জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাজা রাম বাসনেট (নেপালি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৩৩ জন শ্রমিক নিখোঁজ, ৯০৩ জন মৃত্যু, ৪,২৪৭ জন নিখোঁজ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!