📌 নেপালের রাসুয়া জেলায় ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় চারশতে পৌঁছেছে। পুলিশের সর্বশেষ তথ্যমতে, ইতোমধ্যে ৩৮৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ভূমিধস ও আকস্মিক ঢলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চলমান
নেপালের রাসুয়া জেলায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় চারশতে পৌঁছেছে। দেশটির পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ তথ্যমতে, ইতোমধ্যে ৩৮৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে মৃতের সংখ্যা ছিল ৩৫৯ জন। ঘণ্টায় ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি: নেপালের রাসুয়া জেলায় ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৩৮৯ জনে পৌঁছেছে
- 📌 ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা: রাসুয়া জেলার ত্রিশূলি ও নারায়নি নদীর পাশাপাশি ভোটকোশি নদীর পানি বৃদ্ধি
- 📌 ক্ষয়ক্ষতি: ভূমিধস ও আকস্মিক ঢলের কারণে ঘরবাড়ি, সেতু ও বৈদ্যুতিক অবকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস
- 📌 নিখোঁজ: চীনের তিব্বতে অন্তত ৩০০ জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছে
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিবিসি সূত্রে জানা যায়, নেপাল পুলিশ সর্বশেষ তথ্যে ৩৮৯টি মরদেহ উদ্ধারের কথা জানিয়েছে। এর আগে মৃতের সংখ্যা ছিল ৩৫৯ জন। ঘণ্টায় ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় প্রশাসন উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।
গতকাল সকালে হঠাৎ করে রাসুয়া জেলায় ধেয়ে আসে আকস্মিক ঢল। ত্রিশূলি ও নারায়নি নদীর পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি ভোটকোশি নদীর পানি ফুলেফেঁপে ওঠে। পাহাড় থেকে নেমে আসা পানির সঙ্গে যুক্ত হয় ভূমিধসের কাদামাটি ও পাথর। এই প্রবল বানের পানির ধাক্কায় এলাকার ঘরবাড়ি, সেতু, গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ সব অবকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়।
এদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, যেসব এলাকা পুনরায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সেসব মানুষকেও সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
"এই বানের শক্তি এতই বেশি ছিল যে এটি তার পথে থাকা সবধরনের অবকাঠামো সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। ঘরবাড়ি, সেতু, গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি- সব ভাসিয়ে নিয়ে গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাসুয়া জেলা, নেপাল
- 👥 ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি: স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ৩৮৯ জন, নিখোঁজ ৩০০ জন (তিব্বত, চীন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!