📌 নেপালের গর্কা জেলার মনাসলু ট্রেকিং রুটে বন্যায় ১০০-এরও বেশি বিদেশি ট্রেকার আটকে পড়েছে। ৯ বাংলাদেশি ট্রেকার হেলিকপ্টার মাধ্যমে রক্ষা পাওয়ার আশা করছে। বন্যায় ২০০-এরও বেশি বাড়ি ধ্বংস ও বিদ্যুৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে
নেপালের গর্কা জেলার মনাসলু ট্রেকিং রুটে বন্যায় ১০০-এরও বেশি বিদেশি ট্রেকার আটকে পড়েছে। বন্যায় সড়ক, সেতু ও বাসস্থান ধ্বংস হওয়ায় ট্রেকারদের রক্ষা ও পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে। বন্যায় আটকে পড়া বাংলাদেশি ট্রেকারদের মধ্যে ৯ জনের অবস্থা বিশেষ আশঙ্কাজনক।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেপালের গর্কা জেলায় বন্যায় ১০০-এরও বেশি বিদেশি ট্রেকার আটকে পড়েছে, তাদের মধ্যে ৯ জন বাংলাদেশি
- 📌 বন্যায় ২০০-এরও বেশি বাড়ি ধ্বংস, ৩টি হাইড্রো ইলেকট্রিক প্ল্যান্ট ক্ষতিগ্রস্ত
- 📌 ৩২১ জন রক্ষা পাওয়ার পরও ১২ জন বিদেশি ট্রেকার মিসিং, সেনাবাহিনী রক্ষা অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে
- 📌 ট্রেকারদের মধ্যে ৯ জন বাংলাদেশি হেলিকপ্টার মাধ্যমে রক্ষা পাওয়ার আশা করছে, তাদের খাদ্য ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
- 📌 বন্যায় গর্কা জেলার বুধি গণ্ডাকী নদীতে বাঁধ গড়া, নদীতে জমা পড়া মাটি ও ধ্বংসাবশেষ ৫ জন গ্রামবাসীকে অদৃশ্য করেছে
📰 বিস্তারিত
নেপালের গর্কা জেলার মনাসলু ট্রেকিং রুটে বন্যায় ১০০-এরও বেশি বিদেশি ট্রেকার আটকে পড়েছে। মনাসলু সংরক্ষণ প্রকল্পের কর্মকর্তা ভুয়ান রাজ ওজহা জানান, বন্যায় ট্রেকিং পথের অংশ ধ্বংস হওয়ায় ট্রেকাররা বিভিন্ন স্থানে আটকে পড়েছেন। তিনি বলেন, “যারা বন্যায় ফিরে যেতে চায় তাদেরকে রক্ষা করতে হবে। যারা নিরাপদ স্থানে থেকে ট্রেকিং চালিয়ে যেতে চায় তাদের জন্য সেখানে নিরাপদ স্থান রয়েছে। রুটে রেস্টুরেন্ট ও চা বাড়ি আছে, সেগুলো নিরাপদ।”
বন্যায় আটকে পড়া বাংলাদেশি ট্রেকার মদ শাহাদাত হোসেন জানান, “আমরা গতকাল থেকে জাগত গ্রামে আটকে পড়েছি। গ্রামের উপরে থেকে বন্যা নেমে এসেছে এবং গ্রামের নিম্নভাগে প্রবাহিত হয়েছে। আমরা নিরাপদ, কিন্তু গতকাল থেকে বিদ্যুৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এবং খাদ্য সরবরাহ ক্রমশ কমে যাচ্ছে।”
বন্যায় গর্কা জেলার বুধি গণ্ডাকী নদীতে প্রাতঃকালীন ভূমি-স্লাইডের কারণে নদীতে বাঁধ গড়া হয়েছিল। এই বাঁধের কারণে নদীতে জমা পড়া মাটি ও ধ্বংসাবশেষ ২০০-এরও বেশি বাড়ি ধ্বংস করেছে। জাতীয় দুর্যোগ কর্তৃপক্ষ জানান, এই বন্যায় ৫ জন গ্রামবাসী অদৃশ্য হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩টি হাইড্রো ইলেকট্রিক প্ল্যান্ট।
বন্যায় আটকে পড়া ট্রেকারদের মধ্যে ৯ জন বাংলাদেশি হেলিকপ্টার মাধ্যমে রক্ষা পাওয়ার আশা করছে। গর্কা জেলার কর্তৃপক্ষ নদীর তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক করে দিয়েছে। দুর্যোগ কর্তৃপক্ষ গর্কা, তানাহু, চিতওয়ান, পূর্ব নবলপুর ও পশ্চিম নবলপুর জেলার নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সতর্কবার্তা জারি করেছে।
"যারা বন্যায় ফিরে যেতে চায় তাদেরকে রক্ষা করতে হবে। যারা নিরাপদ স্থানে থেকে ট্রেকিং চালিয়ে যেতে চায় তাদের জন্য সেখানে নিরাপদ স্থান রয়েছে। রুটে রেস্টুরেন্ট ও চা বাড়ি আছে, সেগুলো নিরাপদ।"
"আমরা গতকাল থেকে জাগত গ্রামে আটকে পড়েছি। গ্রামের উপরে থেকে বন্যা নেমে এসেছে এবং গ্রামের নিম্নভাগে প্রবাহিত হয়েছে। আমরা নিরাপদ, কিন্তু গতকাল থেকে বিদ্যুৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এবং খাদ্য সরবরাহ ক্রমশ কমে যাচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গর্কা জেলা, নেপাল (মনাসলু ট্রেকিং রুট, জাগত গ্রাম)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভুয়ান রাজ ওজহা (মনাসলু সংরক্ষণ প্রকল্প), মদ শাহাদাত হোসেন (বাংলাদেশি ট্রেকার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০+ বিদেশি ট্রেকার আটকে, ৯ বাংলাদেশি ট্রেকার, ৩২১ জন রক্ষা পাওয়া, ১২ জন মিসিং, ২০০+ বাড়ি ধ্বংস, ৫ জন অদৃশ্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!