📌 নেপালের গোরখা জেলায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। এর মধ্যে ৯ জন বাংলাদেশি ট্রেকার জগৎ গ্রামে আটকে পড়েছেন। বন্যায় ৫ জন গ্রামবাসী নিখোঁজ এবং ৩২১ জন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
নেপালের গোরখা জেলায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মানাসলু ট্রেকিং রুটের শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। এতে ৯ জন বাংলাদেশি সহ ১২ জন বিদেশি পর্যটকসহ মোট ৩২১ জনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বন্যায় নদীপাড়ের দুই শতাধিক বাড়িঘর ভেসে গেছে এবং তিনটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্রসহ ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেপালের গোরখা জেলায় বন্যা ও ভূমিধসে শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন, এর মধ্যে ৯ জন বাংলাদেশি ট্রেকার জগৎ গ্রামে আটকে পড়েছেন
- 📌 বন্যায় ৫ জন গ্রামবাসী নিখোঁজ এবং ৩২১ জনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে
- 📌 বন্যার কারণে মানাসলু ট্রেকিং রুটের কিছু অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে, পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ
- 📌 আটকে পড়া বাংলাদেশি ট্রেকারদের হেলিকপ্টার মাধ্যমে উদ্ধার করার আশা
- 📌 বন্যায় নদীপাড়ের দুই শতাধিক বাড়িঘর ভেসে গেছে এবং তিনটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
📰 বিস্তারিত
নেপালের গোরখা জেলায় গত রোববার ভোরে ভূমিধসে বুড়ি গণ্ডকী নদীর প্রবাহ আটকে গেলে বন্যার সৃষ্টি হয়। এই বন্যায় নদীপাড়ের দুই শতাধিক বাড়িঘর ভেসে গেছে এবং তিনটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্রসহ ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তা ভুবন রাজ ওঝা জানান, বন্যার কারণে ট্রেকিং পথের কিছু অংশ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। তিনি বলেন, যারা ফিরে যেতে চান তাদের দ্রুত উদ্ধারের প্রক্রিয়া চলছে এবং যারা ট্রেকিং চালিয়ে যেতে চান তাদের নিরাপদ স্থানগুলোতে অবস্থান করতে বলা হয়েছে।
আটকে পড়া বাংলাদেশি ট্রেকার মো. শাহাদাত হোসেন বার্তা সংস্থা আনাদোলুকে বলেন, ‘গতকাল থেকে আমরা জগতে আটকা পড়ে আছি। গ্রামের ওপরের দিক থেকে আকস্মিক বন্যার পানি নেমে এসে গ্রামের নিচের অংশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। আমরা নিরাপদে আছি, তবে গতকাল থেকে বিদ্যুৎ নেই এবং বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। খাবারের সরবরাহও ধীরে ধীরে কমে আসছে।’
জাতীয় দুর্যোগ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্যার কারণে গোরখা, তানাহুন, চিতওয়ান, পূর্ব নাওয়ালপারাসি ও পশ্চিম নাওয়ালপারাসি জেলার নদীতীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে। বর্তমানে নদীর পানির উচ্চতা কিছুটা কমায় উদ্ধার অভিযান জোরদার করেছে নেপাল সেনাবাহিনী।
"আমরা নিরাপদে আছি, তবে গতকাল থেকে বিদ্যুৎ নেই এবং বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। খাবারের সরবরাহও ধীরে ধীরে কমে আসছে।"
বন্যার আগে আগস্টে এই নদীর উপনদীতে হিমবাহ ধসে ভয়াবহ বন্যা হয়েছিল। ওই বন্যায় ১ হাজার ৪৫৭ জনের মৃত্যু হয় এবং এখনো হাজারো মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেপালের গোরখা জেলা, জগৎ গ্রাম, মানাসলু ট্রেকিং রুট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শাহাদাত হোসেন, ভুবন রাজ ওঝা, নেপালের জাতীয় দুর্যোগ কর্তৃপক্ষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ জন বাংলাদেশি ট্রেকার, ১২ জন বিদেশি, ৩২১ জন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া, ৫ জন নিখোঁজ, ১০০ কিলোমিটার দূরে ভূমিধস, ১ হাজার ৪৫৭ জন মৃত্যু (আগস্টের বন্যায়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!