📌 নেপালের গোরখা জেলার চুমনুব্রি গ্রামে আকস্মিক বন্যায় ৩৫টি বাড়ি ও সেতু ভেসে গেছে। জলবিদ্যুৎ প্রকল্পও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নদীর পানির উচ্চতা মাত্র ১০ মিনিটে ২ মিটার বেড়ে বিপদসীমা ছাড়িয়ে গেছে। নেপাল সেনাবাহিনী উদ্ধার অভিযানে মোতায়েন করেছে
নেপালের গোরখা জেলায় আজ রোববার আকস্মিক বন্যা আঘাত হানে। চুমনুব্রি গ্রামে ত্রিশূলী নদীর উপনদী বুড়ি গণ্ডকি নদীর পানি বেড়ে ৩৫টি বাড়ি ও সেতু ভেসে যায়। জলবিদ্যুৎ প্রকল্পও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নদীর পানির উচ্চতা মাত্র ১০ মিনিটে ২ মিটার বেড়ে বিপদসীমা ছাড়িয়ে যায়। এ বন্যায় এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেপালের গোরখা জেলার চুমনুব্রি গ্রামে বন্যায় ৩৫টি বাড়ি ও সেতু ভেসে যায়
- 📌 জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়, নদীর পানি বিপদসীমা ছাড়িয়ে ৮.৪৩ মিটার পৌঁছায়
- 📌 সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে ৮টা ৪০ মিনিটের মধ্যে পানির উচ্চতা ২ মিটার বেড়ে যায়
- 📌 নেপাল সেনাবাহিনী উদ্ধার অভিযানে মোতায়েন, ভূমিধসের ঝুঁকিতে ছয়জনকে সরিয়ে নেওয়া হয়
- 📌 নদীর পানি কালো-ধূসর হয়ে ঘন কাদা নিয়ে প্রবল বেগে বয়ে যাচ্ছে
📰 বিস্তারিত
নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিআরআরএমএ) জানায়, সকাল সাড়ে ছয়টায় নদীর পানির উচ্চতা ছিল ৩.৬৬ মিটার। সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে তা বেড়ে ৮.৪৩ মিটার পৌঁছায়। বিপদসীমা ৫ মিটার হলেও পানির উচ্চতা তা ছাড়িয়ে যায়। এনডিআরআরএমএ জানায়, বৃষ্টির কারণে বন্যা হয়নি। নদীর প্রবাহ কোনো কারণে আটকে গিয়ে পরে বাধা ভেঙে যাওয়ায় আকস্মিক বন্যা হয়। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে কারিগরি বিশ্লেষণ চলছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, নদীর পানি পুরোপুরি কালো-ধূসর হয়ে ঘন কাদা নিয়ে প্রবল বেগে বয়ে যাচ্ছে। নদীসংলগ্ন ও নিচু এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে। নেপাল সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, তাদের দল আকাশপথে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পর্যবেক্ষণ করেছে। ভূমিধসের ঝুঁকিতে থাকা ছয়জনকে আকাশপথে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে। কাঠমান্ডু থেকে একটি সমন্বিত কুইক রিঅ্যাকশন টিমও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পাঠানো হয়েছে।
গত ২৬ আগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্ত থেকে শুরু হওয়া ভয়াবহ বন্যার ধাক্কা এখনো সামলে উঠতে পারেনি দেশটি। হিমালয়ের সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত ভোতেকোশি নদী বন্যার পানি ভাটির দিকে নিয়ে যায়। এতে বাড়িঘর, যানবাহন, সড়ক ও সেতু ভেসে যায়। প্রাণ হারান ১ হাজার ৪৫৭ জন এবং নিখোঁজ হন হাজারো মানুষ।
“বন্যায় সেতুসহ পানির উচ্চতা পরিমাপের কেন্দ্রটিও ভেসে গেছে। এ কারণে আরও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গোরখা জেলার চুমনুব্রি গ্রাম, নেপাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নেপাল সেনাবাহিনী, এনডিআরআরএমএ কর্তৃপক্ষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫টি বাড়ি ও সেতু ক্ষতিগ্রস্ত, পানির উচ্চতা ৮.৪৩ মিটার, ২ মিটার মাত্র ১০ মিনিটে বেড়ে যায়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!