📌 তিব্বতের ভূমিধসের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় নেপালে মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের। নিখোঁজ রয়েছেন ভারতীয়সহ মোট ৩৮৪ জন পর্যটক। উদ্ধার অভিযানে সেনাবাহিনীর ৩২ সদস্য ও ১৪টি হেলিকপ্টার নিয়োজিত
তিব্বতের ভূমিধসের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় নেপালে মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের। এছাড়া ভারতীয়সহ মোট ৩৮৪ জন পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম। ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযানে সেনাবাহিনীর ১৪টি হেলিকপ্টার ও ৩২ সদস্যকে নিয়োজিত করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের, যার মধ্যে ভারতীয় রয়েছেন ১০৫ জন
- 📌 নিখোঁজ রয়েছেন মোট ৩৮৪ জন পর্যটক
- 📌 উদ্ধার অভিযানে নিয়োজিত সেনাবাহিনীর ১৪টি হেলিকপ্টার ও ৩২ সদস্য
- 📌 ভোতিকোশি নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে সকাল ৯টায় বন্যা শুরু হয়
- 📌 প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
বুধবার (২৬ আগস্ট) চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বত থেকে পাহাড়ি ঢলের কারণে নেপালে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। ভোতিকোশি নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে সকাল ৯টায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এতে রাসুয়া জেলার তিমুর ও পার্শ্ববর্তী সায়াফুরবাসি এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
নেপালের সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে জানানো হয়, ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযানে ১৪টি হেলিকপ্টার ও উদ্ধারকারীদের মোতায়েন করা হয়েছে। বন্যার পানিতে গাড়ি, পণ্য ও অন্যান্য সম্পদ ভেসে গেছে। এছাড়া কিছু প্রকল্পের কাজও ভেসে গেছে বলে জানানো হয়।
নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ উপদ্রুত এলাকাগুলোতে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। নেপালের বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তিব্বতে ভূমিধসের কারণে ভোতিকোশি নদীর পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। সেই চাপ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে এই আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।
"ভোতিকোশি নদীর তিব্বতে ভূমিধসের কারণে পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। সেই চাপ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে এই আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেপালের রাসুয়া জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ১৬ জন, নিখোঁজ ৩৮৪ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!