📌 হিমবাহ ধসজনিত প্রলয়ংকরী পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের তিন মাস আগে চীন ও নেপাল যৌথ বৈঠকে বসেছিল। তবে নেপাল দাবি করেছে, দুর্যোগের পূর্বাভাস ও তথ্য আদান-প্রদানে চীনের সহযোগিতা প্রত্যাশিত মাত্রায় ছিল না। এতে দুই দেশে ৯০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৪ হাজারের বেশি মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন
গত মে মাসে চীন ও নেপালের কর্মকর্তাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে হিমবাহ ধসজনিত দুর্যোগের পূর্বাভাস ও ঝুঁকি মোকাবিলায় যৌথ পদক্ষেপ গ্রহণের আলোচনা হয়। তবে নেপালের কর্মকর্তারা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, চীন থেকে প্রত্যাশিত মাত্রায় তথ্য আদান-প্রদান না হওয়ায় দুর্যোগের পূর্বাভাস ও প্রস্তুতি গ্রহণে বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গত ২৭ মে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে চীন ও নেপালের কর্মকর্তাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- 📌 বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন নেপালের ১০ কর্মকর্তা এবং চীনের প্রায় এক ডজন কর্মকর্তা, যাদের মধ্যে তিব্বত অঞ্চলের কর্মকর্তারাও ছিলেন।
- 📌 বৈঠকে হিমবাহ থেকে সৃষ্ট হ্রদগুলোর তালিকা ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর মানচিত্র তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়।
- 📌 নেপালের কর্মকর্তারা জানান, চীন থেকে প্রত্যাশিত তথ্য আদান-প্রদান না হওয়ায় দুর্যোগের পূর্বাভাস দেওয়া ও প্রস্তুতি গ্রহণে সমস্যা হয়েছে।
- 📌 গত বুধবার হিমবাহ ধসজনিত পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসে দুই দেশে ৯০৩ জন নিহত এবং ৪ হাজার ২০০-এর বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
হিমবাহ ধসজনিত প্রলয়ংকরী পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের তিন মাস আগে চীন ও নেপালের কর্মকর্তারা যৌথ বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে বন্যা, আবহাওয়া ও হিমবাহ-সম্পর্কিত ঝুঁকি পর্যবেক্ষণ এবং সেগুলো মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা যৌথভাবে ঝুঁকি কমানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। এর মধ্যে ছিল হিমবাহ থেকে সৃষ্ট হ্রদগুলোর তালিকা ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর মানচিত্র তৈরির প্রস্তাব।
তবে বৈঠকের পর চীন থেকে প্রত্যাশিত তথ্য আদান-প্রদান না হওয়ায় নেপালের কর্মকর্তারা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, দুর্যোগের পূর্বাভাস দেওয়া ও প্রস্তুতি গ্রহণে বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে। নেপালের বন্যা পূর্বাভাস বিভাগের বিশেষজ্ঞ সৌহার্দ্য যোশি রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম, হিমবাহে যদি আগেভাগে কোনো পরিবর্তন দেখা দেয়, তবে যেন আমরা তা আগেভাগে জানতে পারি।’
গত বুধবার হিমবাহ ধসজনিত পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসে দুই দেশে ৯০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৪ হাজার ২০০-এর বেশি মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে বিবিসি। চীন অবশ্য দাবি করেছে, তারা ‘সময়মতো’ তথ্য প্রদান করেছে। তবে কোনো কর্মকর্তা বা বিশেষজ্ঞই এ দুর্যোগের জন্য কোনো পক্ষকে দায়ী করেননি।
‘আমরা আসলে তাদের কাছ থেকে যা চেয়েছিলাম এবং এখনো যা চাই, তা হলো হিমবাহে যদি আগেভাগে কোনো পরিবর্তন দেখা দেয় কিংবা ওই এলাকায় কোনো পরিবর্তন ঘটে, তবে আমরা যেন সেটা কিছুটা আগেভাগে জানতে পারি।’ — সৌহার্দ্য যোশি, নেপালের বন্যা পূর্বাভাস বিভাগের বিশেষজ্ঞ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেপাল ও চীনের সীমান্তবর্তী হিমালয় অঞ্চল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৌহার্দ্য যোশি (নেপালের বন্যা পূর্বাভাস বিভাগের বিশেষজ্ঞ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০৩ জন নিহত, ৪ হাজার ২০০-এর বেশি নিখোঁজ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!