📅 ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১২:১৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নেপাল-চীন সীমান্তে বিধ্বংসী বন্যা: ‘তরল সিমেন্ট’ প্রবাহে দ্বিগুণ শক্তিতে আঘাত হানার আশঙ্কা বিজ্ঞানীর

নেপাল-চীন সীমান্তে বিধ্বংসী বন্যা: ‘তরল সিমেন্ট’ প্রবাহে দ্বিগুণ শক্তিতে আঘাত হানার আশঙ্কা বিজ্ঞানীর

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেপাল-চীন সীমান্তের পাহাড়ি অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যার প্রবাহ ছিল সাধারণ পানির চেয়ে দ্বিগুণ শক্তিশালী। যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানী হাতিম শরীফ জানিয়েছেন, পলি ও ধ্বংসাবশেষ মিশ্রিত এই স্রোত গাড়ির সমান পাথর ভাসিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম। উদ্ধার অভিযানেও রয়েছে বিপদ, কারণ ধ্বংসাবশেষ স্তর মানুষের ওজন বহন করতে পারে না

নেপাল ও চীনের সীমান্তবর্তী দুর্গম পাহাড়ি উপত্যকায় আঘাত হানা ভয়াবহ বন্যার প্রবাহ ছিল সাধারণ পানির স্রোতের মতো নয়। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাট সান অ্যান্টোনিওর প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক হাতিম শরীফ জানিয়েছেন, পানি, গুঁড়ো বরফ, কাদা, বালি, নুড়ি ও বিশাল পাথরের সমন্বয়ে গঠিত এই স্রোত ছিল অনেকটা ‘তরল সিমেন্টের’ মতো বিধ্বংসী।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নেপাল-চীন সীমান্তের পাহাড়ি অঞ্চলে বন্যার প্রবাহ ছিল সাধারণ পানির চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ শক্তিশালী
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের অধ্যাপক হাতিম শরীফ জানান, এই ধরনের স্রোত গাড়ির সমান পাথর ভাসিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম
  • 📌 জীবন বাঁচাতে অন্তত ছয় মিটার বা প্রায় ২০ ফুট উঁচু স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ বিজ্ঞানীর
  • 📌 বন্যার পর ধ্বংসাবশেষ স্তর মানুষের ওজন বহন করতে না পারায় উদ্ধারকাজ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ
  • 📌 নতুন বৃষ্টির কারণে আবারও প্রবাহিত হতে পারে জমে থাকা পলি ও ধ্বংসাবশেষ

📰 বিস্তারিত

গত ২৬ আগস্ট নেপালের পাহাড়ি গিরিখাত বেয়ে নেমে আসা প্রবল বন্যার পানি ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি করে। অধ্যাপক হাতিম শরীফের মতে, এই বন্যার প্রবাহ ছিল সাধারণ পানির চেয়ে দ্বিগুণ শক্তিশালী। কারণ, পানি ও গুঁড়ো বরফের সঙ্গে মিশে থাকা কাদা, বালি, নুড়ি ও বিশাল পাথর একত্রে প্রবাহিত হয়ে তৈরি করেছিল বিধ্বংসী স্রোত।

তিনি আরও জানান, একই গতিতে প্রবাহিত হলে এই ধরনের স্রোত কোনো ভবনে সাধারণ পানির তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ শক্তিতে আঘাত হানতে পারে। এমন প্রবাহ থেকে দৌড়ে পালানো প্রায় অসম্ভব বলেও উল্লেখ করেন তিনি। জীবন বাঁচাতে হলে দ্রুত উঁচু স্থানে উঠে যাওয়ার পাশাপাশি অন্তত ছয় মিটার বা প্রায় ২০ ফুট ওপরে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

বন্যার পর ধ্বংসাবশেষ স্তরের কারণে উদ্ধার অভিযান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ, কোনো জায়গা একজন মানুষের ওজন বহন করতে সক্ষম হলেও কয়েক কদম দূরের জায়গায় মানুষ কোমর পর্যন্ত ডুবে যেতে পারে। অনেক জায়গায় জমে থাকা পলি ও কাদার স্তর কয়েক ফুট পুরু হতে পারে, যা উদ্ধারকাজকে আরও কঠিন করে তোলে। ফলে নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে যন্ত্রের চেয়ে হাতে এবং বিশেষ যন্ত্র দিয়ে মাটি খুঁড়ে খোঁজ চালাতে হয়।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, নতুন করে বৃষ্টি হলে জমে থাকা বিপুল পলি, পাথর ও ধ্বংসাবশেষ আবারও প্রবাহিত হতে পারে। তাই আবহাওয়া শান্ত থাকলেও নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলোর মানুষকে সতর্ক থাকার এবং নদীর পাড় থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন অধ্যাপক হাতিম শরীফ।

"একই গতিতে প্রবাহিত হলে এই ধরনের পলি ও ধ্বংসাবশেষ মিশ্রিত স্রোত কোনো ভবনে সাধারণ পানির তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ শক্তিতে আঘাত হানতে পারে। জীবন বাঁচাতে হলে দ্রুত উঁচু স্থানে উঠে যেতে হবে এবং অন্তত ছয় মিটার বা প্রায় ২০ ফুট ওপরে আশ্রয় নিতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী পাহাড়ি অঞ্চল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক হাতিম শরীফ (যুক্তরাষ্ট্র)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় ২০ ফুট (আশ্রয় স্থান)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖