📌 নেপালের হিমালয় অঞ্চলে তুষারধসে ১৫ জন নেপালি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। চীন সীমান্তের কাছে অবস্থিত একটি উচ্চশৃঙ্গের বেস ক্যাম্পে ঘটে এই দুর্যোগ। উদ্ধারকারীরা মরদেহ উদ্ধার করছেন এবং জীবিত কর্মী খুঁজতে চেষ্টা করছেন।
নেপালের মধ্যাঞ্চলে তুষারধসে ১৫ জন নেপালি শ্রমিক নিহত হয়েছে। এই দুর্যোগে বিদেশি পর্বতারোহীদের জন্য পর্বতশিবির প্রস্তুত করার সময় কর্মীরা নিহত হন। নেপাল ন্যাশনাল মাউন্টেইন গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তুল সিং গুরুং এই তথ্য জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেপালের হিমালয় অঞ্চলে ৭ হাজার ১২৬ মিটার উচ্চতার একটি শৃঙ্গে তুষারধসে ১৫ জন নিহত
- 📌 উদ্ধারকারীরা ১৪ ফুট গভীর বরফ খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার করছেন
- 📌 নিখোঁজ কর্মীকে জীবিত খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম বলে জানানো হয়েছে
- 📌 ২০১৪ সালে এভারেস্টে তুষারধসে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল, যা নেপালের সর্বাধিক পর্বতারোহণ দুর্যোগ
📰 বিস্তারিত
তুষারধস ঘটে গত রোববার ভোরে। চীন সীমান্তের কাছে অবস্থিত ৭ হাজার ১২৬ মিটার (২৩ হাজার ৩৩৫ ফুট) উচ্চতার হিমলুং শিখরের বেস ক্যাম্পে এই ঘটনা ঘটে। সেখানে পরবর্তী অভিযানের জন্য তাবু টানানো এবং রশি বাঁধার কাজ করছিলেন কর্মীরা। সভাপতি তুল সিং গুরুং বলেন, আজ পর্যন্ত উদ্ধার করা মরদেহগুলো হেলিকপ্টারে করে কাঠমান্ডুতে নিয়ে যাওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উদ্ধারকারীরা ১১ সদস্যের একটি দল নিয়ে চার মিটারেরও বেশি গভীর বরফ খুঁড়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন। এর আগে রোববার দুই পর্বতারোহী গাইড, সোমবার দুই কিচেন স্টাফ এবং মঙ্গলবার আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তবে নিখোঁজ কর্মীকে জীবিত খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম বলে জানানো হয়েছে এবং উদ্ধার অভিযান প্রায় গুটিয়ে আনা হচ্ছে।
তুষারধসের সময় বিদেশি পর্বতারোহীরা ওই স্থানে পৌঁছাননি। তবে এই ঘটনাটি নেপালের সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক পর্বতারোহণ দুর্যোগের একটি। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে এভারেস্টে তুষারধসে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এছাড়া ২০১৫ সালে এভারেস্টে ভূমিকম্পের কারণে ১৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছিল।
"আজ যে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে, সেগুলো হেলিকপ্টারে করে কাঠমান্ডুতে নিয়ে আসা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নিখোঁজ কর্মীকে জীবিত খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হিমলুং শৃঙ্গ, নেপাল (চীন সীমান্তের কাছে)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তুল সিং গুরুং (নেপাল ন্যাশনাল মাউন্টেইন গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ জন নিহত শ্রমিক, ৭ হাজার ১২৬ মিটার উচ্চতা, ১১ সদস্যের উদ্ধার দল, ১৪ ফুট গভীর বরফ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!