📌 হিমবাহধসে সৃষ্ট প্রলয়ংকরী ঢলের পর নেপাল সরকার তাদের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে বিদেশি অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দলকে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। এখন পর্যন্ত ৫৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, নিখোঁজ রয়েছেন ১ হাজার ৯২৪ জন
হিমবাহধসে সৃষ্ট প্রলয়ংকরী ঢলের পর নেপাল সরকার তাদের পূর্ববর্তী অবস্থান থেকে সরে এসে বিদেশি অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দলকে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। গত বুধবার নেপাল–তিব্বত সীমান্তে হিমবাহধসের পর ভোটেকোশি ও ত্রিশূলী নদী দিয়ে প্রলয়ংকরী ঢল নেমে আসে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেপাল সরকারের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত ছিল বিদেশি উদ্ধার দলের প্রবেশে অনুমতি না দেওয়া
- 📌 আন্তর্জাতিক চাপের মুখে সরকার তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেছে
- 📌 ভারত, চীন, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষজ্ঞ দলকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে
- 📌 এখন পর্যন্ত ৫৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, নিখোঁজ রয়েছেন ১ হাজার ৯২৪ জন
- 📌 বিদেশিদের মধ্যে সর্বাধিক নিখোঁজ ভারতীয় (১৭৮ জন)
📰 বিস্তারিত
গত বুধবার নেপাল–তিব্বত সীমান্তে হিমবাহধসের পর ভোটেকোশি ও ত্রিশূলী নদী দিয়ে প্রলয়ংকরী ঢল নেমে আসে। এ দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ৫৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। তিব্বতেও উদ্ধার করা হয়েছে আরও পাঁচজনের মৃতদেহ। দেশটিতে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯২৪ জনে। তাঁদের মধ্যে অন্তত ৫৪০ জন বিদেশি নাগরিক।
প্রাথমিকভাবে নেপাল সরকার বিদেশি উদ্ধার দলের প্রবেশে অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে বিভিন্ন দেশের কাছ থেকে সহায়তার প্রস্তাব আসার পর সরকার তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে। নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লোক বাহাদুর ছেত্রী জানান, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে সহায়তার প্রস্তাব আসাটা স্বাভাবিক, তবে আমাদের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।’
এ অবস্থান থেকে সরে এসে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপের মুখে সরকার নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় সীমিতসংখ্যক বিশেষজ্ঞকে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে অন্তত অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল এবং কিছু বিশেষজ্ঞকে কাজ করার অনুমতি দেওয়ার জন্য ব্যাপক চাপ দেওয়া হয়েছে।’
বিদেশিদের মধ্যে সর্বাধিক নিখোঁজ রয়েছেন ভারতীয়রা। সংখ্যাটি ১৭৮ জন। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ৬৫ জন, ইউক্রেনের ৫৩ জন, অস্ট্রেলিয়ার ৩৫ জন এবং যুক্তরাজ্যের ৩৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন। মোট ৩১টি দেশের নাগরিক এ দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
‘তিন দিন পেরিয়ে গেছে। আমাদের নিখোঁজ থাকা ব্যক্তিদের সন্ধানের বিষয়ে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি নেই। আমরা তাঁদের নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন।’ — কাঠমান্ডুতে অবস্থিত একটি দূতাবাসের কর্মকর্তা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেপাল–তিব্বত সীমান্ত এলাকা
- 👥 প্রধান ব্যক্তি: লোক বাহাদুর ছেত্রী (নেপাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র)
- 🔢 মৃত্যু: ৫৭৯ জন
- 🔢 নিখোঁজ: ১ হাজার ৯২৪ জন
- 🔢 বিদেশি নিখোঁজ: ৫৪০ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!