📌 ভারতে শিক্ষা আন্দোলনের মুখে দাঁড়িয়েছেন ২৯ বছর বয়সী নেহা বোরা। জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি শিক্ষার্থী ও সিপিআই(এমএল) লিবারেশনের ছাত্রসংগঠন এআইএসএর সভাপতি নেহা বিক্ষোভে অনশন, রসিকতা ও স্লোগান দিয়ে আন্দোলনকে নতুন মাত্রা দিচ্ছেন
ভারতে শিক্ষা আন্দোলনের অন্যতম মুখ্য ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছেন ২৯ বছর বয়সী নেহা বোরা। থিয়েটারশিল্পী থেকে রাজনৈতিক আন্দোলনের নেতা হয়ে উঠার এই যাত্রায় তিনি অনশন, বক্তৃতা, রসিকতা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় উপস্থিতি দিয়ে আন্দোলনের মুখ হয়ে দাঁড়িয়েছেন। নেহা বোরা জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব আর্টস অ্যান্ড অ্যাস্থেটিক্সের পিএইচডি শিক্ষার্থী এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী–লেনিনবাদী) লিবারেশনের ছাত্রসংগঠন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) সভাপতি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেহা বোরা ২৯ বছর বয়সী, জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি শিক্ষার্থী এবং এআইএসএর সভাপতি।
- 📌 ২০২৬ সালের জুন-জুলাই মাসে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে অনশনকারী ছয় শিক্ষার্থীর একজন ছিলেন নেহা।
- 📌 ২৩ দিনের অনশনে নেহার ৭ কেজি ওজন কমে যায় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা বিপজ্জনক পর্যায়ে নেমে যায়।
- 📌 থিয়েটারশিল্পী হিসেবে পরিচিত নেহা সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে নাটক পরিবেশনায় অংশ নেন।
- 📌 বিজেপি সমর্থক পরিবারের বামপন্থী রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া তিনি নিজের পরিবারের সমর্থন পাননি।
📰 বিস্তারিত
নেহা বোরা ভারতের শিক্ষা আন্দোলনের অন্যতম প্রতীক হয়ে উঠেছেন। তিনি জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি শিক্ষার্থী এবং সিপিআই(এমএল) লিবারেশনের ছাত্রসংগঠন এআইএসএর সভাপতি। নেহা উত্তরাখন্ডের খাটিমার বাসিন্দা। তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং দিল্লির বি আর আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পারফরম্যান্স স্টাডিজে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি থিয়েটার ও পারফরম্যান্স বিষয়ে পিএইচডি পড়ছেন।
২০২৬ সালের জুন ও জুলাই মাসে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চলাকালে নেহা বোরা অনশনকারী ছয় শিক্ষার্থীর একজন ছিলেন। তিনি যন্তর মন্তরে বিক্ষোভস্থলে ২৩ দিনের অনশন করেন। এই সময়ে তার ওজন কমে যায় ৭ কেজি এবং রক্তে শর্করার মাত্রা বিপজ্জনক পর্যায়ে নেমে যায়। চিকিৎসকদের পরামর্শে অনশন ভাঙতে বাধ্য হন তিনি।
নেহা বোরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন। তিনি ইনস্টাগ্রামে ডার্ক হিউমার এবং ব্যঙ্গাত্মক রসিকতার পোস্ট করে ভাইরাল হয়ে উঠেছিলেন। একটি পোস্টে তিনি বলেছিলেন, ‘আজ আমার মাথায় ক্ষুধার কথাই ঘুরছে, তাই ক্ষুধা নিয়ে কথা বলা যাক’। তিনি ক্ষুধার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের ‘ক্ষমতার ক্ষুধা’ তুলনা করেছিলেন।
"আমি যদি নাচতে না পারি, তাহলে সেটা আমার বিপ্লব নয়!"
নেহা বোরার পরিবার বিজেপির সমর্থক। তাঁর বাবা সেনা কর্মকর্তা এবং মা গৃহিণী। তাঁর পরিবার তাঁর বামপন্থী রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া ‘ভালোভাবে নেননি’। তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পড়ার সময় থেকেই সামাজিক বিভিন্ন ইস্যুতে জড়িয়ে পড়েন। তিনি সামাজিক বিষয় নিয়ে নির্মিত নাটক পরিবেশনায় অংশ নিতেন। নেহা এটিকে একটি ‘স্বাভাবিক ধারাবাহিকতা’ হিসেবে বর্ণনা করেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নয়াদিল্লি, ভারত (যন্তর মন্তর বিক্ষোভস্থল)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নেহা বোরা (২৯ বছর), এআইএসএ সভাপতি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ দিন (অনশন), ৭ কেজি (ওজন কমে যায়), ২৯ বছর (বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!