📌 নাটো কৃষ্ণসাগরে অতিরিক্ত প্যাট্রোল বিমান, সেন্সর ও ড্রোন প্রেরণ করছে রাশিয়া-সংশ্লিষ্ট ড্রোন হামলার পর। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলেছে, ১০ দিনে ছয়টি ড্রোন হামলা একটি 'অনুচিত ও বিপজ্জনক' উন্নয়ন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়া দায়ী বলে অভিযোগ করেছেন
নাটো কৃষ্ণসাগরে অতিরিক্ত প্যাট্রোল বিমান, সেন্সর ও ড্রোন প্রেরণ করছে রাশিয়া-সংশ্লিষ্ট ড্রোন হামলার পর। নাটো স্পোকসপারসন কলোনেল মার্টিন ও’ডোনেল বলেছেন, জোটের সদস্য দেশগুলো কৃষ্ণসাগরে অতিরিক্ত নৌ-প্যাট্রোল বিমান, রাডার সিস্টেম, বিস্ফোরণ বিশ্লেষণ দল, ইন্টেলিজেন্স কর্মী ও ড্রোন প্রেরণ করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নাটো কৃষ্ণসাগরে অতিরিক্ত ৩টি প্যাট্রোল বিমান, রাডার ও ড্রোন প্রেরণ করছে রাশিয়া-সংশ্লিষ্ট ড্রোন হামলার পর।
- 📌 ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়া দায়ী বলে অভিযোগ করেছেন।
- 📌 ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান কাজা কালাস বলেছেন, ১০ দিনে ছয়টি ড্রোন হামলা একটি 'অনুচিত ও বিপজ্জনক' উন্নয়ন।
- 📌 রাশিয়া-সংশ্লিষ্ট ড্রোন হামলায় ২৩ জন নাবিক মারা যাওয়ার বা হারিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
- 📌 নাটো বলেছে, কৃষ্ণসাগরে তাদের পূর্ব-রক্ষণাবলীর মধ্যে ড্রোন-বিরোধী ক্ষমতা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
নাটো স্পোকসপারসন কলোনেল মার্টিন ও’ডোনেল বলেছেন, “আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো অঞ্চলটিতে সিটুয়েশন অ্যারনেস বৃদ্ধি করা। এর জন্য আমরা অতিরিক্ত সেন্সর ও ডেটা শেয়ারিং বাড়াচ্ছি।” নাটো, বুলগেরিয়া ও রোমানিয়ার সাথে যৌথভাবে, এই অঞ্চলে সংঘটিত ড্রোন হামলাকে কোনো দেশের দায়ে না রেখে থাকলেও সামরিক বিশ্লেষকরা রাশিয়া দায়ী বলে মনে করছেন। তবে মস্কো দায় স্বীকার করেনি।
১০ অক্টোবর রোমানিয়া তাদের জাহাজে আগুন লাগার পর দু’জন নাবিক মারা যান। জাহাজ ডুবে যায় কৃষ্ণসাগরে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়া দায়ী বলে অভিযোগ করেছেন। নাটোর প্রধান সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা, নর্থ অ্যাটলান্টিক কাউন্সিল, ব্রাসেলসের সদর দফতরে কৃষ্ণসাগরের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করেছে।
নাটোর স্পোকসপারসন অ্যালিসন হার্ট একবার এক্স প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করে বলেছিলেন, “নাটো পূর্বাঞ্চলীয় ফ্ল্যাঙ্কে আমাদের অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে, যার মধ্যে ড্রোন-বিরোধী ক্ষমতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।”
ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান কাজা কালাস বলেছেন, “১০ দিনে ছয়টি ড্রোন হামলা একটি বিপজ্জনক ও অনুচিত উন্নয়ন। মস্কো সম্ভবত কিয়েভের ধান রপ্তানির আয় বন্ধ করার চেষ্টা করেছে। তিনি আরও বলেছেন, এই হামলাগুলো বিশ্বের খাদ্য সরবরাহের ‘পারফেক্ট স্টর্ম’-এ আরো জটিলতা যোগ করছে, যা ইতিমধ্যে বিভিন্ন অঞ্চলে শুষ্কতা ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পূর্বে, রোমানিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় উপকূলের কাছে ড্রোন হামলায় দু’টি রাসায়নিক ট্যাঙ্কার আক্রান্ত হয়। ট্যাঙ্কারগুলো আগুন ধরে ওঠে এবং নিরাপত্তা চিন্তায় নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ব্যবহার করে ইউক্রেনের খাদ্য রপ্তানি হয়। রোমানিয়া ও প্রতিবেশী নাটো সদস্য দেশ বুলগেরিয়ার উপকূলের কাছে ১০ দিনের মধ্যে অন্তত পাঁচটি কার্গো জাহাজ আক্রান্ত হয়। এতে অন্তত ২৩ জন নাবিক মারা যাওয়ার বা হারিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
"আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো অঞ্চলটিতে সিটুয়েশন অ্যারনেস বৃদ্ধি করা। এর জন্য আমরা অতিরিক্ত সেন্সর ও ডেটা শেয়ারিং বাড়াচ্ছি।"
"নাটো পূর্বাঞ্চলীয় ফ্ল্যাঙ্কে আমাদের অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে, যার মধ্যে ড্রোন-বিরোধী ক্ষমতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কৃষ্ণসাগর, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, ইউক্রেন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কলোনেল মার্টিন ও’ডোনেল, ভলোদিমির জেলেনস্কি, কাজা কালাস, অ্যালিসন হার্ট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ জন নাবিক (মারা যাওয়ার বা হারিয়ে যাওয়া), ৬টি ড্রোন হামলা (১০ দিনে), ৩টি প্যাট্রোল বিমান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!