📌 মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের উত্তরাঞ্চলীয় কিয়াউকতাও শহরে সেনাবাহিনীর বিমান হামলায় অন্তত ৩৩ জন নিহত এবং ৩৬ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় ত্রাণকর্মী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি এই ঘটনাকে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলাগুলোর একটি হিসেবে বর্ণনা করেছেন
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের উত্তরাঞ্চলীয় কিয়াউকতাও শহরের একটি জনবহুল বাজারের কাছে সোমবার সেনাবাহিনীর বিমান হামলায় অন্তত ৩৩ জন নিহত এবং ৩৬ জন আহত হয়েছেন। এই ভয়াবহ ঘটনায় জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইরত সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি এবং স্থানীয় ত্রাণকর্মীরা নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় ত্রাণকর্মী ওয়াই হুন অং জানিয়েছেন, নদী তীরবর্তী এই এলাকাটি মূল যুদ্ধক্ষেত্র থেকে দূরে অবস্থিত এবং সংঘাতের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক নেই।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের উত্তরাঞ্চলীয় কিয়াউকতাও শহরে সেনাবাহিনীর বিমান হামলায় ৩৩ জন নিহত
- 📌 ৩৬ জন আহত, স্থানীয় ত্রাণকর্মী ও আরাকান আর্মি নিশ্চিত করেছেন ঘটনাটি
- 📌 নদী তীরবর্তী এলাকাটি মূল যুদ্ধক্ষেত্র থেকে দূরে, সংঘাতের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক নেই
- 📌 গত ১১ ডিসেম্বর রাখাইন রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলে হাসপাতালে একই ধরনের হামলায় ৩০ জন নিহত হয়েছিল
- 📌 মিয়ানমার সরকারের মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি
📰 বিস্তারিত
সোমবার সকালে কিয়াউকতাও শহরের একটি জনবহুল বাজারের কাছে সেনাবাহিনীর বিমান হামলায় এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ত্রাণকর্মী ওয়াই হুন অং জানিয়েছেন, এই এলাকাটি মূল যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বেশ দূরে অবস্থিত এবং চলমান সংঘাতের সঙ্গে সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। তবে সেনাবাহিনী এই এলাকায় হামলা চালানোর কারণ সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে পারেননি।
এই ঘটনাকে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে প্রাণঘাতী বিমান হামলাগুলোর একটি হিসেবে বর্ণনা করেছেন স্থানীয় ত্রাণকর্মী ও আরাকান আর্মি। এর আগে গত বছরের ১১ ডিসেম্বর রাখাইন রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলে একটি হাসপাতালে একই ধরনের বিমান হামলায় অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছিল।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স স্বতন্ত্রভাবে এই বিমান হামলা ও হতাহতের তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। হামলার বিষয়ে মন্তব্যের জন্য মিয়ানমার সরকারের একজন মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে মিয়ানমারের সামরিক সরকার বরাবরই দাবি করে আসছে যে, বেসামরিক মানুষের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে তাদের বাহিনী সবসময় ‘সর্বোচ্চ সংযম’ প্রদর্শন করে।
"নদী তীরবর্তী কিয়াউকতাও জনপদটি মূল যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বেশ দূরে অবস্থিত এবং চলমান সংঘাতের সঙ্গে এই এলাকার কোনো সম্পর্ক নেই। তবে এই এলাকায় হামলা চালানোর কারণ সম্পর্কে আমরা জানি না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিয়ানমার, রাখাইন রাজ্য, উত্তরাঞ্চলীয় কিয়াউকতাও শহর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওয়াই হুন অং (ত্রাণকর্মী), আরাকান আর্মি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩ জন নিহত, ৩৬ জন আহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!