📌 ভারতের ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) মুম্বাইয়ে গণকারাবরণের পরিবর্তে 'জেল ভরো আন্দোলন' শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে। তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগের দাবিতে ২ অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তীতে আন্দোলন শুরু করবে। পুলিশ শিবাজী পার্কে বিক্ষোভ অনুমোদন দিতে অস্বীকার করেছে
ভারতের মুম্বাইতে রাজনৈতিক দল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) নতুন করে গণকারাবরণের পরিবর্তে 'জেল ভরো আন্দোলন' শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে। দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আগামী ২ অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তীতে আন্দোলন শুরু করবেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুম্বাইয়ের শিবাজী পার্কে বিক্ষোভ অনুমতি না পেয়ে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) 'জেল ভরো আন্দোলন' শুরু করবে
- 📌 ২ অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তীতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু হবে
- 📌 মুম্বাই পুলিশ শিবাজী পার্কে রাজনৈতিক জমায়েত অনুমোদন দিতে অস্বীকার করেছে শব্দদূষণ ও হাসপাতালের রোগীদের যাতায়াতের কারণে
- 📌 অভিজিৎ দীপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশের সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন
- 📌 সিজেপি ভোটার তালিকা সংশোধন সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দাবি তুলে ধরছে
📰 বিস্তারিত
ভারতের মুম্বাইয়ে অবস্থিত ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) বিক্ষোভের অনুমতি না পাওয়ায় নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এই ঘোষণা দেন। তারা মুম্বাইয়ের শিবাজী পার্কে বিক্ষোভের অনুমতি চেয়েছিলেন, কিন্তু পুলিশ শব্দদূষণ ও আশপাশের বড় হাসপাতালের রোগীদের যাতায়াতের কারণে অনুমতি দিতে অস্বীকার করেছে।
সিজেপি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবি করে আসছে। বিশেষ করে ভোটার তালিকা সংশোধন সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তারা দাবি তুলে ধরছে। এই দাবির ধারাবাহিকতায় তারা আগামী ২ অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তীতে 'জেল ভরো আন্দোলন' শুরু করবেন।
অভিজিৎ দীপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশের সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর রোধ করার এমন কৌশল কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না।
"গণমানুষের কণ্ঠস্বর রোধ করার এমন কৌশল কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুম্বাই, ভারত; শিবাজী পার্ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অভিজিৎ দীপ (ককরোচ জনতা পার্টি প্রতিষ্ঠাতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ সেপ্টেম্বর (ঘোষণা তারিখ), ২৮ সেপ্টেম্বর (সোমবার), ২ অক্টোবর (আন্দোলন শুরু)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!