📌 ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বলেছেন, আরব সাগর থেকে শত্রু বাহিনীকে দ্রুত সরিয়ে দেওয়া হবে। তিনি প্রতিরক্ষা সপ্তাহে উল্লেখ করেছেন, ইরানের সাহসী যোদ্ধারা শত্রুদের বেদনাদায়ক আঘাত দিয়েছে, ফলে তারা আর সাগরে ঝুঁকি নিতে পারছে না
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সোমবার প্রতিরক্ষা সপ্তাহের উপলক্ষে একটি বার্তায় ঘোষণা করেছেন, আরব সাগর থেকে শত্রু বাহিনীকে শিগগিরই পুরোপুরি সরিয়ে দেওয়া হবে। তিনি বলেছেন, ইরানের দক্ষিণ সাগরগুলো একসময় শত্রুদের ‘খেলার মাঠ’ ছিল, কিন্তু ইরানি যোদ্ধাদের সাহসিকতা ও হরমুজ প্রণালির রক্ষকদের বেদনাদায়ক আঘাতের পর তারা আর সাগরে ঝুঁকি নিতে পারছে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোজতবা খামেনি ঘোষণা করেছেন, আরব সাগর থেকে শত্রু বাহিনীকে দ্রুত সরিয়ে দেওয়া হবে
- 📌 তিনি বলেছেন, ইরানের সাহসী যোদ্ধারা শত্রুদের বেদনাদায়ক আঘাত দিয়েছে, ফলে তারা আর সাগরে ঝুঁকি নিতে পারছে না
- 📌 প্রতিরক্ষা সপ্তাহে তিনি উল্লেখ করেছেন, ১৯৮০ সালে ইরাকি শাসক সাদ্দাম হোসেনের ইরানে যুদ্ধ শুরু হওয়ার স্মরণে এই দিন পালিত হয়
- 📌 তিনি বলেছেন, ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের আগে ইরানের সম্পদ ও মানুষের ওপর আধিপত্যবাদী শক্তির অবিচার ছিল
📰 বিস্তারিত
মোজতবা খামেনি সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) প্রতিরক্ষা সপ্তাহের উপলক্ষে একটি বার্তায় বলেছেন, ইরানের শত্রুরা দেশটিতে বিদেশি আধিপত্যের দিনগুলো ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে, কিন্তু তা আর কখনো সফল হবে না। তিনি আরব সাগর থেকে শত্রু বাহিনীকে দ্রুত সরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। খামেনি বলেছেন, দক্ষিণ ইরানের দুই সাগর একসময় শত্রুদের জন্য ‘খেলার মাঠের’ মতো ছিল, কিন্তু ইরানি যোদ্ধাদের সাহসিকতা ও হরমুজ প্রণালির রক্ষকদের বেদনাদায়ক আঘাতের পর তারা আর সাগরে ঝুঁকি নিতে পারছে না।
১৯৮০ সালে তৎকালীন ইরাকি শাসক সাদ্দাম হোসেনের ইরানে যুদ্ধ শুরু হওয়ার স্মরণে প্রতিরক্ষা সপ্তাহ পালিত হয়। একই সঙ্গে লেবাননের প্রয়াত হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরাল্লাহ হত্যার দ্বিতীয় বার্ষিকীও এই সময় স্মরণ করা হয়। খামেনি বলেছেন, ইরানের বিপ্লবের সূর্যের উষ্ণ রশ্মি জাতীয় সংহতি ও বিপ্লবী ইসলামের আদর্শের প্রতি আনুগত্যের অনুভূতি ছড়িয়ে দিয়েছে। এর ফলে পুরোনো ও নতুন ধরনের আধিপত্য ও ঔপনিবেশিকতার ‘বরফ গলতে’ শুরু করেছে।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের আগে ইরানের সম্রাট আধিপত্যবাদী শক্তির রাষ্ট্রদূতদের নির্দেশনা অনুসরণ করতেন। খামেনি বলেছেন, সেই সময়ে তারা ইরানের সম্পদ ও মানুষের ওপর অবিচার করতেন। ইসলামি বিপ্লবের পর এই ব্যবস্থার অবসান ঘটে এবং আধিপত্য বিস্তার করতে চাওয়া শক্তিগুলোকে কঠিন সময়ের মুখোমুখি হতে হয়েছে।
"একসময় দক্ষিণ ইরানের দুই সাগর শত্রু বাহিনীর জন্য ‘খেলার মাঠের’ মতো ছিল। কিন্তু সাহসী ইরানি যোদ্ধা এবং হরমুজ প্রণালির রক্ষকদের কাছ থেকে ‘বেদনাদায়ক আঘাত’ পাওয়ার পর তারা এখন আরব সাগরের ওপারে যাওয়ার সাহস করে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইরান (দক্ষিণ সাগর, হরমুজ প্রণালি, আরব সাগর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোজতবা খামেনি, সাদ্দাম হোসেন, হাসান নাসরাল্লাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!