📌 পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের পুলিশি হেফাজত বৃদ্ধির তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, জেন-জিদের নির্যাতন অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। তিনি ভারতজুড়ে চলা পুলিশি অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেছেন
পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ভারতের রাজনৈতিক দমনপীড়নের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিস্ফোরক পোস্ট প্রকাশ করেছেন। তিনি ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের পুলিশি হেফাজত মেয়াদ বৃদ্ধির নিন্দা করে বলেছেন, জেন-জিদের ওপর নির্যাতন অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে বলেছেন, ‘জেন-জিদের ওপর নির্যাতন বন্ধ করুন’
- 📌 তিনি দাবি করেছেন, ‘গণতন্ত্রকে প্রতিদিন আক্রমণ করার জন্য এই মরিয়া মানসিকতা একটি বিপজ্জনক ‘ভাইরাস’ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে’
- 📌 মমতা বলেছেন, ‘কলকাতা থেকে দিল্লি, মুম্বাই থেকে সারাদেশ জুড়ে নির্যাতন ও অত্যাচারের মাত্রা সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে’
- 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘এটি সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মদতপুষ্ট সন্ত্রাস ও পুলিশ-স্পন্সরড অত্যাচার’
- 📌 মমতা কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘আপনারা যদি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন, তবে অবিলম্বে আশুতোষ ও সৌরভকে মুক্তি দিন’
📰 বিস্তারিত
মমতা ব্যানার্জী তার পোস্টে বলেছেন, ‘আশুতোষ ও সৌরভের পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ বাড়ানোর এই সংকীর্ণ মানসিকতা আমি পরিষ্কার বুঝতে পারছি।’ তিনি ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করে বলেছেন, ‘আজ যারা ক্ষমতার মসনদে বসে আছেন, তারা চিরকাল ক্ষমতায় থাকবেন না।’
মমতা উল্লেখ করেছেন, ‘আমাদের পূর্বসূরিরা ঔপনিবেশিক শাসকদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন, তখনও তাদের চরম অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছিল। তবুও তারা পরম নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সাথে লড়াই করেছিলেন।’ তিনি দাবি করেছেন, ‘এই ধরনের জবরদস্তি বেশি দিন টিকে না। যখন আদর্শবাদী মানুষরা ‘ভারতকে বাঁচাও, গণতন্ত্রকে বাঁচাও’ এই স্লোগান তুলে দৃঢ়ভাবে রুখে দাঁড়াবেন, তখনই সরকারের অহংকারী রাজনীতিবিদদের চোখ খুলবে।’
মমতা আরও বলেছেন, ‘ততক্ষণে দেশের সাধারণ মানুষ জয়ী হয়ে যাবেন এবং গণতন্ত্রের এই খুনিদের পতন সম্পূর্ণ হবে।’ তিনি সাবেক মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে জেন-জিদের নেতৃত্বে চলা নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের পক্ষে সোচ্চার হয়ে উঠেছেন। এর আগে দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পরেও তিনি আন্দোলনের পক্ষে ছিলেন।
"আশুতোষ ও সৌরভের পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ বাড়ানোর এই মরিয়া ও সংকীর্ণ মানসিকতা আমি পরিষ্কার বুঝতে পারছি। গণতন্ত্রকে প্রতিদিন আক্রমণ করার জন্য এটি একটি বিপজ্জনক ‘ভাইরাস’ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। জেন-জিদের ওপর অত্যাচার বন্ধ করুন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পশ্চিমবঙ্গ, কলকাতা, দিল্লি, মুম্বাই, ভারতজুড়ে
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মমতা ব্যানার্জী, আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ (সিজেপি নেতা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!