📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মোদির সরকারি বাসভবনের পাশে ঐতিহাসিক মসজিদের ৬ দিনে উচ্ছেদের নির্দেশ: মুসল্লিদের যাতায়াত ব্যাহত

মোদির সরকারি বাসভবনের পাশে ঐতিহাসিক মসজিদের ৬ দিনে উচ্ছেদের নির্দেশ: মুসল্লিদের যাতায়াত ব্যাহত

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের পাশে অবস্থিত ঐতিহাসিক রেসকোর্স মসজিদের ৬ দিনের মধ্যে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছে দিল্লির এলএন্ডডিও। মসজিদের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় মুসল্লিদের নামাজ আদায়ে ব্যাহত হচ্ছে। জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের প্রতিনিধি দল মন্ত্রী কিরেন রিজিজুর কাছে সহায়তার অনুরোধ জানিয়েছে

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের পাশে অবস্থিত ঐতিহাসিক রেসকোর্স মসজিদের ৬ দিনের মধ্যে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছে দিল্লির ল্যান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এলএন্ডডিও)। সোমবার (১৯ অক্টোবর) মসজিদের ভবনটিকে অনুমোদনহীন আখ্যা দিয়ে এই উচ্ছেদ নোটিশ জারি করা হয়। দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিলের ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার তালিকায় রেসকোর্স মসজিদের নাম থাকলেও গত ৭ অক্টোবর থেকে এর বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে মুসল্লিদের নামাজ আদায় ও যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৬ দিনের মধ্যে উচ্ছেদ**: দিল্লির এলএন্ডডিও রেসকোর্স মসজিদের ৬ দিনের মধ্যে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছে।
  • 📌 **বিদ্যুৎ ও পানি বন্ধ**: গত ৭ অক্টোবর থেকে মসজিদের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে, যার ফলে মুসল্লিদের নামাজ আদায়ে ব্যাহত হচ্ছে।
  • 📌 **আইনত বিরোধ**: জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের প্রতিনিধি দল মন্ত্রী কিরেন রিজিজুরের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। তারা ১৯৭৭ সালের দিল্লি গেজেট ও সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তালিকায় মসজিদের উল্লেখের কথা উল্লেখ করেছেন।
  • 📌 **ইমামের আহ্বান**: মসজিদের ইমাম মোহাম্মদ হারুন দিল্লি ওয়াকফ বোর্ডের নিষ্ক্রিয়তার বিরুদ্ধে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, পানি ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করার বিষয়ে এনডিএমসিকে চিঠি দেওয়া ছাড়া ওয়াকফ বোর্ড আর কিছুই করেনি।
  • 📌 **পুনর্বাসন পরিকল্পনা**: রেসকোর্স এলাকার বস্তিবাসীদের ৪৫ কিলোমিটার দূরে সাভদা ঘেভরা পুনর্বাসন কলোনিতে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

দিল্লির ল্যান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এলএন্ডডিও) রেসকোর্স মসজিদের উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছে বলে দ্য ওয়্যার জানিয়েছে। এলএন্ডডিও দাবি করেছে, মসজিদটি সরকারি জমিতে গড়ে উঠেছে এবং বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী তালিকার বিষয়টিও পর্যালোচনার আওতায় আনা হয়েছে। তবে, দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিলের ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার তালিকায় এই মসজিদের নাম রয়েছে।

জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের প্রতিনিধি দলের সদস্য মোহাম্মদ হাকিমুদ্দিন কাসমি জানান, ১৯৭৭ সালের দিল্লি গেজেট এবং সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশোধিত তালিকায় এই মসজিদের উল্লেখ রয়েছে। তারা আইনি বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ধ্বংসাত্মক কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। এছাড়াও, দিল্লি ওয়াকফ বোর্ড ও এনডিএমসির কাছে প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নিয়েছেন এবং সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। মসজিদের ইমাম মোহাম্মদ হারুন এক ভিডিও বার্তায় দিল্লি ওয়াকফ বোর্ডের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, গত ছয় মাস ধরে ওয়াকফ বোর্ডের কাছে ধর্ণা দিয়েও কোনো লাভ হয়নি। তিনি বলেন, পানি ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা নিয়ে এনডিএমসিকে একটি চিঠি দেওয়া ছাড়া বোর্ড আর কিছুই করেনি। মসজিদে যাওয়ার পথ বন্ধ থাকায় এখন খাবার পানিও আনা যাচ্ছে না। তিনি আরও জানান, ২০২১ সালের এক সরকারি জরিপেই এই মসজিদকে অনুমোদনহীন বা জবরদখল বলা হয়নি।

এই উচ্ছেদের নির্দেশ মোদির বাসভবন এলাকা রেসকোর্স রোডের সার্বিক উচ্ছেদ অভিযানের অংশ হিসেবে দেখানো হচ্ছে। নিরাপত্তা ও সৌন্দর্যবর্ধনের স্বার্থে দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশে বস্তিবাসীদের ওই এলাকাটি থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে সাভদা ঘেভরা পুনর্বাসন কলোনিতে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে তাদের শিক্ষা, পরিবহণ ও পয়োনিষ্কাশন সুবিধা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

"আমি ওয়াকফ বোর্ডকে আদালতে যেতে বলেছিলাম। এমনকি নিজে মামলা করার অনুমতি চাইলেও বোর্ড আমাকে সেই অনুমতি দেয়নি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রেসকোর্স মসজিদ, দিল্লি, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমাম মোহাম্মদ হারুন, মন্ত্রী কিরেন রিজিজু, মোহাম্মদ হাকিমুদ্দিন কাসমি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ দিন, ১৯ অক্টোবর, ৭ অক্টোবর, ৪৫ কিলোমিটার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖