📌 নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে ভারতের বৈদেশিক মন্ত্রী জৈশঙ্কর ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি খোলামেলা সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ভারতের ‘তerrorism’ বিষয়ে সংবেদনশীল নয়, পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলেছে এবং ‘স্ব-কেন্দ্রিক’ বাণিজ্য নীতি গ্রহণ করে গ্লোবাল সাউথকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। মোদি-ট্রাম্পের ‘উৎপাদক’ কথায়ও নতুন রূপ পেয়েছে
নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ সভা শেষে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে ভারতের বৈদেশিক মন্ত্রী এস জৈশঙ্কর যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগুলোকে ‘অসংবেদনশীল’ বলে সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ভারতের ‘তerrorism’ বিষয়ে সংবেদনশীল নয়, পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলেছে এবং ‘স্ব-কেন্দ্রিক’ বাণিজ্য নীতির মাধ্যমে গ্লোবাল সাউথকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এই মন্তব্যটি ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের মধ্যে নতুন একটি খোলামেলা মাত্রা প্রকাশ করেছে, যা উভয় দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার ফলস্বরূপ। দীর্ঘদিন ধরে ভারত বিভিন্ন বিষয়ে বিতর্কিত মुद্দা নিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের সাথে সাবলীলভাবে আলোচনা করতো, বিশেষত যুক্তরাষ্ট্রের সাথে। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিগুলো এবং এর সাথে যুক্ত অস্বস্তিকর অবস্থার কারণে ভারত এখন খোলামেলা সমালোচনা শুরু করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জৈশঙ্কর বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ভারতের সম্পর্কের মধ্যে ‘অস্বস্তিকর’ অবস্থা তৈরি হয়েছে, যেখানে বিশ্বের অনেক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের সমস্যা পেয়েছে।
- 📌 বাণিজ্য সম্পর্কে জৈশঙ্কর বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ভারতের বাণিজ্য সম্পর্কে $১৪৯.১ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হলেও, ভারতের জন্য $৫৮.৪ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি রয়েছে।
- 📌 কৃষি ও বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে ভারতের অবস্থান জৈশঙ্কর বলেছেন, “আমাদের কৃষি বাজার খোলা হবে না, কারণ আমাদের কৃষকদের জীবন রক্ষার জন্য এটি প্রয়োজন।”
- 📌 ট্রাম্প কর্তৃক জারি করা ১০০% ট্যারিফের আইনকে জৈশঙ্কর সমালোচনা করেছেন, যা ভারতের মতো দেশের উপর প্রযোজ্য হবে যারা রাশিয়ার তেল কিনবে।
- 📌 মোদি-ট্রাম্পের কথোপকথনে নতুন রূপ পেয়েছে, যেখানে মোদি বলেছেন, “আমাদের কথোপকথন ছিল ‘উৎপাদক’।” আগে তিনি ট্রাম্পকে ‘ভালো বন্ধু’ বলে অভিহিত করতেন।
📰 বিস্তারিত
নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে ভারতের বৈদেশিক মন্ত্রী জৈশঙ্কর যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগুলোকে ‘অস্ব-কেন্দ্রিক’ বলে সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “আমি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের অবস্থা দেখলে দেখি, বিশ্বের অনেক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের সমস্যা পেয়েছে। এটি আমাদের জন্য কোনো সান্ত্বনা নয়, কিন্তু এটি একটি বাস্তবতা।” এই মন্তব্যটি ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের মধ্যে নতুন একটি খোলামেলা মাত্রা প্রকাশ করেছে, যা উভয় দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার ফলস্বরূপ।
বাণিজ্য সম্পর্কে জৈশঙ্কর বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ভারতের বাণিজ্য সম্পর্কে $১৪৯.১ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হলেও, ভারতের জন্য $৫৮.৪ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি রয়েছে। তিনি যুক্তি দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি করার সময়, ভারতের কৃষি বাজার খোলা হবে না, কারণ এটি ভারতের কৃষকদের জীবন রক্ষার জন্য প্রয়োজন। তিনি বলেছেন, “আমাদের কৃষি বাজার খোলা হবে না, কারণ আমাদের কৃষকদের জীবন রক্ষার জন্য এটি প্রয়োজন।”
জৈশঙ্কর আরও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি করার সময়, ভারতের সাথে সম্পর্কের মধ্যে বাধাগুলো ছিল “বাম্প”। তিনি উল্লেখ করেছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিগুলো ভারতের উপর ১০০% ট্যারিফের আইন জারি করেছে, যা ভারতের মতো দেশের উপর প্রযোজ্য হবে যারা রাশিয়ার তেল কিনবে।
মোদি-ট্রাম্পের কথোপকথনে নতুন রূপ পেয়েছে, যেখানে মোদি বলেছেন, “আমাদের কথোপকথন ছিল ‘উৎপাদক’।” আগে তিনি ট্রাম্পকে ‘ভালো বন্ধু’ বলে অভিহিত করতেন। এই নতুন মন্তব্যটি ভারতের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের মধ্যে নতুন একটি মাত্রা প্রকাশ করেছে, যা উভয় দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার ফলস্বরূপ।
"আমি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের অবস্থা দেখলে দেখি, বিশ্বের অনেক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের সমস্যা পেয়েছে। এটি আমাদের জন্য কোনো সান্ত্বনা নয়, কিন্তু এটি একটি বাস্তবতা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউ ইয়র্ক, নিউ ইয়র্ক সিটি (আসাম্বলি অনুষ্ঠান), ডেলHI (ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভারতের বৈদেশিক মন্ত্রী এস জৈশঙ্কর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: $১৪৯.১ বিলিয়ন (বাণিজ্য), $৫৮.৪ বিলিয়ন (ঘাটতি), ১০০% (ট্যারিফ), ১০% (গ্লোবাল ট্যারিফ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!