📅 ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মোদি কর্তৃক অঘোষিত জরুরি অবস্থা চাপানোর অভিযোগ: সিজেপি নেতা দীপকে

মোদি কর্তৃক অঘোষিত জরুরি অবস্থা চাপানোর অভিযোগ: সিজেপি নেতা দীপকে

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিযোগ করেছেন যে, তিনি অঘোষিত জরুরি অবস্থা চাপিয়ে দিচ্ছেন। যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর অপরাধে সিজেপি নেতাদের পাঁচ দিন কারাগারে রাখা হয়েছে বলে দীপকে বলেছেন

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে অঘোষিত জরুরি অবস্থা চাপানোর তীব্র অভিযোগ তুলেছেন সিজেপির নেতা অভিজিৎ দীপকে। তিনি দাবি করেছেন, যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর অপরাধে সিজেপি নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের জন্য কারাগারে রাখা হয়েছে। দীপকে বলেছেন, এটা মোদির কাপুরুষোচিত আচরণ এবং তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে সাহস দেখাতে পারেননি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সিজেপি নেতা দীপকে অভিযোগ করেছেন, মোদি অঘোষিত জরুরি অবস্থা চাপিয়ে দিচ্ছেন।
  • 📌 দিল্লির তিহার কারাগারে পাঠানো হয়েছে সিজেপি নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা পাঁচ দিনের জন্য।
  • 📌 অপরাধ: যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানো এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেওয়া।
  • 📌 দীপকে বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থার সময়েও এমন ঘটনা ঘটেনি।
  • 📌 সিজেপি দাবি করেছে, তারা স্বাধীনভাবে চাপ সৃষ্টি করবে, কিন্তু ইন্ডিয়া জোটের বিরোধী নয়।

📰 বিস্তারিত

নাগপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অভিজিৎ দীপকে জানিয়েছেন, যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর মাধ্যমে সিজেপি নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা কী অপরাধ করেছেন, তা স্পষ্ট নয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শান্তিরক্ষা লঙ্ঘন এবং যন্তর মন্তরে অননুমোদিত প্রবেশের অভিযোগে তাদের বুধবার দিল্লির তিহার কারাগারে পাঠানো হয়। মঙ্গলবার ভোরে তাদের আটক করা হয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা ব্যারিকেড ভেঙে অনুমতি ছাড়াই যন্তর মন্তর এলাকায় প্রবেশ করেছিলেন এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দিয়েছিলেন।

দীপকে বলেছেন, ‘আমি নরেন্দ্র মোদিকে বলতে চাই, আপনি যদি দেশে জরুরি অবস্থা জারি করতে চান, তবে তা আনুষ্ঠানিকভাবেই করুন।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ কেমন কাপুরুষোচিত আচরণ—অঘোষিত জরুরি অবস্থা চাপিয়ে যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর অপরাধে মানুষকে পাঁচ দিন ধরে হেফাজতে আটকে রাখা হচ্ছে?’ তিনি উল্লেখ করেছেন, এমনকি ১৯৭৫ সালে ইন্দিরা গান্ধীর আমলে জরুরি অবস্থার সময়ও এমনটা ঘটেনি।

দীপকে জোর দিয়ে বলেছেন, ‘এই দেশে জাতীয় পতাকা ওড়ানো এখন সবচেয়ে বড় অপরাধ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ তিনি মোদিকে বলেছেন, ‘আরএসএসের মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করুন না, তা কখনোই সফল হবে না।’ সিজেপি নেতা দাবি করেছেন, তারা স্বাধীনভাবে চাপ সৃষ্টি করবে, কিন্তু ইন্ডিয়া জোটের বিরোধী নয়। তিনি বলেন, ‘সিজেপি একটি স্বাধীন চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী এবং ভবিষ্যতেও তা-ই থাকবে। তবে এর অর্থ এই নয় যে সিজেপি ইন্ডিয়া জোটের বিরোধী। ইন্ডিয়া জোটের আন্দোলন এবং সিজেপির আন্দোলন—উভয়ই একই লক্ষ্যের জন্য পরিচালিত হচ্ছে।’

"আমি নরেন্দ্র মোদিকে বলতে চাই, আপনি যদি দেশে জরুরি অবস্থা জারি করতে চান, তবে তা আনুষ্ঠানিকভাবেই করুন। এ কেমন কাপুরুষোচিত আচরণ—অঘোষিত জরুরি অবস্থা চাপিয়ে যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর অপরাধে মানুষকে পাঁচ দিন ধরে হেফাজতে আটকে রাখা হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দিল্লি (তিহার কারাগার), নাগপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অভিজিৎ দীপকে, নরেন্দ্র মোদি, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: পাঁচ দিন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖