📌 মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানি যুদ্ধের আগের পর্যায়ে ফিরে এসেছে। হরমুজ প্রণালির বিকল্প রুট ব্যবহার করে দৈনিক ২ কোটি ৪৫ লাখ ব্যারেলের বেশি তেল সরবরাহ হচ্ছে। সংঘাতের কারণে হামলার সংখ্যা বেড়েছে এবং তেলের দামও চড়া রয়েছে
মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানির বিকল্প রুটে যুদ্ধের আগের পর্যায়ে ফিরে এসেছে সরবরাহ। হরমুজ প্রণালির বিকল্প পথ ব্যবহার করে বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ বাড়াতে সক্ষম হয়েছে দেশগুলো। ইরান ছাড়া অন্যান্য মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে তেল রপ্তানির পরিমাণ যুদ্ধের আগের স্তরে ফিরে এসেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৮ অক্টোবর শেষ হওয়া সপ্তাহে দৈনিক গড়ে ২ কোটি ৪৫ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি হয়েছে, যা যুদ্ধের আগের পর্যায়ের ২ কোটি ৪৪ লাখ ব্যারেলের কাছাকাছি
- 📌 হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল, ওমান উপসাগরে জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তর, ফুজাইরাহ ও ওমানের বন্দর থেকে তেল পরিবহন এবং লোহিত সাগর দিয়ে রপ্তানি — সব মিলিয়ে সরবরাহের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে
- 📌 গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর সংঘাত শুরু হয়, যার জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজে হামলা চালায়
- 📌 সংঘাতের শুরু থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত জাহাজে ১১৬টি হামলা হয়েছে, যার ফলে ২৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন জাহাজগুলোকেও হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের সুযোগ দিতে চায়
- 📌 বুধবার (২১ অক্টোবর) ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলারের ওপরে ছিল
📰 বিস্তারিত
হরমুজ প্রণালির বিকল্প রুট ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। জাহাজ চলাচল ও পণ্য পরিবহনবিষয়ক তথ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ১৮ অক্টোবর শেষ হওয়া সপ্তাহে দৈনিক গড়ে ২ কোটি ৪৫ লাখ ব্যারেলের বেশি তেল রপ্তানি হয়েছে। এই পরিমাণটি যুদ্ধের আগের পর্যায়ের ২ কোটি ৪৪ লাখ ব্যারেলের কাছাকাছি। যুদ্ধের আগের হিসাবটিতে ইরানের তেল রপ্তানি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে সংঘাত শুরু হয়। এর জবাবে ইরান তেহরান উপসাগরীয় দেশগুলো এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজে হামলা চালায়। সংঘাতের শুরু থেকেই গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে ইরানের অবরোধের প্রভাব পড়লেও জাহাজ চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। গত ১০ দিনে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৯টি পণ্যবাহী জাহাজ প্রণালিটি অতিক্রম করেছে। যুদ্ধের আগে প্রতিদিন এই পথে শতাধিক জাহাজ চলাচল করত।
সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর পর্যন্ত জাহাজে ১১৬টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৪ জন। সাম্প্রতিক সময়ে হামলার সংখ্যা আরও বেড়েছে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন জাহাজগুলোকেও হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। নিষ্ক্রিয় জাহাজ কিনে সংস্কার করে বৈধ তেল পরিবহনে ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্ববাজারে সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগও রয়েছে।
"বুধবার (২১ অক্টোবর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ১৬ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলারের ওপরে ছিল। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হরমুজ প্রণালি, ওমান উপসাগর, ফুজাইরাহ বন্দর, লোহিত সাগর, তেহরান উপসাগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: যুক্তরাষ্ট্রের সরকার, ইরানের সরকার, ইসরায়েলের সরকার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ কোটি ৪৫ লাখ ব্যারেল (দৈনিক তেল রপ্তানি), ১১৬টি (জাহাজে হামলা), ২৪ জন (প্রাণহানি), ১৯টি (জাহাজ দৈনিক চলাচল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!