📌 মিয়ামির একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় বিচারক অমেরিকানদের ভোটাধিকারকে অপরাধ হিসেবে ঘোষিত ফেডারেল আইনকে সংবিধান লঙ্ঘনকারী বলে ঘোষণা করেছেন। বিচারক ডেভিড লাইবোউইৎজের রায়ে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে একটি মামলা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে, যা ২০২৬ সালের মিডটার্ম নির্বাচনের আগে ভোটের দূষণ রোধে গৃহীত পদক্ষেপের অংশ
মিয়ামির একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় বিচারক অমেরিকানদের ভোটাধিকারকে অপরাধ হিসেবে ঘোষিত ফেডারেল আইনকে সংবিধান লঙ্ঘনকারী বলে ঘোষণা করেছেন। এই রায়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে একটি মামলা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে, যা ২০২৬ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত মিডটার্ম নির্বাচনের আগে ভোটের দূষণ রোধে গৃহীত পদক্ষেপের অংশ। যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি জেলা বিচারক ডেভিড লাইবোউইৎজ শুক্রবার জামাইকা থেকে আগত ফ্লোরিডার বাসিন্দা চেলসি কক্সের বিরুদ্ধে ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অমেরিকান ভোটাধিকার আইন লঙ্ঘনের মামলা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি বিচারক ডেভিড লাইবোউইৎজ ফেডারেল আইনকে সংবিধান লঙ্ঘনকারী বলে ঘোষণা করেছেন, যা অমেরিকানদের ভোটাধিকারকে অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করেছিল।
- 📌 বিচারক লাইবোউইৎজের রায়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংসদকে ভোটার যোগ্যতা নির্ধারণের ক্ষমতা নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে, বরং এই ক্ষমতা রয়েছে প্রতিটি রাজ্যের নিজস্ব আইন দ্বারা।
- 📌 ফ্লোরিডা রাজ্য নিজস্ব আইনের অধীনে কক্সের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারে, কারণ তিনি ২০১২ সালে ভ্রান্ত জন্মপত্রের মাধ্যমে ভোটার তালিকায় নাম দিয়েছিলেন।
- 📌 এই রায়ের মাধ্যমে কক্সের মামলা প্রত্যাখ্যান করা হলেও, দেশব্যাপী ৪৫টি সমান ধরনের মামলা এখনও চলমান রয়েছে।
- 📌 ট্রাম্প প্রশাসন ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ৬০ জনকে এই অপরাধে অভিযুক্ত করেছে, যার মধ্যে ১২৯ জনের মামলা ২০২১ সাল থেকে দায়ের করা হয়েছে।
- 📌 কক্সের আইনজীবী ব্রুস উদলফ রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, কর্তৃপক্ষ কক্সকে দেশ থেকে বহিষ্কার করার চেষ্টা করবেন না, কারণ তার স্বাস্থ্য খারাপ অবস্থায় রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি জেলা বিচারক ডেভিড লাইবোউইৎজের রায়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইনকে সংবিধান লঙ্ঘনকারী বলে ঘোষণা করা হয়েছে, যা অমেরিকানদের ভোটাধিকারকে অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করেছিল। বিচারক লাইবোউইৎজের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সংসদকে ভোটার যোগ্যতা নির্ধারণের ক্ষমতা নেই, বরং এই ক্ষমতা রয়েছে প্রতিটি রাজ্যের নিজস্ব আইন দ্বারা। তিনি লিখেছেন, “ফ্লোরিডা নিজস্ব আইনের অধীনে এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারে।”
কক্সের মামলা প্রত্যাখ্যানের মাধ্যমে এই রায়ের প্রাসঙ্গিকতা সীমিত রয়েছে, তবে এটি দেশব্যাপী ৪৫টি সমান ধরনের মামলার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় হতে পারে। কক্সের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পিছনে যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিসের ভূমিকা ছিল, যারা ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে এই ধরনের মামলা দায়ের শুরু করেছিলেন।
বিচারক লাইবোউইৎজের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী, ভোটার যোগ্যতা নির্ধারণের ক্ষমতা রাজ্যগুলির নিজস্ব আইন দ্বারা নির্ধারিত হয়। ফ্লোরিডা রাজ্য নিজস্ব আইনের অধীনে কক্সের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারে, কারণ তিনি ১৯৯৯ সালে পর্যটক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করার পর ভিসা ওভারস্টে করলেও ২০১২ সালে ভ্রান্ত জন্মপত্রের মাধ্যমে ফ্লোরিডার ড্রাইভার্স লাইসেন্স এবং ভোটার তালিকায় নাম দিয়েছিলেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ধরনের অমেরিকান ভোটাধিকারকে ২০২০ সালের নির্বাচনে তার পরাজয়ের কারণ হিসেবে দাবি করেছেন, যা তিনি ডেমোক্র্যাটদের দ্বারা সাজানো বলে মনে করেন। তিনি এই অপরাধকে ডেমোক্র্যাটদের একটি বড় প্রচেষ্টা হিসেবে দেখেন, যারা রিপাবলিকানদের ভোটের সংখ্যা কমিয়ে আনতে চান। তবে, যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিসের ৬০ জনেরও বেশি অভিযুক্তের মধ্যে কেউই কোনো নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেনি বা কোনো প্রার্থীর পক্ষে ভোট দিয়েছেন বলে প্রমাণিত হয়নি।
"ফ্লোরিডা নিজস্ব আইনের অধীনে এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিয়ামি, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারক ডেভিড লাইবোউইৎজ, চেলসি কক্স, ডোনাল্ড ট্রাম্প, ব্রুস উদলফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ জন অভিযুক্ত, ৪৫টি চলমান মামলা, ১২৯ জনের মামলা ২০২১ সাল থেকে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!