📌 টাঙ্গুয়ার হাওর থেকে শুরু করে মেঘালয়ের পাহাড়ি রাস্তায় ভেসে যাওয়া মেঘের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে ঢাকার তরুণরা আবারও ফিরে এলেন। সানির গাইডশিপে তারা আবিষ্কার করলেন মেঘের মধ্যে চলা গাড়ির অলৌকিক অনুভূতি
টাঙ্গুয়ার হাওরের স্বর্ণরেণু আলোতে ভেসে যাওয়া মেঘের দৃশ্য থেকে শুরু করে মেঘালয়ের পাহাড়ি রাস্তায় মেঘের মধ্যে চলা গাড়ির অলৌকিক অনুভূতি — ঢাকার ১৫-১৬ জন তরুণ-তরুণীকে আবারও মেঘালয়ে ফিরিয়ে আনে। ২০২২ সালের বৃষ্টির মৌসুমে টাঙ্গুয়ার হাওরে নৌকায় বসে তারা প্রথমবারের মতো মেঘের জন্মের প্রশ্নে মুগ্ধ হয়ে পড়েছিলেন। সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য তারা ২০২৩ সাল থেকে নিয়মিত মেঘালয়ে আসছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২২ সালে টাঙ্গুয়ার হাওরে নৌকায় বসে মেঘের জন্মের প্রশ্নে মুগ্ধ হয়ে পড়েন ঢাকার ১৫-১৬ জন তরুণ-তরুণী
- 📌 ২০২৩ সাল থেকে নিয়মিত মেঘালয়ে আসছেন তারা, এইবারও সানির গাইডশিপে পাহাড়ি রাস্তায় মেঘের মধ্যে গাড়ি চালিয়ে অলৌকিক অনুভূতি পান
- 📌 ডাউকি থেকে শিলং যাত্রায় মাউলিনং, রিওয়াই লিভিং রুট ব্রিজ, স্নোংপেডেং, এলিফ্যান্টস ফলস বাদ দিয়ে এইবার শুধু উমগটের সাসপেনশন ব্রিজের দৃশ্য দেখতে পান
- 📌 পাহাড়ি রাস্তায় মেঘের কারণে বিপরীতমুখী গাড়ির হর্ন শুনতে পান মাত্র কয়েকবার — সেখানে লেন ক্রসিং বা ওভারটেকিংয়ের প্রবণতা নেই
📰 বিস্তারিত
২০২২ সালের বৃষ্টির মৌসুমে টাঙ্গুয়ার হাওরে নৌকায় বসে ঢাকার দুই তরুণ মেঘের জন্মের প্রশ্নে মুগ্ধ হয়ে পড়েছিলেন। সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য তারা ২০২৩ সাল থেকে নিয়মিত মেঘালয়ে আসছেন। এইবারও তারা আবার ফিরে এলেন। ইমিগ্রেশন পার হয়ে ডাউকিতে পা রাখার মুহুর্তেই তাদের পুরাতন পরিচিত সানি গুরুংকে দেখতে পান। সানির হাসি দেখে মনে হলো, আগের মতোই সেই যাত্রাটি শুরু হতে যাচ্ছে।
ডাউকি বাজারে ব্রেকফাস্ট এবং টাকা ভাঙানোর পর তারা শিলং অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন। এইবার তাদের দেখার তালিকা ছোট ছিল। মাউলিনং, রিওয়াই লিভিং রুট ব্রিজ, স্নোংপেডেং, এলিফ্যান্টস ফলস ইত্যাদি আগেই তারা দেখেছেন। সেসব বাদ দিয়ে শুধু উমগটের সাসপেনশন ব্রিজের দিকে যাত্রা শুরু করেন। সেই সেতুর ওপরে দাঁড়িয়ে তারা বিষাদ ও আনন্দের মিশ্র অনুভূতি অনুভব করেন। এতটুকুই তো দূরত্ব! অথচ কী বিশাল বৈপরীত্য তাদের মধ্যে!
পাহাড়ি রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে তারা মেঘের মধ্যে প্রবেশ করেন। পাহাড়ের গায়ে জমাট মেঘের কারণে সামনের গাড়ি কখনো দেখা যায়, কখনো শুধু তার চলে যাওয়ার দিকটি আন্দাজ করা যায়। বিপরীতমুখী ট্রাক আসলে সানি জায়গা দেয়েন। পাহাড়ি রাস্তায় বিপরীতমুখী গাড়ি ও ট্রাকের বহর এবং সাদা সাদা মেঘের কারণে দেখাই যায় না কোনো কিছু। তবে পুরো যাত্রাপথে গাড়ির হর্ন শুনতে পান মাত্র কয়েকবার — সেখানে লেন ক্রসিং বা ওভারটেকিংয়ের প্রবণতা নেই বলে মনে হয়।
"পাহাড়ের গায়ে জমাট মেঘের মধ্যে গাড়ি চলার অনুভূতি অলৌকিক। এতক্ষণ আমরা শুধু হা-হুতাশ করতাম সীমান্তের আলো দেখে, কিন্তু এবার আমরা সেই আলোকে স্পর্শ করতে পেরেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টাঙ্গুয়ার হাওর, মেঘালয় (ভারত), ডাউকি, শিলং, উমগটের সাসপেনশন ব্রিজ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ঢাকার ১৫-১৬ জন তরুণ-তরুণী, সানি গুরুং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫-১৬ জন তরুণ-তরুণী, ২০২২, ২০২৩
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!