📌 মুম্বাইয়ের বান্দ্রার পুরোনো বাংলোতে মালাইকা অরোরা স্কারলেট হাউস খোলেন। এই রেস্তোরাঁতে ভারতীয় স্বাদের আন্তর্জাতিক ফিউশন খাবার, ভিনটেজ স্থাপত্য এবং আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয় ঘটেছে। মালাইকার ছেলে আরহান খান ও স্থপতি নিশি পারেখের নকশায় এই প্রকল্পটি পুরোনো বাংলোর ঐতিহ্যকে নতুন মাত্রা দিয়েছে
মুম্বাইয়ের বান্দ্রার পালি ভিলেজে একটি ৯০ বছরের পুরোনো বাংলোকে নতুন জীবন দিয়েছেন বলিউড তারকা মালাইকা অরোরা। তার নামকরণ করা স্কারলেট হাউস এখনই শুধু খাবারের জায়গা নয়, বরং স্থাপত্য, খাবার ও সমকালীন জীবনযাপনের এক অভিনব অভিজ্ঞতার কেন্দ্রবিন্দু। এই রেস্তোরাঁতে ভারতীয় ঘরোয়া খাবারের স্বাদ মিশ্রিত হয়েছে আন্তর্জাতিক রন্ধনশৈলীর সাথে, যেখানে পুরোনো বাংলোর ঐতিহ্য আধুনিক নকশার সাথে মিশেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৯০ বছরের বাংলোতে আধুনিক রেস্তোরাঁ: মুম্বাইয়ের বান্দ্রার পালি ভিলেজে অবস্থিত এই বাংলোটি ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে মালাইকা অরোরার স্কারলেট হাউস হিসেবে পুনর্জন্ম লাভ করে।
- 📌 মালাইকার স্বপ্নের প্রকল্প: মালাইকা অরোরা এই বাংলোর ঐতিহ্যকে বজায় রেখে আধুনিক রেস্তোরাঁর প্রয়োজন মেটানোর চেষ্টা করেছেন।
- 📌 স্থাপত্যের মেলবন্ধন: স্থপতি নিশি পারেখের নকশায় পুরোনো কাঠের বিম, জানালা ও মেঝের স্বকীয়তা বজায় রেখে আধুনিক নকশা প্রয়োগ করা হয়েছে।
- 📌 খাবারের আন্তর্জাতিক ফিউশন: শেফ বীনা নরোনহার হাতে মেনুতে ভারতীয় উপাদান ও আন্তর্জাতিক রন্ধনশৈলীর মিশ্রণ ঘটেছে।
- 📌 মালাইকার ব্যক্তিগত পছন্দের খাবার: ‘মাল্লার ফেবারিটস’ বিভাগে রয়েছে মালাইকার পছন্দের মশালা খিচুড়ি, বেকড ফিশ এবং নতুনভাবে উপস্থাপিত বান মি।
📰 বিস্তারিত
মুম্বাইয়ের বান্দ্রার পালি ভিলেজে অবস্থিত স্কারলেট হাউস একটি ৯০ বছরের পুরোনো বাংলোকে নতুন জীবন দিয়েছে। এই বাংলোটি পুরোনো পর্তুগিজ স্থাপত্যের স্মৃতিমাখা পরিবেশের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে। মালাইকা অরোরা এই বাংলোর লাল রং থেকে রেস্তোরাঁর নামকরণ করেছেন ‘স্কারলেট হাউস’। তিনি এই প্রকল্পে তার ছেলে আরহান খান, মালয়া নাগপাল এবং রেস্তোরাঁ উদ্যোক্তা ধবল উদেশির সাথে যৌথভাবে কাজ করেছেন।
স্কারলেট হাউসের নকশায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে পুরোনো বাংলোর ঐতিহ্য। স্থপতি নিশি পারেখের নকশায় পুরোনো কাঠের বিম, জানালা ও মেঝের স্বকীয়তা বজায় রেখে আধুনিক নকশা প্রয়োগ করা হয়েছে। এই প্রকল্পে পুরোনো দিনের সৌন্দর্যকে আড়াল করা হয়নি, বরং তা নকশার অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ভিনটেজ আসবাব, পুরোনো দিনের কাচের বাসন, কাঠের টেবিল, অলংকৃত টাইলস, রেট্রো শিল্পকর্ম ও নকশাদার ওয়ালপেপার দিয়ে অন্দরটি সাজানো হয়েছে।
খাবারের দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শেফ বীনা নরোনহা মেনুতে ভারতীয় ঘরোয়া খাবারের স্বাদ মিশ্রিত করেছেন আন্তর্জাতিক রন্ধনশৈলীর সাথে। মেনুর বিশেষ বিভাগ ‘মাল্লার ফেবারিটস’-এ রয়েছে মালাইকার পছন্দের মশালা খিচুড়ি, বেকড ফিশ এবং নতুনভাবে উপস্থাপিত বান মি। এই রেস্তোরাঁতে প্রায় ৩ হাজার বর্গফুট জায়গায় একাধিক ডাইনিং স্পেস, কফি বার এবং ওয়াইন ও চিজের জন্য আলাদা পরিসর রয়েছে।
"আমি এমন একটি পরিবেশ চেয়েছি, যেখানে অতিথিরা একবার প্রবেশ করলে তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে যেতে চাইবেন না। সকালের কফি, দীর্ঘ ব্রাঞ্চ কিংবা সন্ধ্যার পানীয়—প্রতিটি মুহূর্তের জন্যই জায়গাটিকে স্বচ্ছন্দ ও আকর্ষণীয় করে তোলার চেষ্টা করেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুম্বাই, বান্দ্রা, পালি ভিলেজ, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মালাইকা অরোরা, আরহান খান, নিশি পারেখ, শেফ বীনা নরোনহা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ বছর (বাংলোর বয়স), ৩ হাজার বর্গফুট (রেস্তোরাঁর আয়তন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!