📌 যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকলিনে বন্দি ভেনিজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে। মার্কিন কৌঁসুলিরা অভিযোগ করেছেন, তারা ক্ষমতা ধরে রাখতে মার্কিন নাগরিকসহ বন্দিদের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছিলেন। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে ইলেকট্রিক শক, শ্বাসরোধ, ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধরনের মানবতাবিরোধী অত্যাচার। মামলার বিচার শুরু হবে ২০২৭ সালের জুন মাসে
যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকলিনে বন্দি ভেনিজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের বিরুদ্ধে নতুন একটি আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। মার্কিন কৌঁসুলিরা অভিযোগ করেছেন, তারা ভেনিজুয়েলায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টা করেছিলেন। এই মামলায় অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, মাদুরো-ফ্লোরেস দম্পতি মার্কিন নাগরিকসহ বন্দিদের ওপর ইলেকট্রিক শক, শ্বাসরোধ, ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধরনের মানবতাবিরোধী অত্যাচার চালিয়েছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকলিনে বন্দি ভেনিজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো (৬৩) ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস (৬৯)ের বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে। মার্কিন কৌঁসুলিরা অভিযোগ করেছেন, তারা ক্ষমতা ধরে রাখতে মার্কিন নাগরিকসহ বন্দিদের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছিলেন।
- 📌 অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, মাদুরো-ফ্লোরেস দম্পতি বন্দিদের ওপর ইলেকট্রিক শক, শ্বাসরোধ, ধর্ষণ, জোরপূর্বক বিবস্ত্র রাখা, দীর্ঘমেয়াদে নিঃসঙ্গ কারাবাস, অনাহারে রাখা, শাস্তিমূলক কক্ষে বন্দি রাখা এবং মানসিক অত্যাচার চালিয়েছিলেন।
- 📌 মার্কিন কৌঁসুলিরা দাবি করেছেন, ফ্লোরেস সরাসরি নির্দিষ্ট বন্দিদের নির্যাতনের আদেশ দিতেন এবং নির্যাতনের অগ্রগতি নিয়ে নিয়মিত আপডেট নিতেন।
- 📌 মাদুরোর আইনজীবী ব্যারি জে পোল্যাক জানিয়েছেন, তার মক্কেল নতুন অভিযোগগুলো পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন এবং আদালতে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে চেষ্টা করছেন।
- 📌 মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হবে ২০২৭ সালের জুন মাসে। বর্তমানে দুজনকেই ব্রুকলিনের একটি আটক কেন্দ্রে বন্দি রাখা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকলিনে বন্দি ভেনিজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের বিরুদ্ধে নতুন একটি আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। মার্কিন কৌঁসুলিরা অভিযোগ করেছেন, তারা ভেনিজুয়েলায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টা করেছিলেন। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) প্রকাশ করা আদালতের নতুন এই অভিযোগপত্রে মাদুরো ও ফ্লোরেসের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার ও বন্দিদের ওপর পাশবিক নির্যাতনের বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, মাদুরো-ফ্লোরেস দম্পতি বন্দিদের ওপর ইলেকট্রিক শক, শ্বাসরোধ, ধর্ষণ, জোরপূর্বক বিবস্ত্র রাখা, দীর্ঘমেয়াদে নিঃসঙ্গ কারাবাস, অনাহারে রাখা, শাস্তিমূলক কক্ষে বন্দি রাখা এবং মানসিক অত্যাচার চালিয়েছিলেন। কৌঁসুলিরা দাবি করেছেন, এই মানসিক নির্যাতনের অংশ হিসেবে বন্দিদের শিশু সন্তান ও স্বজনদের মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হতো।
মাদুরো ও ফ্লোরেসের বিরুদ্ধে আগে মাদক পাচার ও অবৈধ অস্ত্র রাখার মামলা ছিল। নতুন এই অভিযোগগুলো তাদের আগের মামলাগুলোর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। মাদুরো ও ফ্লোরেস চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকলিনের একটি আটক কেন্দ্রে বন্দি রয়েছেন। তাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে তাদের কম্পাউন্ডে মার্কিন বাহিনী এক অতর্কিত অভিযান চালিয়ে।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের আদালত ফ্লোরেসের গৃহবন্দি থাকার আবেদন নাকচ করে দিলে বিচার শুরুর আগ পর্যন্ত দুজনকেই ব্রুকলিন সেন্টারে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মাদুরোর আইনজীবী ব্যারি জে পোল্যাক জানিয়েছেন, তার মক্কেল নতুন এসব অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন এবং আদালতে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে উন্মুখ হয়ে আছেন।
"মাদুরো ও ফ্লোরেস যেন ক্ষমতা ধরে রাখতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যেই এই সবকিছু করা হয়েছিল। আমরা অভিযোগ করছি, এই চরম পাশবিক আচরণ মার্কিন নাগরিকদের অপূরণীয় ক্ষতি করেছে, যা চরম দুর্নীতির একটি উদাহরণ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রুকলিন, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিকোলাস মাদুরো (৬৩), সিলিয়া ফ্লোরেস (৬৯), ব্যারি জে পোল্যাক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৩ বছর (মাদুরোর বয়স), ৬৯ বছর (ফ্লোরেসের বয়স), ৪৬ দিন (বন্দি অবস্থান), ৩০০ জন (আজও কারাগারে বন্দি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!