📌 ৩১ অক্টোবর লন্ডনের মার্কিন দূতাবাসে ৪০০-এরও বেশি লোক জেনোসাইড বিরোধী ও প্যালেস্টাইন অ্যাকশন সমর্থনের প্রতিবাদে অংশ নেবেন। ব্রিটিশ সরকারের প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে 'টেররিস্ট' সংগঠন ঘোষণার বিরুদ্ধে এই প্রতিবাদে বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব ও সাধারণ নাগরিকরা অংশ নেবেন।
৩১ অক্টোবর লন্ডনের মার্কিন দূতাবাসের বাইরে ৪০০-এরও বেশি লোক জেনোসাইড বিরোধী ও প্যালেস্টাইন অ্যাকশন সমর্থনের প্রতিবাদে অংশ নেবেন। ব্রিটিশ সরকারের প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে জুলাই ২০২৫ সালে 'টেররিস্ট' সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণার বিরুদ্ধে এই প্রতিবাদ একটি নতুন প্রতিরোধের মুহূর্ত। প্রতিবাদকারীরা ব্যানার ধরে রাখবেন, যার মধ্যে একটিতে লেখা থাকবে: “আমি জেনোসাইডের বিরোধী। আমি প্যালেস্টাইন অ্যাকশন সমর্থন করি”। এছাড়াও, স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গে মার্কিন কনসুলেটের বাইরে সমান্তরালভাবে প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩১ অক্টোবর লন্ডন ও এডিনবার্গে প্যালেস্টাইন অ্যাকশন ব্যানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে ৪০০-এরও বেশি লোক অংশ নেবেন।
- 📌 ৩,৮৫০ জনেরও বেশি লোক ব্রিটিশ সরকারের প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে 'টেররিস্ট' সংগঠন ঘোষণার বিরুদ্ধে গ্রেফতার হয়েছে।
- 📌 প্যালেস্টাইন অ্যাকশন প্রতিষ্ঠাতা হুদা আম্মোরি ৪ ও ৫ নভেম্বর ব্রিটিশ সুপ্রিম কোর্টে আপিলের শুনানি দিবেন।
- 📌 মার্গারেট ওয়েন (৯৪ বছর বয়সী মানবাধিকার আইনজীবী), রেভারেন্ড সু পারফিট, রব দেল নাজা (ম্যাসিভ অ্যাটাকের সদস্য), এবং জোনাথন পোরিট (সাবেক সরকারি উপদেষ্টা) সহ বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গেরও গ্রেফতারের ইতিহাস রয়েছে।
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কির স্টারমারের মধ্যে যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা প্যালেস্টাইন অ্যাকশন ব্যানের পিছনে মার্কিন প্রভাবের ইঙ্গিত দেয়।
- 📌 প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে 'টেররিস্ট' সংগঠন ঘোষণা করার পর, ওয়াশিংটনও একই ঘোষণা দিয়েছে, যা হুদা আম্মোরির সুপ্রিম কোর্ট আপিলের জন্য ক্রাউডফান্ডিং বন্ধ করেছে।
- 📌 পল মেসকাল, জেসি বাকলি, সাসান সারান্ডন এবং গ্যারি লাইনকার সহ বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ একটি পত্রে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামের সরকারকে ব্যান উঠিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
- 📌 স্যালি রুনির (প্যালেস্টাইন অ্যাকশন সমর্থক) লেখা বইয়ের ব্রিটিশ বাজারে বন্ধের ঘটনা ব্যানের বৈষম্যমূলক প্রয়োগের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে 'টেররিস্ট' সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণার বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারীদের এই নতুন প্রচেষ্টা একটি সক্রিয় প্রতিরোধের অংশ। প্রতিবাদকারীরা যুক্তি দিচ্ছেন, ব্রিটিশ সরকারের এই পদক্ষেপ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রভাবের ফল। ট্রাম্পের টার্নবেরি গলফ কোর্সে হামলার পর তিনি এই ঘটনাকে 'টেররিজম' হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কির স্টারমারের পদক্ষেপকে প্রশংসা করেছিলেন।
ব্রিটিশ আদালতের রায়ের আলোকে, ট্রাম্প এবং স্টারমারের মধ্যে মার্চ ২০২৫ সালে দু’বার ফোন যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে। স্টারমার পলিস স্কটল্যান্ডকে আপডেট দিয়েছিলেন এবং ট্রাম্পকে ব্রিটিশ সরকারের পদক্ষেপের বিবরণ দিয়েছিলেন। এছাড়াও, ট্রাম্পের পুত্র এরিক ট্রাম্প স্কটল্যান্ডের প্রথমমন্ত্রী জন সোয়িনির সাথে সাক্ষাত করেছিলেন, যা প্যালেস্টাইন অ্যাকশন ব্যান ঘোষণার আগে ঘটেছিল।
এই প্রতিবাদের সময়সূচী বিশেষভাবে নির্বাচিত হয়েছে। ৩১ অক্টোবর থেকে মাত্র তিন দিন পর, গ্লাসগো হাই কোর্টে টার্নবেরি প্রতিবাদকারীদের মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। প্রাক্তনরা তাদেরকে 'টেররিস্ট' হিসেবে দোষী সাব্যস্ত করার চেষ্টা করছে, যা সমালোচকদের কাছে অতিমাত্রায় অতিরিক্ত বলে মনে হয়। একই সময়ে, ওয়াশিংটনও প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে 'টেররিস্ট' সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে, যা হুদা আম্মোরির আপিলের জন্য ক্রাউডফান্ডিং বন্ধ করেছে।
অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ এই ব্যানের বিরুদ্ধে আওয়াজ উঠিয়েছেন। পল মেসকাল, জেসি বাকলি, সাসান সারান্ডন এবং গ্যারি লাইনকার সহ বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ একটি পত্রে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামের সরকারকে এই 'ড্রাকোনিয়ান' আইনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, এই ব্যানের ফলে প্যালেস্টাইন অ্যাকশন সমর্থক লেখক স্যালি রুনির বইয়ের ব্রিটিশ বাজারে বিক্রয় বন্ধ হয়ে গেছে।
ব্রিটিশ সরকারের এই পদক্ষেপের বৈষম্যমূলক প্রয়োগের একটি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যখন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জোনাথন পাওয়েলের স্ত্রী সারা হেলম প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে সমর্থন করলেও মেট্রোপলিটন পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নেননি।
"আমি জেনোসাইডের বিরোধী। আমি প্যালেস্টাইন অ্যাকশন সমর্থন করি"
"এটি একটি সম্মানজনক পদক, গাজার জন্য এই কাজ করার সুযোগ পাওয়ার"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লন্ডন (মার্কিন দূতাবাস), এডিনবার্গ (মার্কিন কনসুলেট), গ্লাসগো (হাই কোর্ট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হুদা আম্মোরি (প্যালেস্টাইন অ্যাকশন প্রতিষ্ঠাতা), ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন প্রেসিডেন্ট), কির স্টারমার (ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী), পল মেসকাল, জেসি বাকলি, সাসান সারান্ডন, মার্গারেট ওয়েন, রব দেল নাজা, জোনাথন পোরিট, রেভারেন্ড সু পারফিট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০০+ (প্রতিবাদকারী), ৩,৮৫০ (গ্রেফতার), ৯৪ (মার্গারেট ওয়েনের বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!