📌 যুক্তরাজ্যের লন্ডনে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ভাই আনিসুজ্জামান চৌধুরীর দেড় কোটি পাউন্ডের ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। অর্থ পাচার ও দুর্নীতির সন্দেহে ফ্ল্যাট বিক্রি বা হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে
যুক্তরাজ্যের লন্ডনে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ভাই আনিসুজ্জামান চৌধুরীর (রনি) দেড় কোটি পাউন্ড মূল্যের একটি ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। অর্থ পাচার ও দুর্নীতির সন্দেহে ফ্ল্যাট বিক্রি বা অন্য কারও কাছে হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) তদন্তের অংশ হিসেবে এই আদেশ দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লন্ডনের রিজেন্টস পার্ক এলাকায় অবস্থিত আনিসুজ্জামান চৌধুরীর দেড় কোটি পাউন্ডের ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দিয়েছে যুক্তরাজ্যের হাইকোর্ট।
- 📌 অর্থ পাচার ও দুর্নীতির সন্দেহে ফ্ল্যাট বিক্রি বা হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
- 📌 আনিসুজ্জামান চৌধুরী ফ্ল্যাট কেনার অর্থের উৎস ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হন।
- 📌 ২০২৫ সালের জুনে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ১৮ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড মূল্যের সম্পদ জব্দের আদেশ দেওয়া হয়েছিল।
- 📌 আদালত অনুমোদন দিয়েছে ফ্ল্যাটের বাড়িওয়ালাকে ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাজ্যের হাইকোর্ট লন্ডনের রিজেন্টস পার্ক এলাকায় অবস্থিত আনিসুজ্জামান চৌধুরীর দেড় কোটি পাউন্ডের ফ্ল্যাট বিক্রি বা অন্য কারও কাছে হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ফ্ল্যাটের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রভাবশালী পরিবারের সংশ্লিষ্টতা তদন্তের অংশ হিসেবে এই আদেশ দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) তদন্তের সময় জানা যায়, ফ্ল্যাটটি অর্থ পাচার করে কেনা হতে পারে।
২০২৩ সালে ফ্ল্যাটটি কেনার অর্থের উৎস ব্যাখ্যা করতে পারেননি আনিসুজ্জামান চৌধুরী। এনসিএর তদন্তে দেখা যায়, ফ্ল্যাটের মালিকানা গোপন রাখার উদ্দেশ্যে জটিল ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে মাত্র এক পাউন্ডের বিনিময়ে কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তর করা হয়। এনসিএর অভিযোগ, এই ব্যবস্থার উদ্দেশ্য ছিল আনিসুজ্জামান চৌধুরীর নিয়ন্ত্রণ গোপন করা।
বিচারপতি কারেন স্টেইন রায়ে বলেন, ফ্ল্যাটটি অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে কেনা হয়েছে—এমন দাবি করার যথেষ্ট যুক্তিসংগত ভিত্তি রয়েছে। তিনি ফ্ল্যাটটির ওপর নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন। তবে বাড়িওয়ালা যাতে ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে সম্পত্তির দখল ফিরে পাওয়ার জন্য আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন, সে সুযোগ রাখা হয়েছে।
"ফ্ল্যাটটি অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে কেনা হয়েছে—এমন দাবি করার যথেষ্ট যুক্তিসংগত ভিত্তি রয়েছে।"
আনিসুজ্জামান চৌধুরী দাবি করেছেন, তিনি কোনো বেআইনি কাজ করেননি। তিনি আরও বলেন, সম্পদের মালিকানা গোপন করার অভিযোগও অস্বীকার করেছেন। তবে তিনি ভবিষ্যতে সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার জন্য কোনো দেওয়ানি মামলা হলে জোরালোভাবে তা মোকাবিলা করবেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লন্ডনের রিজেন্টস পার্ক, যুক্তরাজ্য
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনিসুজ্জামান চৌধুরী (রনি), সাইফুজ্জামান চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দেড় কোটি পাউন্ড (ফ্ল্যাটের মূল্য), ১৮ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড (সাবেক ভূমিমন্ত্রীর জব্দকৃত সম্পদ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!