📌 লন্ডনের হ্যাকনি বরো ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত বাসিন্দাদের মতামত নিচ্ছে ইসরায়েলের হাইফা সিটি-এর সাথে তাদের ১৯৬৮ সাল থেকে চলমান সিস্টার সিটি সম্পর্ক শেষ করার বিষয়ে। গ্রিন পার্টি নেতৃত্বাধীন কাউন্সিল জুলাই ২৮ তারিখে মানবাধিকার ও মূল্যবোধের কারণে এই সম্পর্ক শেষ করার সিদ্ধান্ত নেয়
লন্ডনের পূর্বাঞ্চলের হ্যাকনি বরো ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত বাসিন্দাদের মতামত নিচ্ছে তাদের ১৯৬৮ সাল থেকে চলমান ইসরায়েলের তৃতীয় বৃহত্তম শহর হাইফা সিটি-এর সাথে সিস্টার সিটি সম্পর্ক (টুইন সিটি) শেষ করার বিষয়ে। গ্রিন পার্টি নেতৃত্বাধীন কাউন্সিল জুলাই ২৮ তারিখে এই সম্পর্ক শেষ করার সিদ্ধান্ত নেয়, কারণ ইসরায়েলের গাজা যুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে তাদের মূল্যবোধ ও প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘিত হয়েছে। কাউন্সিলররা বাসিন্দাদের মতামত সংগ্রহের পরে এবং বরোর টুইন সিটি নীতির পুনরাবলোকনের পরে শেষ সিদ্ধান্ত নেবেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হ্যাকনি বরো ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত বাসিন্দাদের মতামত নিচ্ছে ইসরায়েলের হাইফা সিটি-এর সাথে ১৯৬৮ সাল থেকে চলমান সিস্টার সিটি সম্পর্ক শেষ করার বিষয়ে।
- 📌 গ্রিন পার্টি নেতৃত্বাধীন কাউন্সিল জুলাই ২৮ তারিখে এই সম্পর্ক শেষ করার সিদ্ধান্ত নেয়, কারণ ইসরায়েলের গাজা যুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে তাদের মূল্যবোধ ও প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘিত হয়েছে।
- 📌 সিস্টার সিটি সম্পর্কের শেষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কাউন্সিলররা বাসিন্দাদের মতামত সংগ্রহের পরে এবং বরোর টুইন সিটি নীতির পুনরাবলোকন করবেন।
- 📌 টুইন সিটি সম্পর্কের শেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সাধারণত একটি রাজনৈতিক বা মানবাধিকার বিষয়কে প্রতিফলিত করার জন্য।
📰 বিস্তারিত
টুইন সিটি বা সিস্টার সিটি সম্পর্ক হলো দুটি দেশের শহরগুলির মধ্যে আনুষ্ঠানিক বন্ধুত্বের চুক্তি। এই সম্পর্কের মাধ্যমে স্কুলের বিনিময় কর্মসূচি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং নাগরিক সফরকে সহজতর করা যায়। তবে অনেক সময় এই সম্পর্কগুলি সময়ের সাথে সাথে অক্টিভ হয়ে যায়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে টুইন সিটি সম্পর্কের ধারণা বিকশিত হয়। যুদ্ধের সময় দুটি শহর কোভেন্ট্রি এবং স্টালিনগ্রাদ (বর্তমানে ভলগোগ্রাদ) ভয়াবহ বোমা হামলার শিকার হয়েছিল। এই দুটি শহর ১৯৪৪ সালে একটি বন্ধুত্বের চুক্তি স্বাক্ষর করে, যা প্রথম আধুনিক টুইন সিটি সম্পর্ক হিসেবে পরিচিত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট পল এবং জাপানের নাগাসাকি শহর ১৯৫৫ সালে একটি সিস্টার সিটি সম্পর্ক স্থাপন করে, যা নাগাসাকিতে ১৯৪৫ সালে পরমাণু বোমা হামলার পরে শান্তি ও মৈত্রী বজায় রাখার উদ্দেশ্যে ছিল।
শহরগুলি বিভিন্ন কারণের জন্য টুইন সিটি সম্পর্ক স্থাপন করে, যেমন: সাদৃশ্যপূর্ণ ইতিহাস, রাজধানী বা বন্দর শহর হিসেবে ভূমিকা, বা উভয় শহরে সম্প্রদায়ের মূল উৎস। তবে, যখন কোনো শহর তাদের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পুনরায় মূল্যায়ন করে, তখন এটি প্রায়ই একটি রাজনৈতিক বা মানবাধিকার বিষয়কে প্রতিফলিত করে। উদাহরণস্বরূপ, ইউকে-এর বেশ কয়েকটি কাউন্সিল ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পরে রাশিয়ার শহরগুলির সাথে তাদের টুইন সিটি সম্পর্ক স্থগিত বা শেষ করে।
পrague শহর ২০১৯ সালে তাইওয়ানের সাথে তাদের সম্পর্ক স্থাপনের পরে চীনের বেইজিং শহরের সাথে তাদের টুইন সিটি সম্পর্ক শেষ করে। এই সিদ্ধান্তটি চীনের তাইওয়ান বিষয়ে তাদের অবস্থানের কারণে নেওয়া হয়েছিল।
"সিস্টার সিটি সম্পর্কের শেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সাধারণত একটি রাজনৈতিক বা মানবাধিকার বিষয়কে প্রতিফলিত করার জন্য।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হ্যাকনি বরো, লন্ডন, ইংল্যান্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গ্রিন পার্টি নেতৃত্বাধীন কাউন্সিলর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৬৮ (সিস্টার সিটি সম্পর্কের শুরু), ১৪ (অক্টোবর পর্যন্ত মতামত সংগ্রহ), ২৮ (জুলাই)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!