📌 লিবিয়ার পূর্বভিত্তিক পার্লামেন্ট, যেটি খালিফা হাফতারের সমর্থনে কাজ করে, তুরস্কের সাথে ২০১৯ সালের সমুদ্রসীমান্ত চুক্তি অনুমোদন দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তে পূর্বে ২০২০ সালে প্রত্যাখ্যাত এই চুক্তির পুনরায় অনুমোদন এবং রাজনৈতিক সম্পর্কের পুনরুদ্ধার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
লিবিয়ার পূর্বভিত্তিক পার্লামেন্ট, যেটি খালিফা হাফতারের সামরিক নেতৃত্বে কাজ করে এবং ট্রিপোলির ইউনাইটেড নেশনস-প্রতিষ্ঠিত আইনসভার বিকল্প হিসেবে পরিচিত, তুরস্কের সাথে ২০১৯ সালের সমুদ্রসীমান্ত চুক্তি অনুমোদন করেছে। এই সিদ্ধান্তে পূর্বে ২০২০ সালে প্রত্যাখ্যাত এই চুক্তির পুনরায় অনুমোদন এবং রাজনৈতিক সম্পর্কের পুনরুদ্ধার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। হাফতারের বেনগাজি ভিত্তিক সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তার টোব্রুক ভিত্তিক হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস একমতেই এই চুক্তি অনুমোদন করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লিবিয়ার পূর্বপার্লামেন্ট ২০১৯ সালের তুরস্কের সাথে সমুদ্রসীমান্ত চুক্তি অনুমোদন দিয়েছে, যা মেডিটেরেনীয় সাগরে লিবিয়া ও তুরস্কের সীমান্ত নির্ধারণ করে।
- 📌 ২০২০ সালে এই চুক্তি প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল, কিন্তু বর্তমানে তুরস্কের সাথে সামরিক সম্পর্কের উন্নয়নের অংশ হিসেবে পুনরায় অনুমোদন করা হয়েছে।
- 📌 হাফতারের নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (LNA) তুরস্কের সাথে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করছে, যার মধ্যে রয়েছে সামরিক সুবিধা ও উন্নত নিরীক্ষণ ব্যবস্থা বিকাশের চুক্তি।
- 📌 তুরস্কের এই সিদ্ধান্তে গ্রিস ও সাইপ্রাসের প্রতিবাদ রয়েছে, তারা বলেছে এটি আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।
- 📌 লিবিয়ার পূর্বপার্লামেন্টের সদস্য তরিক আল-জেরুশি বলেছেন, “কিছু দেশ এই চুক্তির বিরুদ্ধে হতে পারে, কিন্তু আমাদের জাতীয় স্বার্থই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”
📰 বিস্তারিত
লিবিয়ার পূর্বপার্লামেন্টের বিশেষ কমিটি এই চুক্তির বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করে। আইনসভার সদস্য আইশা আল-তাবালকি রয়টার্সকে বলেছেন, এই সিদ্ধান্তটি পূর্বে ২০২০ সালে প্রত্যাখ্যাত হওয়া চুক্তির পুনরায় অনুমোদন এবং তুরস্কের সাথে রাজনৈতিক সম্পর্কের পুনরুদ্ধারের অংশ। এই সিদ্ধান্তের পিছনে রয়েছে তুরস্কের সাথে সামরিক সম্পর্কের উন্নয়ন, যার মধ্যে জুলাই মাসে সামরিক সুবিধা ও উন্নত নিরীক্ষণ ব্যবস্থা বিকাশের চুক্তি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (LNA) দীর্ঘকাল ধরে মিশর ও অন্যান্য অঞ্চলীয় শক্তির সমর্থন পেয়েছে এবং ট্রিপোলি ভিত্তিক সরকারের সাথে লিবিয়ান গৃহযুদ্ধের শুরু থেকে সংঘাতের মধ্যে রয়েছে। ২০১৯ সালে তুরস্ক ট্রিপোলি ভিত্তিক সরকারের সাথে সমুদ্রসীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করে, যা মেডিটেরেনীয় সাগরে সীমান্ত নির্ধারণ করে। এই চুক্তির বিরুদ্ধে গ্রিস ও সাইপ্রাসের তীব্র প্রতিবাদ দেখা দেয়, তারা বলেছে এটি আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং অন্যান্য পূর্ব মেডিটেরেনীয় দেশের অধিকারকে উপেক্ষা করেছে।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে হাফতারের LNA ট্রিপোলিকে ঘিরে ফেলার চেষ্টা করেছিল, যা ইউনাইটেড নেশনস-প্রতিষ্ঠিত সরকারের বিরুদ্ধে ছিল। তুরস্কের হস্তক্ষেপের ফলে এই পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয় এবং তারা সামরিক পরামর্শদাতা ও ড্রোন পাঠিয়ে LNA-এর আক্রমণ প্রতিহত করে। সাত বছর পরে, তুরস্ক হাফতারের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি স্থাপনের কথা বিবেচনা করছে। এই পূর্বমুখী পন্থা তুরস্কের দীর্ঘমেয়াদী ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষার জন্য নেওয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমাধানের পরেও লিবিয়ায় তুরস্কের প্রভাব বজায় রাখবে।
"কিছু দেশ এই চুক্তির বিরুদ্ধে হতে পারে, কিন্তু আমাদের জাতীয় স্বার্থই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লিবিয়ার পূর্বপার্লামেন্ট (টোব্রুক ভিত্তিক)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খালিফা হাফতার, তরিক আল-জেরুশি, আইশা আল-তাবালকি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০১৯ (চুক্তির বছর), ২০২০ (প্রত্যাখ্যানের বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!