📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউটে হিন্দুত্ববাদী-শিক্ষার্থী সংঘর্ষে আহত চারজন, নারী শিক্ষার্থীদের লাঞ্ছনা দাবি

কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউটে হিন্দুত্ববাদী-শিক্ষার্থী সংঘর্ষে আহত চারজন, নারী শিক্ষার্থীদের লাঞ্ছনা দাবি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউটে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের সদস্যদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে চারজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। নারী শিক্ষার্থীদের লাঞ্ছনা ও ধারালো অস্ত্রের হামলার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন করেছে

কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (এসআরএফটিআই) এ রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত (এবিজিপি) এর সদস্যদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন চারজন শিক্ষার্থী। সংঘর্ষের সময় নারী শিক্ষার্থীদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগও উঠেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৫,০০০ টাকা ভাড়ায় বুক করা মিলনায়তনে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন এবিজিপির অনুষ্ঠান আয়োজনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত।
  • 📌 ৪ জন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত এবং একাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। শিক্ষার্থীদের দাবি, হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র ও ছুরি ব্যবহার করেছিল।
  • 📌 ১৫০ জন বহিরাগত শিক্ষার্থীদের ঘিরে ধরে এবং মূল ফটকে ইট-পাটকেল ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে।
  • 📌 হিন্দুত্ববাদী সংগঠন এবিজিপি অভিযোগ অস্বীকার করে এবং শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করেছে।
  • 📌 পুলিশ মোতায়েন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।

📰 বিস্তারিত

সকাল ১০টার দিকে এবিজিপির সদস্যদের অনুষ্ঠান শুরু হলে ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা তাদের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। শিক্ষার্থী সংসদ (স্টুডেন্টস ইউনিয়ন) জানায়, অনুষ্ঠানের বক্তারা উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছিলেন এবং প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের দেশবিরোধী, নকশাল ও সন্ত্রাসী বলে গালাগাল করছিলেন। শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদে হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র ও ছুরি দিয়ে আক্রমণ চালায়। এতে চারজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন এবং আরও একাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

সংঘর্ষ চলাকালে নারী শিক্ষার্থীদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, সংঘর্ষের পর ক্যাম্পাসের বাইরে প্রায় ১৫০ জন বহিরাগত তাদের ঘিরে ধরে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। ঘটনার মূল অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ করা হলেও বাইরে থেকে মূল ফটকে ইট-পাটকেল ছোড়া হয়।

অন্যদিকে, হিন্দুত্ববাদী সংগঠন এবিজিপি তাদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সংগঠনটির রাষ্ট্রীয় সভাপতি পঙ্কজ রায় জানান, তারা কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করেনি। তাদের দাবি, শিক্ষার্থীরা জোরপূর্বক তাদের সভায় ঢুকে ‘ভারত মাতা’ ও ‘স্বামী বিবেকানন্দ’-এর ছবি ভাঙচুর ও ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেছে। সংগঠনটির অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের হামলায় তাদের চারজন সদস্য আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

ইনস্টিটিউটের এক শিক্ষক জানান, তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা পরিস্থিতি সামাল দিতে মধ্যস্থতা করতে গেলে তাঁদের ওপরও হামলা চালানো হয়। এসআরএফটিআই প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসে নজর রাখা হচ্ছে।

"ওই অনুষ্ঠানের বক্তারা উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছিলেন এবং প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের দেশবিরোধী, নকশাল ও সন্ত্রাসী বলে গালাগাল করছিলেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পঙ্কজ রায় (এবিজিপি সভাপতি), শিক্ষার্থীরা, শিক্ষক ও সহকর্মীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫,০০০ টাকা (ভাড়া), ১০ টা (সকাল), ১৫০ জন (বহিরাগত), ৪ জন (গুরুতর আহত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖