📌 কলকাতা হাইকোর্টে প্রশ্ন উঠেছে ১৯৭০-এর দশকে ভারতে আসা লাখো মানুষকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর সম্ভাবনায়। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য প্রশ্ন তুলেছেন যে, সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে কত মানুষ বসবাস করছে এবং তাদের সবাইকে ফেরত পাঠানো কি সম্ভব। সাহিদুল শেখের ডিপোর্টেশন আদেশের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে শুনানি চলছে
কলকাতা হাইকোর্টে প্রশ্ন উঠেছে ১৯৭০-এর দশকে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা লাখো মানুষকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর সম্ভাবনায়। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য শুনানিতে প্রশ্ন তুলেছেন যে, সীমান্ত পেরিয়ে আসা সকল ব্যক্তিকে ফেরত পাঠানো কি বাস্তবে সম্ভব। তিনি রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন সীমান্তবর্তী জেলাগুলো পরিদর্শন করে দেখতে যে, কত মানুষ বসবাস করছে এবং তাদের সবাইকে ফেরত পাঠানো কি সম্ভব।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কলকাতা হাইকোর্টে প্রশ্ন উঠেছে ১৯৭০-এর দশকে ভারতে আসা লাখো মানুষকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর সম্ভাবনায়
- 📌 বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য প্রশ্ন তুলেছেন: ‘সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে কত মানুষ বসবাস করছে? তাদের সবাইকে ফেরত পাঠানো কি সম্ভব?’
- 📌 মুর্শিদাবাদ পুলিশ সাহিদুল শেখকে বাংলাদেশি নাগরিক সন্দেহে আটক করে, পরবর্তীতে ফরেনার্স রেজিস্ট্রেশন অফিসার তাঁকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেন
- 📌 হাইকোর্ট সাহিদুল শেখের ডিপোর্টেশন আদেশের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং তাঁর আটকাদেশ বাতিল না করলেও ডিপোর্টেশন স্থগিতাদেশ জারি করেছে
- 📌 পরবর্তী শুনানি চলতি অক্টোবর মাসেই হতে পারে
📰 বিস্তারিত
গত ১০ আগস্ট মুর্শিদাবাদে একটি বিশেষ অভিযানের সময় সাহিদুল শেখ নামের এক ব্যক্তিকে বাংলাদেশি নাগরিক সন্দেহে আটক করে স্থানীয় পুলিশ। পরবর্তীতে তাঁকে একটি হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়। মামলাটি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন থাকাকালীন, গত ২৮ সেপ্টেম্বর ফরেনার্স রেজিস্ট্রেশন অফিসার (এফআরও) সাহিদুলকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই আদেশের পরপরই বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের নজরে আসে।
হাইকোর্টে শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য প্রশ্ন তুলেছেন যে, কোন তথ্যের ভিত্তিতে সাহিদুল শেখকে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, স্থানীয় পুলিশের দাখিল করা হলফনামার জবাব দেওয়ার সুযোগ সাহিদুলকে দেওয়া উচিত। বিচারপতি আরও বলেছেন, ‘নতুবা আদালতের মনে হতে পারে যে, আবেদনকারী উচ্চ আদালতে আইনি সুরক্ষা চাইতে আসার কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা হচ্ছে। তাঁকে যদি ফেরতই পাঠিয়ে দেওয়া হয়, তবে এই আবেদনের আর কোনো কার্যকারিতা থাকবে না।’
শুনানিতে পশ্চিমবঙ্গের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল যুক্তি দিয়েছিলেন যে, জাল বা জালিয়াতি করা নথিপত্র ব্যবহার করে যদি প্যান বা আধার কার্ডের মতো পরিচয়পত্র তৈরি করা হয়ে থাকে, তবে সেটিই তাঁকে ফেরত পাঠানোর জন্য যথেষ্ট ভিত্তি হতে পারে। তবে আদালত সাহিদুলের ডিপোর্টেশন বা বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর ওপর সাময়িক স্থগিতাদেশ জারি করেছে। উপযুক্ত বেঞ্চে পরবর্তী শুনানির তারিখ না হওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত স্থগিত থাকবে বলে জানান আদালত।
"সত্তরের দশকে কত মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে এসেছেন? তাদের সবাইকে কি পুরোপুরি ফেরত পাঠানো সম্ভব? সীমান্তবর্তী জেলাগুলো ঘুরে দেখুন। এটা কি আদৌ সম্ভব?"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলকাতা হাইকোর্ট, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য, সাহিদুল শেখ, পশ্চিমবঙ্গের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৭০-এর দশক, ১০ আগস্ট, ২৮ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!