📅 ৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কলকাতা হাইকোর্ট: সন্দেহেই বাংলাদেশি তকমা দিতে পারবেনা, আইনি প্রক্রিয়া অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে

কলকাতা হাইকোর্ট: সন্দেহেই বাংলাদেশি তকমা দিতে পারবেনা, আইনি প্রক্রিয়া অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেছেন, শুধু সন্দেহের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে বাংলাদেশি বলে চিহ্নিত করে ভারত থেকে বহিষ্কার করা যাবে না। মুর্শিদাবাদের এক ব্যক্তির আটকাদেশ ও বহিষ্কারের প্রস্তাবকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা মামলায় তিনি এই মন্তব্য করেন

কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য শুধু সন্দেহের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে বাংলাদেশি বলে চিহ্নিত করে ভারত থেকে বহিষ্কার করা যাবে না বলে সতর্ক করেছেন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) মুর্শিদাবাদের এক ব্যক্তির আটকাদেশ ও বহিষ্কারের প্রস্তাবকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা মামলার শুনানিতে তিনি এই মন্তব্য করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেছেন, শুধু সন্দেহের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে বাংলাদেশি বলে চিহ্নিত করে বহিষ্কার করা যাবে না।
  • 📌 মুর্শিদাবাদের এক ব্যক্তিকে ৮ আগস্ট থেকে আটকে রাখা হয়েছে, যিনি কেবল প্রতিবেশীদের সন্দেহের ভিত্তিতে আটক পেয়েছেন।
  • 📌 বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, কেন ২ মাস ধরে আটক ব্যক্তির নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার জন্য আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি?
  • 📌 হাইকোর্ট বহিষ্কার আদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে এবং মামলাটি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠিয়ে দিয়েছে।
  • 📌 ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বিজেপি সরকারের নাগরিকত্ব পরীক্ষার প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র বিতর্ক চলছে, যেখানে প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।

📰 বিস্তারিত

মুর্শিদাবাদের এক ব্যক্তির আটকাদেশ ও বহিষ্কারের প্রস্তাবকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেছেন, শুধু সন্দেহের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে বাংলাদেশি বলে চিহ্নিত করে বহিষ্কার করা যাবে না। তিনি জানান, বহিষ্কার আদেশ আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। বিচারপতি প্রশ্ন করেন, কেন এই ব্যক্তিকে দুই মাস ধরে আটকে রাখা হয়েছে এবং কেন তার নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ সুস্পষ্ট ও প্রমাণযোগ্য প্রক্রিয়া অনুসরণ করেনি?

মামলায় ওই ব্যক্তির আইনজীবী রবিউল ইসলাম জানান, তার মক্কেলকে আটক রাখার মূল কারণ ছিল প্রতিবেশীদের সন্দেহ। বিচারপতি প্রশ্ন করেন, কেবল প্রতিবেশীদের দাবির ভিত্তিতে কীভাবে কোনো ব্যক্তির নাগরিকত্ব নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করা সম্ভব? তিনি জোর দিয়ে বলেন, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে কাউকে আটকে রাখা যায় না।

বিচারপতি আরও প্রশ্ন করেন, সত্তরের দশক থেকে কত মানুষ সীমান্ত পার হয়ে এসেছে? তাদের সবাইকে কি ফেরত পাঠানো সম্ভব? তিনি মামলাটি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠিয়ে দেন, যাতে এটি উপযুক্ত বেঞ্চে ন্যস্ত করা যায়।

ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বিজেপি সরকারের নাগরিকত্ব পরীক্ষার প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র বিতর্ক চলছে। বিশেষ করে, এসআইআর প্রক্রিয়ার জেরে প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। বিরোধী দল ও সুশীল সমাজের সংগঠনগুলোর অভিযোগ, বিজেপিকে সুবিধা করে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রকৃত ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

"আমার মক্কেল দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে আটক রয়েছেন। কেবল প্রতিবেশীদের সন্দেহের ভিত্তিতে তার আটক করা হয়েছে।" — রবিউল ইসলাম, আইনজীবী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কলকাতা হাইকোর্ট, মুর্শিদাবাদ (পশ্চিমবঙ্গ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য, রবিউল ইসলাম, মুর্শিদাবাদের আটক ব্যক্তি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ অক্টোবর (শুনানি তারিখ), ৮ আগস্ট (আটক তারিখ), ১৩ কোটি (ভোটার নাম বাদ পড়া)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖