📅 ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১:৫৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কলকাতায় বামপন্থীদের বইয়ের স্টল ভাঙচুরে সিপিএম হাইকোর্টে মামলা, বিজেপির অভিযোগে দাবি

কলকাতায় বামপন্থীদের বইয়ের স্টল ভাঙচুরে সিপিএম হাইকোর্টে মামলা, বিজেপির অভিযোগে দাবি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজা মেলায় বামপন্থী দলগুলোর বইয়ের স্টল ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সিপিএম হাইকোর্টে মামলা করে দ্রুত শুনানির দাবি জানায়। রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত বইয়ের স্টল ভাঙচুরের নিন্দা জানান

পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা ও বিভিন্ন এলাকায় দুর্গাপূজা মেলার মণ্ডপে বামপন্থী দলগুলোর বইয়ের স্টল ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। সিপিএমের কর্মীদের এই হামলায় প্রতিকার চেয়ে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করা হয়েছে। বিচারপতি পার্থ প্রতীম রায় মঙ্গলবার শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের ৬০ বছরের ঐতিহ্যবাহী বইয়ের স্টল ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
  • 📌 সিপিএমের অভিযোগ, বিজেপির কর্মী-সমর্থক পরিচয় দিয়ে একদল দুর্বৃত্ত এই হামলা চালাচ্ছে।
  • 📌 হাওড়ার চ্যাটার্জিহাটে সিপিএমের স্টল ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়; যাদবপুরে বুলডোজার চালানো হয়।
  • 📌 রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত বলেছেন, বই বিক্রি করতে না দেওয়া বা স্টল ভাঙচুর মেনে নেওয়া যায় না।
  • 📌 মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, চীনের মতো দেশের মতো সাবধান থাকতে হবে।

📰 বিস্তারিত

সিপিএম, সিপিআই, ফরওয়ার্ড ব্লক ও এসইউসিআইয়ের মতো বামপন্থী দলগুলো দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে কলকাতা ও রাজ্যের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও মেলা প্রাঙ্গণে বইয়ের স্টল দিয়ে আসছে। তবে রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিজেপি নেতৃত্ব বামপন্থীদের বইয়ের স্টল দিতে রাজি নয়। সিপিএম নেতৃত্বের অভিযোগ, বিজেপির শীর্ষ পর্যায় থেকে আগেই বামপন্থীদের বইয়ের স্টল না দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘোষণার জেরেই কলকাতা ও রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় মণ্ডপের কাছে স্টল বসাতে গেলে হামলা চালানো হচ্ছে।

সোমবার মহা অষ্টমীর দিনেও হাওড়ার চ্যাটার্জিহাট থানা এলাকায় সিপিএমের একটি বইয়ের স্টল ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় সিপিএমের পক্ষ থেকে স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর আগে কলকাতার যাদবপুর, হরিদেবপুর, ডোমজুড়, শালকিয়া, ফুলিয়া ও হলদিয়ায় একই ধরনের হামলার ঘটনা ঘটে। যাদবপুরে এমনকি বুলডোজার এনে স্টল গুঁড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালানো হয়; তবে সিপিএম ও সিপিআই কর্মীদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে হামলাকারীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়। কোথাও কোথাও হামলাকারীরা শুধু ভাঙচুর চালিয়েই থামেনি, স্টলে অগ্নিসংযোগও করেছে।

বইয়ের স্টল বিতর্কে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আদর্শগত ভিন্ন মত থাকতে পারে। কিন্তু বই বিক্রি করতে না দেওয়া বা বইয়ের স্টল ভাঙচুর কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ওরা ভারতবর্ষকে বোঝেনি, চেনেনি। আমরা তো ৩০-৪০ বছর ধরে দেখছি বামরা পূজা এবং বিভিন্ন মেলায় বইয়ের দোকান দিয়ে আসছে। বই কি ময়লার মধ্যে ফেলে দেওয়া ঠিক?’

হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) নেতা জিষ্ণু বসু এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, ‘প্রত্যেকেরই বুক স্টল করার অধিকার আছে। আজ যারা বুক স্টল ভাঙছে, তারা কেউ আসল লড়াইয়ে ছিল না। ক্ষমতার দম্ভে এসব করছে।’ অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা ও বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেছেন, ‘আদর্শগতভাবে আমাদের সঙ্গে সিপিএমের সম্পর্ক গভীর না থাকলেও তাদের বইয়ের স্টল ভাঙচুর করার ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। এটা আর এখন রাজনৈতিক সংকট নয়, সভ্যতার সংকট।’

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ‘চীনে যাদের বাড়ি, তাদের থেকে সাবধানে থাকতে হবে।’

"আদর্শগত ভিন্ন মত থাকতে পারে। কিন্তু বই বিক্রি করতে না দেওয়া বা বইয়ের স্টল ভাঙচুর কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ওরা ভারতবর্ষকে বোঝেনি, চেনেনি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কলকাতা, হাওড়া, যাদবপুর, হরিদেবপুর, ডোমজুড়, শালকিয়া, ফুলিয়া, হলদিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বপন দাশগুপ্ত (অর্থমন্ত্রী), জিষ্ণু বসু (আরএসএস নেতা), কুণাল ঘোষ (তৃণমূল কংগ্রেস নেতা), শুভেন্দু অধিকারী (মুখ্যমন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ বছর (বইয়ের স্টলের ঐতিহ্য), ৩০-৪০ বছর (বামপন্থীদের বই বিক্রি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖