📌 কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকার প্রধান দপ্তরে হিন্দুত্ববাদীদের হামলায় প্রবেশপথের থাম গেরুয়া রঙে রাঙিয়ে দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারীরা 'জয় শ্রীরাম' স্লোগান দিয়ে পত্রিকার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়। ঘটনার প্রতিবাদে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে
কলকাতার প্রধান বাংলা সংবাদপত্র আনন্দবাজার পত্রিকার প্রধান দপ্তরে হিন্দুত্ববাদীদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার দুপুরে আনন্দবাজার পত্রিকার কলকাতার প্রধান অফিসের সামনে প্রায় ২০ থেকে ৩০ জন হিন্দুত্ববাদী বিক্ষোভকারী জড়ো হয়ে স্লোগান দেয়। তারা প্রবেশপথের সাদা থাম গেরুয়া রঙে রাঙিয়ে দেয় এবং গেরুয়া কাপড়ও জড়িয়ে দেয়। পুলিশ উপস্থিত থাকলেও বিক্ষোভকারীদের প্রতিরোধ করেনি। পরে পত্রিকার কর্তৃপক্ষ থামের রং পুনরায় সাদা করে দেয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকার প্রধান দপ্তরে হিন্দুত্ববাদীদের হামলায় প্রবেশপথের থাম গেরুয়া রঙে রাঙিয়ে দেওয়া হয়
- 📌 বিক্ষোভকারীরা দুপুরে প্রায় ২০ থেকে ৩০ জন মিলে 'জয় শ্রীরাম' স্লোগান দিয়ে প্রতিবাদ জানায়
- 📌 হিন্দুত্ববাদীরা আনন্দবাজার পত্রিকাকে 'দিমাগি নকশাল' হিসেবে অভিহিত করে এবং পশ্চিমবঙ্গকে 'গেরুয়ার মাটি' দাবি করে
- 📌 ঘটনার পর আনন্দবাজার পত্রিকা কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অভিযোগ বা বিবৃতি দেয়নি
- 📌 ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে আনন্দবাজার পত্রিকার বিরুদ্ধে সমর্থন ও বিরোধিতা দুটোই প্রকাশ পাচ্ছে
📰 বিস্তারিত
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় অবস্থিত আনন্দবাজার পত্রিকার প্রধান দপ্তরে মঙ্গলবার দুপুরে হিন্দুত্ববাদীদের হামলার ঘটনা ঘটে। প্রায় ২০ থেকে ৩০ জন বিক্ষোভকারী পত্রিকার প্রবেশপথের সাদা থাম গেরুয়া রঙে রাঙিয়ে দেয়। তারা গেরুয়া কাপড়ও জড়িয়ে দেয় এবং 'জয় শ্রীরাম' স্লোগান দেয়। পুলিশ উপস্থিত থাকলেও বিক্ষোভকারীদের প্রতিরোধ করেনি। পরে পত্রিকার কর্তৃপক্ষ থামের রং পুনরায় সাদা করে দেয়।
হিন্দুত্ববাদী বিক্ষোভকারীরা আনন্দবাজার পত্রিকাকে 'দিমাগি নকশাল' হিসেবে অভিহিত করে। তারা বলে, পশ্চিমবঙ্গ হলো 'শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির মাটি, বিবেকানন্দের মাটি, গেরুয়ার মাটি' এবং সেখানে আনন্দবাজার পত্রিকার মতো সংবাদপত্রের স্থান নেই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বাধীনতা দিবসের ভাষণেও 'দিমাগি নকশাল' শব্দবন্ধ ব্যবহৃত হয়েছিল।
ঘটনার পর আনন্দবাজার পত্রিকা কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অভিযোগ বা বিবৃতি দেয়নি। সংবাদপত্রটির টেলিভিশন চ্যানেল বা ওয়েবসাইটেও এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তবে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে আনন্দবাজার পত্রিকার বিজেপিবিরোধী অবস্থানকে প্রশংসা করছেন, আবার অনেকে হামলাকে সমর্থন করছেন।
"গেরুয়া বাহিনী আজ আনন্দবাজার অফিসে গুন্ডামি করে প্রমাণ করে দিল আনন্দবাজার পত্রিকার ‘গেরুয়া গুন্ডামি’ হেডিং কত ঠিক ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, আনন্দবাজার পত্রিকা কর্তৃপক্ষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ থেকে ৩০ জন বিক্ষোভকারী, ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!