📅 ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কঙ্গোতে সাবেক রাষ্ট্রপতি জোসেফ কাবিলার বিদ্রোহী জোটে যোগদানের ভয়ে শান্তি আশা ভেঙ্গে পড়লো

কঙ্গোতে সাবেক রাষ্ট্রপতি জোসেফ কাবিলার বিদ্রোহী জোটে যোগদানের ভয়ে শান্তি আশা ভেঙ্গে পড়লো

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের পূর্বাঞ্চলীয় শহর গোমায় সাবেক রাষ্ট্রপতি জোসেফ কাবিলা নতুন একটি রাজনৈতিক-সামরিক জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এই জোটের নাম 'ফ্রন্ট ফর দ্য রিফাউন্ডেশন অব দ্য নেশন' (FRN)। কাবিলার এই পদক্ষেপের ফলে শান্তি প্রক্রিয়ায় নতুন বাধা সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয়রা ভয় পাচ্ছেন যে যুদ্ধ আরো দীর্ঘায়িত হতে পারে

কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র (DRC)-এর পূর্বাঞ্চলীয় শহর গোমায় শান্তি আশা ভেঙ্গে পড়েছে। সাবেক রাষ্ট্রপতি জোসেফ কাবিলা নতুন একটি রাজনৈতিক-সামরিক জোটের নেতৃত্বে এসেছেন, যা বর্তমান রাষ্ট্রপতি ফেলিক্স তশিসেকেদির সরকারকে চ্যালেঞ্জ করছে। গত রবিবার গোমায় ঘোষিত এই 'ফ্রন্ট ফর দ্য রিফাউন্ডেশন অব দ্য নেশন' (FRN) জোটে কাবিলা নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং এটি পূর্বে বিদ্যমান 'অ্যালায়েন্স ফ্লেভ কঙ্গো' (AFC) এবং 'মার্চ ২৩ মুভমেন্ট' (M23)-এর জোটের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে। এই নতুন জোটে কাবিলার নেতৃত্বে পূর্বে দুটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সাথে যুক্ত ব্যক্তিবর্গ অংশ নিচ্ছেন এবং তারা তশিসেকেদিকে 'ত্যাগ' হিসেবে অভিহিত করে বলছেন যে, সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের জন্য সব ধরনের উপায়, এমনকি বশ্যতাও ব্যবহার করা যাবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **গোমা শহর** থেকে ঘোষিত নতুন জোট 'ফ্রন্ট ফর দ্য রিফাউন্ডেশন অব দ্য নেশন' (FRN)-এ সাবেক রাষ্ট্রপতি জোসেফ কাবিলা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যা পূর্বে বিদ্যমান M23 এবং AFC জোটের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে।
  • 📌 **গোমা শহর** (উত্তর কিভু প্রদেশের প্রধান শহর) ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে M23-AFC জোটের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, এবং কাবিলার যোগদানের ফলে পূর্বে কোনো সাবেক রাষ্ট্রপতি সরাসরি বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিচ্ছেন না এমন একটি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
  • 📌 **কাবিলার জোট** তশিসেকেদির সরকারকে 'ত্যাগ' হিসেবে অভিহিত করে বলছে যে, প্রতিরোধের জন্য সব ধরনের উপায়, এমনকি বশ্যতাও ব্যবহার করা যাবে।
  • 📌 **কাবিলার যোগদান** কঙ্গোর শান্তি প্রক্রিয়ায় নতুন বাধা সৃষ্টি করেছে এবং স্থানীয়রা ভয় পাচ্ছেন যে যুদ্ধ আরো দীর্ঘায়িত হতে পারে।
  • 📌 **গোমার বাসিন্দা বাসা জুহুদি** বলেছেন, "আমি বিশ্বাস করতাম যুদ্ধ নিকটাত্মে শেষ হবে। কিন্তু আমাদের সাবেক রাষ্ট্রপতি কাবিলাও বিদ্রোহে যোগ দিয়েছেন, যা আমাকে ভয়ঙ্কর অবস্থায় ফেলেছে।"
  • 📌 **কাবিলা** ২০০১ সালে তার পিতার হত্যার পর ক্ষমতায় আসেন এবং ২০০৬ ও ২০১১ সালে নির্বাচিত হন। তার দ্বিতীয় মেয়াদ ২০১৬ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু নির্বাচন বিলম্বিত হওয়ায় তিনি ক্ষমতায় থেকে যান।
  • 📌 **২০১৯ সালে** প্রথমবারের মতো শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনের মাধ্যমে তশিসেকেদি ক্ষমতায় আসেন, যা কাবিলার পর থেকে কঙ্গোর প্রথম শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর ছিল।

📰 বিস্তারিত

কাবিলা ২০০১ সালে তার পিতার হত্যার পর ক্ষমতায় আসেন এবং ২০০৬ ও ২০১১ সালে নির্বাচিত হন। তার দ্বিতীয় মেয়াদ ২০১৬ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু নির্বাচন বিলম্বিত হওয়ায় তিনি ক্ষমতায় থেকে যান। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তশিসেকেদিকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয় এবং তিনি ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে ক্ষমতায় আসেন, যা কাবিলার পর থেকে কঙ্গোর প্রথম শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর ছিল। কাবিলা নির্বাচন বিলম্বের কারণ হিসেবে বলেছিলেন যে, কঙ্গোলীয় জনগণ শেষ পর্যন্ত সংলাপের মাধ্যমে তাদের সমস্যা সমাধান করেছে।

কাবিলার FRN জোটের নেতৃত্বে আসার ফলে কঙ্গোর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে পড়েছে। এই জোট সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বিকল্প হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করছে, কিন্তু একই সাথে সরকারের কর্তৃত্বের চ্যালেঞ্জও করছে। কাবিলার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং তার নেটওয়ার্ক কতটা জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।

গোমার বাসিন্দা বাসা জুহুদি বলেছেন, "আমি বিশ্বাস করতাম যুদ্ধ নিকটাত্মে শেষ হবে। কিন্তু আমাদের সাবেক রাষ্ট্রপতি কাবিলাও বিদ্রোহে যোগ দিয়েছেন, যা আমাকে ভয়ঙ্কর অবস্থায় ফেলেছে। আমি জানি না, কাবিলা এই দেশের অভ্যন্তর সম্পর্কে সবচেয়ে ভালোভাবে জানেন, তাই আমি ভয় পাচ্ছি যে যুদ্ধ আরো দীর্ঘায়িত হবে।"

তিনি আরো বলেছেন, "আমি আশা করতাম কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে প্রথমবারের মতো শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর হবে। কিন্তু আজ আমি ভয় পাচ্ছি যে আমি আর কখনো একটি সঠিক গণতন্ত্র দেখতে পাবো না।"

"আমি বিশ্বাস করতাম যুদ্ধ নিকটাত্মে শেষ হবে, কিন্তু আমাদের সাবেক রাষ্ট্রপতি কাবিলাও বিদ্রোহে যোগ দিয়েছেন, যা আমাকে ভয়ঙ্কর অবস্থায় ফেলেছে।"
"আমি জানি না, কাবিলা এই দেশের অভ্যন্তর সম্পর্কে সবচেয়ে ভালোভাবে জানেন, তাই আমি ভয় পাচ্ছি যে যুদ্ধ আরো দীর্ঘায়িত হবে।"
"আজ আমি ভয় পাচ্ছি যে আমি আর কখনো একটি সঠিক গণতন্ত্র দেখতে পাবো না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গোমা, উত্তর কিভু প্রদেশ, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জোসেফ কাবিলা (সাবেক রাষ্ট্রপতি), ফেলিক্স তশিসেকেদি (বর্তমান রাষ্ট্রপতি), বাসা জুহুদি (গোমার বাসিন্দা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ (মার্চ ২৩ মুভমেন্ট)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖