📌 ভারতের একটি নিম্ন আদালতের বিচারক রজনী রাঙ্গা যৌন নির্যাতনের শিকার সাত বছরের শিশুকন্যাকে একটি আবেগঘন চিঠি লিখেছেন। চিঠিতে তিনি নির্যাতককে ‘বাকি জীবন খাঁচায় বন্দি’ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং শিশুটিকে ‘সবচেয়ে সাহসী ছোট্ট মেয়ে’ বলে প্রশংসা করেছেন। দিল্লি হাইকোর্টের রায়ে এই চিঠি প্রকাশিত হয়েছে
ভারতের একটি নিম্ন আদালতের বিচারক রজনী রাঙ্গা যৌন নির্যাতনের শিকার সাত বছরের শিশুকন্যাকে একটি আবেগঘন চিঠি লিখেছেন। এই চিঠিতে তিনি নির্যাতককে ‘বাকি জীবন খাঁচায় বন্দি’ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং শিশুটিকে ‘এই আদালতের দেখা সবচেয়ে সাহসী ছোট্ট মেয়ে’ বলে প্রশংসা করেছেন। এই চিঠি সামাজিক মাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং বিচারকের এই পদক্ষেপকে ‘বিরল’ ও ‘আশার আলো’ হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাত বছরের শিশুকন্যাকে বিচারক রজনী রাঙ্গা ‘ডিয়ার চাইল্ড’ চিঠিতে ‘সবচেয়ে সাহসী ছোট্ট মেয়ে’ বলে সম্বোধন করেছেন এবং তার সাহসের প্রশংসা করেছেন।
- 📌 বিচারক রাঙ্গা চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, ‘আঙ্কল’-কে ‘বাকি জীবন খাঁচার মধ্যেই কাটতে হবে’ এবং ‘সে সেই খাঁচার ভিতরেই বৃদ্ধ হবেন’।
- 📌 আদালত নির্যাতককে ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে।
- 📌 দিল্লি হাইকোর্টের রায়ে এই চিঠি প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে বিচারক রাঙ্গা শিশুটিকে ‘আদালত তোমাকে তোমার শৈশব ফিরিয়ে দিতে পারবে না’ বলে বলেছেন, কিন্তু ‘আনন্দে জীবন কাটানোর’ পরামর্শ দিয়েছেন।
- 📌 নির্যাতক দিল্লি হাইকোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ার পর এই চিঠি প্রকাশ পেয়েছে।
📰 বিস্তারিত
২০২৩ সালে সাত বছরের শিশুকন্যাকে যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর, বিচারক রজনী রাঙ্গা তার সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন। আদালতের আনুষ্ঠানিক ভাষায় নয়, তিনি শিশুটিকে ‘ডিয়ার চাইল্ড’ বলে সম্বোধন করে লিখেছেন, ‘তোমার কথা শুনেছেন, তোমার কথা পড়েছেন এবং তোমার সাহস দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছি’। শিশুকন্যাটি আদালতে বলেছিলেন, ‘যবতক আঙ্কল বুড্ঢে না হো যায়ে, তব তক উনহে জেল মে হি রাখা যায়ে’। বিচারক রাঙ্গা এই কথাগুলো উল্লেখ করে বলেছেন, ‘আজ আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে, ওই ব্যক্তি আর কখনো মুক্তি পাবেন না’।
বিচারক রাঙ্গা চিঠিতে বলেছেন, ‘সে সেই খাঁচার ভিতরেই তিনি বৃদ্ধ হবেন। সেই খাঁচাতেই তার মৃত্যু হবে। তিনি আর কখনো তোমাকে, তোমার ছোট বোনকে বা অন্য কোনো শিশুকে আঘাত করতে পারবেন না’। তিনি শিশুটিকে বলেছেন, ‘আদালত তোমাকে এই প্রতিশ্রুতি দিতে পারে যে তিনি আর কখনোই মুক্ত অবস্থায় সূর্য দেখতে পারবেন না’।
চিঠির শেষে বিচারক রাঙ্গা শিশুটিকে বলেছেন, ‘এখন তুমি তোমার জীবন উপভোগ করো। স্কুলে যাও। বন্ধু তৈরি করো। হাসো। খেলা করো। স্বপ্ন দেখো। এই আদালত তোমার সাহসের কথা সব সময় মনে রাখবে’। দিল্লি হাইকোর্টের রায়ে এই চিঠি প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে বিচারক রাঙ্গার এই আবেগঘন বার্তাটি শিশুটিকে দেওয়া হয়েছে।
"তার বাকি জীবন খাঁচার মধ্যেই কাটবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারক রজনী রাঙ্গা, শিশুকন্যা (৭ বছর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!