📌 জিবুতির পূর্ব উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশীবাহী নৌকা ডুবে ১৩৯ জনের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে ১৫ জন শিশু। ৮৪ জন নিখোঁজ এবং ৮০ জন বেঁচে যায়। আইওএমের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর এই পথে ৯০০ জনেরও বেশি অভিবাসী নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন
জিবুতির পূর্ব উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের একটি নৌকা ডুবে অন্তত ১৩৯ জনের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে ১৫ জন শিশুসহ ৮৪ জনের অবস্থা অজানা। এই দুর্ঘটনায় ৮০ জনের বেশি মানুষ বেঁচে যায়। আইওএমের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনাটি জিবুতি থেকে ইয়েমেনের দিকে যাত্রারত ৩০০ জনেরও বেশি অভিবাসীকে আঘাত করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৩৯ জনের মৃত্যু: জিবুতির পূর্ব উপকূলে নৌকাডুবিতে ১৩৯ জনের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে ১৫ জন শিশু।
- 📌 ৮৪ জন নিখোঁজ: ৮৪ জনের অবস্থা অজানা, তাদের মধ্যে অনেকেই নিজেরাই মরদেহ দাফন করেছেন।
- 📌 ৮০ জন বেঁচে যায়: সবাই ইথিওপিয়ার নাগরিক।
- 📌 বাব আল-মান্দেব প্রণালি: প্রণালির প্রস্থ মাত্র ২০ কিলোমিটার (১২.৪ মাইল)।
- 📌 আইওএমের সতর্কতা: গত বছর এই পথে ৯০০ জনেরও বেশি অভিবাসী নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানায়, জিবুতির পূর্ব উপকূলে গুহেরে এলাকায় বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার ভোরের মধ্যে নৌকাটি ডুবে যায়। নৌকাটি জিবুতি থেকে ইয়েমেনের দিকে যাচ্ছিল। আইওএমের মিশনপ্রধান আলেক্সান্দ্রে কোইসাক বলেন, ‘এই ঘটনাটি অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য বিপদের বিষয়টি স্পষ্টভাবে স্মরণ করিয়ে দেয়।’ তিনি বলেন, নিহতের সংখ্যা জিবুতির কর্তৃপক্ষের দাফন করা ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে অন্যদের মরদেহের পরিচয় যাচাই না হওয়ায় সরকারি হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
আইওএমের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০ হাজারাধিক মানুষ ইথিওপিয়া থেকে জিবুতিতে গিয়েছেন। এছাড়া, গত বছর পাঁচ লাখেরও বেশি অভিবাসী ইয়েমেনে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধ এবং ইয়েমেনে সরকারি বাহিনী ও হুতি যোদ্ধাদের মধ্যে সংঘাতের কারণে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের যাত্রা থেমে নেই।
জিবুতিতে আইওএমের অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চলছে। আলেক্সান্দ্রে কোইসাক বলেন, ‘জরুরি সহায়তা দেওয়ার জন্য আমাদের দল স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘটনাস্থলে কাজ করছে।’ তিনি এই ঘটনাকে ‘ভয়াবহ’ উল্লেখ করে শোক প্রকাশ করেছেন।
“নিহতের যে সংখ্যা জানানো হয়েছে, তাতে কেবল জিবুতির কর্তৃপক্ষের দাফন করা ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অভিবাসনপ্রত্যাশীদের কেউ কেউ নিজেরাই অন্যদের মরদেহ দাফন করেছেন। তবে কর্তৃপক্ষ মরদেহগুলোর পরিচয় ও অস্তিত্ব যাচাই করতে না পারা পর্যন্ত তাঁদের সরকারি হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জিবুতির পূর্ব উপকূল, গুহেরে এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলেক্সান্দ্রে কোইসাক (আইওএমের মিশনপ্রধান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩৯ জন মৃত্যু, ১৫ জন শিশু, ৮৪ জন নিখোঁজ, ৮০ জন বেঁচে যায়, ৩০০ জনেরও বেশি অভিবাসী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!