📌 যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইসরায়েলের আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানাবেন না। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে মনোনিবেশ করবেন। অন্যদিকে, ট্রাম্প সরাসরি নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানিয়েছেন
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইসরায়েলের আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানাবেন না। তিনি সাংবাদিক মার্ক হ্যালপেরিনের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি কোনো পক্ষেই সমর্থন দেবেন না এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে মনোনিবেশ করবেন। এই ঘোষণা এলো এক দিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানানোর পর।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জেডি ভ্যান্স ইসরায়েলের ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানাবেন না — তিনি বলেছেন, ‘আমি তাঁর বিপক্ষেও সমর্থন দিচ্ছি না, পক্ষেও দিচ্ছি না’
- 📌 ডোনাল্ড ট্রাম্প একদিন আগেই সরাসরি নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানিয়েছেন, কিন্তু ভ্যান্সের মনোযোগ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে
- 📌 ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জেডি ভ্যান্সের অবস্থান ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের শর্তহীন সমর্থনের বিরুদ্ধে রিপাবলিকান পার্টির অসন্তোষকে প্রতিফলিত করছে
- 📌 গাদি আইসেনকোট-এর নেতৃত্বাধীন ‘ইয়াশার পার্টি’ লিকুদ পার্টিকে পিছিয়ে যাচ্ছে — জরিপে এগিয়ে রয়েছে
- 📌 জেডি ভ্যান্স ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নেতানিয়াহুকে সতর্ক করে বলেছেন, ‘আপনারা কেবল সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে সমস্যা সমাধান করতে পারবেন না’
📰 বিস্তারিত
গত সোমবার সাংবাদিক মার্ক হ্যালপেরিনের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে জেডি ভ্যান্স বলেন, ‘আমি তাঁর বিপক্ষেও সমর্থন দিচ্ছি না, পক্ষেও দিচ্ছি না। আমি ইসরায়েলি নির্বাচনে জড়াচ্ছি না। আমি আমেরিকান প্রার্থীদের সমর্থন করি। আমার সব মনোযোগ এখন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিকে।’ এই মন্তব্য এলো একদিন আগেই ট্রাম্প সরাসরি নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানানোর পর। ট্রাম্পের এই অবস্থান ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যুতে তার পূর্বের কর্মকাণ্ডের সাথে মিলে যায়, যেখানে তিনি ইসরায়েলের পক্ষে অবস্থান নেন।
জেডি ভ্যান্স সর্বশেষ ২০২৬ সালের এপ্রিলে কোনো বিদেশি নেতাকে সমর্থন জানিয়েছিলেন। তখন তিনি হাঙ্গেরির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবানকে সমর্থন করেন, যিনি পরবর্তীতে পিটার ম্যাগিয়ারের কাছে পরাজিত হন। অন্যদিকে, ট্রাম্প তাঁর দুই মেয়াদেই নেতানিয়াহু এবং তাঁর সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। তিনি মার্কিন দূতাবাসকে পশ্চিম জেরুজালেমে সরিয়ে নেন, গোলান হাইটসে ইসরায়েলের কর্তৃত্ব স্বীকৃতি দেন এবং ইরান পারমাণবিক চুক্তি থেকে সরে আসেন।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে আবার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ট্রাম্প প্রশাসন গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা চালানোর সত্ত্বেও তাদের কাছে অস্ত্র বিক্রি অব্যাহত রেখেছে। ইরানের সঙ্গে সংঘাতের জড়িয়েছে এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওপর চাপ আরও জোরদার করেছে। এই অবস্থান ইসরায়েলবিরোধী দলগুলোর মূল নির্বাচনী ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। জেডি ভ্যান্স ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা অব্যাহত রাখার পক্ষে হলেও, ট্রাম্পপন্থী বা ইহুদি রিপাবলিকানদের মনে তার প্রতিশ্রুতির প্রতি সংশয় রয়েছে।
"আমি তাঁর বিপক্ষেও সমর্থন দিচ্ছি না, পক্ষেও দিচ্ছি না। আমি ইসরায়েলি নির্বাচনে জড়াচ্ছি না। আমি আমেরিকান প্রার্থীদের সমর্থন করি। আমার সব মনোযোগ এখন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিকে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসরায়েল (২৭ অক্টোবর নির্বাচন), যুক্তরাষ্ট্র (মধ্যবর্তী নির্বাচন), হাঙ্গেরি (২০২৬ এপ্রিল)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেডি ভ্যান্স, ডোনাল্ড ট্রাম্প, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, গাদি আইসেনকোট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ অক্টোবর (ইসরায়েল নির্বাচন), ২০২৮ (মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!