📌 জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানিয়েছেন, তিনি দৈনন্দিন গৃহকাজে পুরুষ প্রধানমন্ত্রীদের তুলনায় তিন থেকে চার ঘণ্টা বেশি সময় ব্যয় করেন। তিনি বলেছেন, নাশতা তৈরি ও থালাবাসন ধুয়ে ফেলার কাজে এই অতিরিক্ত সময় লাগে
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি গত বুধবার (১৭ অক্টোবর) জানিয়েছেন, তিনি দৈনন্দিন গৃহকাজে পুরুষ প্রধানমন্ত্রীদের তুলনায় তিন থেকে চার ঘণ্টা বেশি সময় ব্যয় করেন। তিনি পার্লামেন্টে বলেছেন, ‘সকালে আমি গোসল করি, নাশতা তৈরি করি, তারপর থালাবাসন ধুই। মেকআপ নেয়ার কথা না-ই বললাম।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি দাবি করেছেন, তিনি দৈনন্দিন গৃহকাজে পুরুষ প্রধানমন্ত্রীদের চেয়ে তিন থেকে চার ঘণ্টা বেশি সময় ব্যয় করেন
- 📌 তিনি ঘোষণা করেছেন, ‘সকালে গোসল, নাশতা তৈরি ও থালাবাসন ধুয়ে ফেলার কাজে এই অতিরিক্ত সময় লাগে’
- 📌 জাপানে নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি পার্লামেন্টে দীর্ঘ সময় উপস্থিত থাকার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হন
- 📌 জাপানের প্রধানমন্ত্রী গত বছর ৭২ দিন পার্লামেন্ট অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন, যেখানে যুক্তরাজ্যে তা ছিল ৫০ দিন এবং জার্মানিতে মাত্র ১৩ দিন
- 📌 তিনি বলেছেন, ‘কর্মক্ষেত্র থেকে বাড়িতে আনা কাগজপত্র পড়ার সময় বের করা আমার জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে’
📰 বিস্তারিত
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি গত বুধবার (১৭ অক্টোবর) পার্লামেন্টে নিজের দৈনন্দিন সময়সূচী নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি জানান, তিনি রাতে মাত্র দুই থেকে চার ঘণ্টা ঘুমান এবং কোনো কোনো দিন রাত ৩টায় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। জাপানে নারী ও পুরুষের গতানুগতিক সামাজিক ভূমিকা বেশ কঠোর এবং রাজনীতিতে নারীদের প্রতিনিধিত্ব আশঙ্কাজনকভাবে কম। গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ নিম্নকক্ষ নির্বাচনে ৪৬৫টি আসনের মধ্যে মাত্র ৬৮ জন নারী আইনপ্রণেতা নির্বাচিত হন।
ক্ষমতাসীন জোটের একজন আইনপ্রণেতা তাকাইচিকে প্রশ্ন করেন যে, পার্লামেন্ট অধিবেশনে দীর্ঘ সময় উপস্থিত থাকার বিষয়টি কীভাবে তিনি সময় ব্যবস্থাপনা করেন। জাপানি নেতাদের জন্য দিনে পাঁচ থেকে সাত ঘণ্টা বিরোধী আইনপ্রণেতাদের কড়া প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়া বা পার্লামেন্টে বসে থাকা বেশ সাধারণ বিষয়। জাপান ইনোভেশন পার্টির আইনপ্রণেতা ফুমিতো ফুজিতা বলেন, ২০২২ সালে জাপানের প্রধানমন্ত্রী ৭২ দিন পার্লামেন্ট অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন, যেখানে যুক্তরাজ্যে তা ছিল ৫০ দিন এবং জার্মানিতে মাত্র ১৩ দিন।
তাকাইচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এর একটি পোস্টে লিখেছিলেন, ‘কর্মক্ষেত্র থেকে বাড়িতে আনা কাগজপত্র এবং পার্লামেন্টের প্রশ্নোত্তর সম্পর্কিত নথিগুলো খতিয়ে দেখতে গিয়ে আমার ভোর হয়ে যায়।’ তিনি বলেন, ‘বাড়ি নিয়ে যাওয়া এই কাগজের স্তূপ গভীর রাতে পড়া আমি সত্যিই উপভোগ করি। তবে দেশের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা বা এই দেশ নিয়ে আমার বৃহৎ রূপকল্প সম্পর্কে শান্ত মাথায় গভীরভাবে চিন্তা করার মতো সময় বের করা আমার জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে।’
"সকালে আমি গোসল করি, নাশতা তৈরি করি, তারপর থালাবাসন ধুই। মেকআপ নেয়ার কথা না-ই বললাম। আমার মনে হয়, এসব কাজ করতে গিয়ে পুরুষ প্রধানমন্ত্রীদের চেয়ে আমি তিন থেকে চার ঘণ্টা বেশি সময় ব্যয় করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাপান, পার্লামেন্ট অধিবেশন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সানায়ে তাকাইচি (জাপানের প্রধানমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭২ দিন (জাপানের প্রধানমন্ত্রীর পার্লামেন্ট উপস্থিতি), ৫০ দিন (যুক্তরাজ্য), ১৩ দিন (জার্মানি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!