📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রথমবারের মতো তৃতীয় দেশের নাগরিকদের বহিষ্কার গ্রহণ করেছে জ্যামাইকা। ২২ জন বহিষ্কৃত ব্যক্তিকে নরম্যান ম্যানলি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিয়ে আসা হয়, যা ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন বৃহত্তম বহিষ্কার অভিযানের অংশ। জ্যামাইকা এই ধরনের চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে, কিন্তু বিরোধী দল ও মানবাধিকার কর্মীরা এর বিরুদ্ধে সতর্কতা জানিয়েছেন
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রথমবারের মতো তৃতীয় দেশের নাগরিকদের বহিষ্কার গ্রহণ করেছে জ্যামাইকা। রোববার (১৪ অক্টোবর) নরম্যান ম্যানলি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২২ জন বহিষ্কৃত ব্যক্তিকে নিয়ে আসা হয়, যা ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন বৃহত্তম বহিষ্কার অভিযানের অংশ। এই অভিযানটি আন্তর্জাতিক চুক্তির মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বহিষ্কৃত ব্যক্তিদের তৃতীয় দেশে পাঠাচ্ছে, যারা তাদের উদ্দেশ্য দেশে ফিরে যেতে অস্বীকার করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২২ জন বহিষ্কৃত ব্যক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্যামাইকায় প্রথমবারের মতো তৃতীয় দেশের বহিষ্কার অভিযানের অংশ হিসেবে এসেছেন।
- 📌 জ্যামাইকা এই ধরনের চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে, কিন্তু বহিষ্কৃত ব্যক্তিদের কোনো অপরাধের ইতিহাস থাকলে গ্রহণ করা হবে না।
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের $৪১০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ এই অভিযানের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে, যেখানে ৩৫টি দেশ তৃতীয় দেশের বহিষ্কার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
- 📌 জ্যামাইকার বিরোধী দলের নেতা ফিটজ জ্যাকসন বলেছেন, এই চুক্তি গোপন এবং জ্যামাইকার নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সম্প্রদায়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বহিষ্কার অভিযানকে মানবাধিকার কর্মীরা অবৈধ বলে দাবি করছেন, কারণ বহিষ্কৃত ব্যক্তিদের কোনো বিচার না করে তাদের তৃতীয় দেশে পাঠানো হচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইসি (ICE) কর্তৃক পরিচালিত এই অভিযানের অংশ হিসেবে, ২২ জন বহিষ্কৃত ব্যক্তিকে জ্যামাইকার নরম্যান ম্যানলি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিয়ে আসা হয়। তাদেরকে বিমানবন্দর থেকে একটি বাসে করে একটি অজানা স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ধরনের বহিষ্কার অভিযানগুলোতে প্রায়ই তৃতীয় দেশের নাগরিকদের তাদের গন্তব্য দেশে ফিরে যেতে অস্বীকার করার কারণে বহিষ্কার করা হয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন এই অভিযানের জন্য $৪১০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করেছে। এ পর্যন্ত ৩৫টি দেশ তৃতীয় দেশের বহিষ্কার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। জ্যামাইকাও এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে, কিন্তু তাদের সরকার জানিয়েছে যে, কোনো বহিষ্কৃত ব্যক্তির অপরাধের ইতিহাস থাকলে তাদের গ্রহণ করা হবে না।
জ্যামাইকার বিরোধী দলের নেতা ফিটজ জ্যাকসন বলেছেন, এই চুক্তি গোপন এবং জ্যামাইকার নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সম্প্রদায়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি বলেছেন, জ্যামাইকার নাগরিকদেরকে একটি গোপন দলিলকে বিশ্বাস করতে বলা হচ্ছে, যা তাদের নিরাপত্তা, সম্প্রদায় এবং জনসেবা সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে পারে।
জ্যামাইকার বাহ্যিক সম্পর্ক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই চুক্তি একটি অস্থায়ী ব্যবস্থা যা তৃতীয় দেশের নাগরিকদের তাদের মাতৃভূমি বা অন্যান্য গন্তব্য দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য করা হয়েছে। তারা আরও জানিয়েছে যে, এই ব্যবস্থায় জ্যামাইকার সরকার কোনো অর্থ খরচ করবে না। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এই বহিষ্কৃত ব্যক্তিদের যত্ন নেবার দায়িত্ব নেয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই ধরনের বহিষ্কার অভিযানকে মানবাধিকার কর্মীরা অবৈধ বলে দাবি করছেন। তারা বলেন, বহিষ্কৃত ব্যক্তিদের কোনো বিচার না করে তাদের তৃতীয় দেশে পাঠানো হচ্ছে, যা তাদের বৈধ অধিকার লঙ্ঘন করে। এছাড়াও, কিছু তৃতীয় দেশ যেমন দক্ষিণ সুদান যুদ্ধের মাঝে রয়েছে বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে সম্মুখীন হয়েছে।
"জ্যামাইকার সরকার পুনরায় জানিয়েছে যে, এটি একটি অস্থায়ী ব্যবস্থা যা তৃতীয় দেশের নাগরিকদের তাদের মাতৃভূমি বা অন্যান্য গন্তব্য দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য করা হয়েছে।"
"এই ব্যবস্থায় জ্যামাইকার সরকার কোনো অর্থ খরচ করবে না।"
"জ্যামাইকার নাগরিকদেরকে একটি গোপন দলিলকে বিশ্বাস করতে বলা হচ্ছে, যা তাদের নিরাপত্তা, সম্প্রদায় এবং জনসেবা সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নরম্যান ম্যানলি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, জ্যামাইকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফিটজ জ্যাকসন (বিরোধী দলের নেতা), কামিনা জনসন স্মিথ (বাহ্যিক সম্পর্ক ও বাণিজ্য মন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ জন বহিষ্কৃত ব্যক্তি, ৩৫টি দেশ, $৪১০ মিলিয়ন ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!