📅 ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৮:২৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

অন্ধ্র প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী জগনমোহন: ইসি নিয়োগ বিল সমর্থন ছিল মারাত্মক ভুল, অনুতপ্ত

অন্ধ্র প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী জগনমোহন: ইসি নিয়োগ বিল সমর্থন ছিল মারাত্মক ভুল, অনুতপ্ত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী জগনমোহন রেড্ডি বলেছেন, ২০২৩ সালে ইসি নিয়োগ বিল সমর্থন ছিল তাঁদের দলের মারাত্মক ভুল। তিনি অনুতপ্তভাবে জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের নিয়োগ পদ্ধতিতে প্রধান বিচারপতিকে ফিরিয়ে আনা দরকার

ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও ওয়াইএসআর কংগ্রেস নেতা জগনমোহন রেড্ডি রোববার হায়দরাবাদে নির্বাচন কমিশনারদের সাথে বৈঠকের পর গণমাধ্যমকে বলেছেন, তাঁর দল ২০২৩ সালে ইসি নিয়োগ বিল সমর্থন করার সিদ্ধান্ত ছিল ‘মস্ত বড় ভুল’। তিনি অনুতপ্তভাবে জানিয়েছেন, এই ভুলের কারণে তিনি আজ অনুতপ্ত এবং নির্বাচন কমিশনের নিয়োগ পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা দরকার।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জগনমোহন রেড্ডি বলেছেন, ইসি নিয়োগ বিল সমর্থন ছিল ‘মস্ত বড় ভুল’ এবং তিনি অনুতপ্ত
  • 📌 তিনি দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশনের নিয়োগ কমিটিতে প্রধান বিচারপতিকে ফিরিয়ে আনা দরকার
  • 📌 ২০২৩ সালে বিজেপি সরকার প্রধান বিচারপতিকে বাদ দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়োগ কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করেছিল
  • 📌 জগনমোহন বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা হ্রাস পেয়েছে এবং তা সরকারের দিকে ঝুঁকে পড়েছে
  • 📌 তিনি বলেছেন, ভোটার তালিকা তৈরি ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে স্বচ্ছতা আনতে হবে

📰 বিস্তারিত

ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী জগনমোহন রেড্ডি রোববার হায়দরাবাদে নির্বাচন কমিশনারদের সাথে বৈঠকের পর গণমাধ্যমকে বলেছেন, তাঁর দল ২০২৩ সালে ইসি নিয়োগ বিল সমর্থন করার সিদ্ধান্ত ছিল ‘মস্ত বড় ভুল’। তিনি অনুতপ্তভাবে জানিয়েছেন, এই ভুলের কারণে তিনি আজ অনুতপ্ত এবং নির্বাচন কমিশনের নিয়োগ পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা দরকার। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের নিয়োগ কমিটিতে প্রধান বিচারপতিকে ফিরিয়ে আনা দরকার, কারণ নতুন আইনে নির্বাচন পরিচালনার ভারসাম্য হারিয়ে গেছে এবং তা সরকারের দিকে ঝুঁকে পড়েছে।

জগনমোহন বলেছেন, আগের প্রথা অনুযায়ী দেশের প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ কমিটিতে ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। কারণ, নতুন আইনে নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন পরিচালনার ভারসাম্য হারিয়ে গেছে। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি পূর্ণ আস্থা থাকলেই গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা টিকে থাকে।

২০২৩ সালে বিজেপি নেতৃত্বাধীন নরেন্দ্র মোদি সরকার নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ কমিটিতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে বাদ দিয়ে সেখানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার এক জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী অমিত শাহকে অন্তর্ভুক্ত করেছিল। জগনমোহনের দল ওয়াইএসআর কংগ্রেস সেই বিলে সরকারকে সমর্থন করেছিল। তিনি বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত ছিল ভুল এবং তিনি অনুতপ্ত। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের কাজকর্মে স্বচ্ছতা আনতে হবে এবং ভোটার তালিকায় নাম তোলা ও বাদ দেওয়ার বিষয়টি অনেক স্বচ্ছ হওয়া প্রয়োজন।

জগনমোহন বলেছেন, তাঁর রাজ্যে এসআইআরের সময় শাসক দল ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে। তিনি বলেছেন, স্থানীয় প্রশাসনিক নির্বাচনের সময় ডিভিশন পুনর্গঠন নিয়ে বিরোধীরা যেসব আপত্তি তুলেছিল, তা শোনা হয়নি। তাঁদের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রও জমা দিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।

"ওই বিল সমর্থন করাটা ছিল তাঁদের মস্ত বড় ভুল। ওই ভুলের জন্য তাঁরা অনুতপ্ত। সময় এসেছে সিইসি ও ইসি নিয়োগ পদ্ধতি আইন নতুনভাবে বিবেচনা করার। আগের প্রথা অনুযায়ী দেশের প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ কমিটিতে ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। কারণ, নতুন আইনে নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন পরিচালনার ভারসাম্য হারিয়ে গেছে। তা সরকারের দিকে ঝুঁকে পড়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হায়দরাবাদ, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জগনমোহন রেড্ডি (অন্ধ্র প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৩ (বিল সমর্থনের বছর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖