📅 ৯ অক্টোবর ২০২৬, ১:১৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইয়েমেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী: হুথি বিদ্রোহীদের পতনই মূল লক্ষ্য, বাব এল-মান্দেব নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জে রাষ্ট্রের কর্তৃত্বের পরীক্ষা

ইয়েমেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী: হুথি বিদ্রোহীদের পতনই মূল লক্ষ্য, বাব এল-মান্দেব নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জে রাষ্ট্রের কর্তৃত্বের পরীক্ষা

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইয়েমেনের সরকারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফরাহ আল-জৌবা বলেছেন, হুথি বিদ্রোহীদের চূড়ান্ত পতন ঘটানো এবং রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব পুনরুদ্ধারই বর্তমান লক্ষ্য। তিনি লন্ডনভিত্তিক আরবি দৈনিককে বলেছেন, বাব এল-মান্দেব প্রণালীর নিরাপত্তা ইয়েমেনের ভূখণ্ডের উপর নির্ভরশীল। সংঘাতের সূত্রপাত ২০১৪ সাল থেকে, যেখানে হুথিরা ইরানের সহায়তায় সানা দখল করে। গত ১৩ জুলাই থেকে উত্তেজনা বাড়ার পর হুথিরা প্রণালি দখল করেছে, যা বিশ্বের ১২% জ্বালানির পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ

ইয়েমেনের বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফরাহ আল-জৌবা হুথি বিদ্রোহীদের চূড়ান্ত পতন ঘটানোর লক্ষ্যে ইয়েমেনে সামরিক অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন। লন্ডনভিত্তিক আরবি দৈনিক আশরাখ আল-আওসাতকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ইয়েমেনে শান্তি পুনরুদ্ধারের জন্য রাষ্ট্রবিরোধীদের হাতে অস্ত্রের অনুমতি দেওয়া যাবে না। বর্তমান সংঘাতের মূল লক্ষ্য হুথি বিদ্রোহীদের পতন ঘটানো এবং সমগ্র দেশে সরকারি কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **হুথি বিদ্রোহীদের পতন** ইয়েমেন সরকারের বর্তমান **প্রধান লক্ষ্য** — পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফরাহ আল-জৌবা
  • 📌 **বাব এল-মান্দেব প্রণালি** (৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ) দখল করে হুথিরা **বিশ্বের ১২% জ্বালানির পরিবহন**কে হুমকির মুখে ফেলেছে
  • 📌 **২০১৪ সাল থেকে** চলমান গৃহযুদ্ধে হুথিরা **ইরানের সহায়তায়** সানা দখল করে; সৌদি আরবের সমর্থনে সরকারি বাহিনী দক্ষিণাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করে
  • 📌 **গত ১৩ জুলাই** সানার বিমানবন্দরে হামলার পর **উত্তেজনা চরমে** পৌঁছেছে; হুথিরা **প্রণালি দখল** করে নিরাপত্তা বাধাগ্রস্ত করেছে
  • 📌 **সৌদি আরবের রাজনৈতিক-সামরিক সহায়তা** ইয়েমেনের সাফল্যের **মূল ভিত্তি** — নাগরিকদের নিরাপত্তা ও বাড়ি ফিরে পাওয়ার উপর নির্ভরশীল

📰 বিস্তারিত

ইয়েমেনের সরকারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফরাহ আল-জৌবা লন্ডনভিত্তিক আরবি দৈনিক আশরাখ আল-আওসাতকে বলেছেন, “আমরা শান্তিকে পরিত্যাগ করিনি, তবে শান্তির সেই বিভ্রমকে ত্যাগ করেছি যা রাষ্ট্রবিরোধীদের হাতে অস্ত্র রাখার অনুমতি দেয়। বর্তমানে আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের চূড়ান্ত পতন ঘটানো এবং সমগ্র ইয়েমেনে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা।” তিনি জানান, ইয়েমেনের জনগণের অধিকার রাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল, কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর মর্জির ওপর নয়।

২০১৪ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, যেখানে ইরানের সহায়তায় হুথি গোষ্ঠী রাজধানী সানা দখল করে। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আবদরাব্বুই মনসুর হাদি সৌদিতে পালিয়ে যান। এরপর থেকে সৌদি আরবের নেতৃত্বে ইয়েমেন-সৌদি সেনাবাহিনী হুথিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। বর্তমানে ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চল হুথিরা এবং দক্ষিণাঞ্চল সরকারি বাহিনী নিয়ন্ত্রণ করে।

২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় সৌদি আরবের সঙ্গে হুথিরা যুদ্ধবিরতি চুক্তি করে। তবে গত ১৩ জুলাই সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথির বিরুদ্ধে সরকারি বাহিনীর হামলার পর উত্তেজনা বাড়তে থাকে। গত কয়েক সপ্তাহে এই উত্তেজনা চরমে পৌঁছায় এবং হুথিরা **বাব এল-মান্দেব প্রণালি** দখল করে নেয়। এই প্রণালি লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে এবং বিশ্বের মোট জ্বালানির ১২ শতাংশ পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

আফরাহ আল-জৌবা বলেন, “বাব আল-মান্দেব প্রণালীর নিরাপত্তা ইয়েমেনের উপকূল থেকেই শুরু হয়। যতক্ষণ পর্যন্ত স্থলভাগ থেকে এই প্রণালীর জন্য হুমকির উৎস হিসেবে ব্যবহার করা হবে, ততক্ষণ সমুদ্রে জাহাজ সুরক্ষা নিশ্চিত করার ব্যাপারটি অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।” তিনি সৌদি আরবের রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তার প্রশংসা করে বলেন, “ইয়েমেনের সাফল্য শহর পুনরুদ্ধারের ওপর নয়, বরং কতজন নাগরিক নিরাপত্তা ফিরে পেয়েছেন এবং কতটি পরিবার তাদের বাড়িঘরে ফিরতে পারলেন, তার ওপর নির্ভর করে।”

"আমরা শান্তিকে পরিত্যাগ করিনি, তবে শান্তির সেই বিভ্রমকে ত্যাগ করেছি যা রাষ্ট্রবিরোধীদের হাতে অস্ত্র রাখার অনুমতি দেয়। বর্তমানে আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের চূড়ান্ত পতন ঘটানো এবং সমগ্র ইয়েমেনে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইয়েমেন (সানা, বাব এল-মান্দেব প্রণালি), লন্ডন (সাক্ষাৎকার)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আফরাহ আল-জৌবা (ইয়েমেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ কিলোমিটার (প্রণালির দৈর্ঘ্য), ১২% (জ্বালানির পরিবহন), ২০১৪ (গৃহযুদ্ধের শুরু), ১৩ জুলাই (উত্তেজনার সূত্রপাত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖