📌 ইয়েমেনের বন্দর শহর এডেনে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ সংকটের কারণে মানুষের দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হয়েছে। হাসপাতালগুলোতে বিদ্যুৎ না থাকায় জরুরি চিকিৎসা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। গরমের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়, কিন্তু বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণে কোনো সমাধান নেই
ইয়েমেনের উপকূলীয় শহর এডেনে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ সংকটের কারণে মানুষের জীবনযাত্রা সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে শহরের বাসিন্দারা ঘরবাড়ি থেকে বেরিয়ে আসছেন, গরমের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালেও কোনো শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ নেই। বিশেষত হাসপাতালগুলোতে বিদ্যুৎ না থাকায় রোগীদের জীবন রক্ষাকারী যন্ত্রপাতি চালানোর সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইয়েমেনের এডেনে বিদ্যুৎ সংকটের কারণে দিনে মাত্র ২ থেকে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছে, যা শহরের জীবনযাত্রাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করছে
- 📌 ২০১৫ সাল থেকে অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি, জ্বালানি সংকট এবং পুরোনো বিদ্যুৎ ব্যবস্থার কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে
- 📌 শহরের মোট জনসংখ্যার মাত্র ৫৫ শতাংশই বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় ছিল, যা মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম কম হার
- 📌 বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে হাসপাতালগুলোতে অস্ত্রোপচার ও জরুরি চিকিৎসা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে, রোগীদের জীবন রক্ষাকারী যন্ত্রপাতি চালানোর জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রয়োজন
- 📌 তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালেও বিদ্যুৎ না থাকায় ঘরগুলোতে কোনো শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ নেই, শিশুরা ঘুমাতে পারে না এবং খাবার নষ্ট হয়ে যায়
📰 বিস্তারিত
ইয়েমেনের বন্দর শহর এডেনে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ সংকটের কারণে মানুষের জীবনযাত্রা সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে শহরের বাসিন্দারা ঘরবাড়ি থেকে বেরিয়ে আসছেন, গরমের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালেও কোনো শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ নেই। বিশেষত হাসপাতালগুলোতে বিদ্যুৎ না থাকায় রোগীদের জীবন রক্ষাকারী যন্ত্রপাতি চালানোর সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।
শহরের বাসিন্দারা বলছেন, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে তাদের জীবনযাত্রা সম্পূর্ণভাবে বদলে গেছে। ঘুমের সময় বিদ্যুৎ আসার অপেক্ষায় তারা ঘুম থেকে উঠতে হয়। শিশুরা ঘুমাতে পারে না, উষ্ণ হয়ে থাকা ফ্রিজে খাবার নষ্ট হয়ে যায়। এমনকি ঘরের দৈনন্দিন কাজও বিদ্যুৎ আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়।
এডেনের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নিয়মিত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, ফলে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। এছাড়া জ্বালানি বহনকারী ট্যাংকারগুলোর বিমা প্রিমিয়াম বেড়ে যাওয়াও সংকট আরও তীব্র করেছে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এক মূল্যায়নে বলা হয়েছে, ইয়েমেনে বিদ্যুৎ সংকটের মূল কারণ হলো কাঠামোগত দুর্বলতা ও জ্বালানি সংকট। যুদ্ধের আগেও দেশটির মোট জনসংখ্যার মাত্র ৫৫ শতাংশই বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় ছিল।
"কখনও কখনও আমরা যখন ঘুমিয়ে থাকি, তখন বিদ্যুৎ আসে। তাই বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে আমাদের ঘুম থেকে উঠতে হয়। কখন বিদ্যুৎ আসছে আর কখন যাচ্ছে, আমাদের জীবন এখন সেটার সঙ্গেই বাঁধা পড়ে গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: এডেন, ইয়েমেন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এডেনের বাসিন্দা (অজ্ঞাতনামা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৫ শতাংশ (বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় জনসংখ্যা), ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (তাপমাত্রা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!