📌 ইয়েমেনের সেনাবাহিনী হুথি বিদ্রোহীদের সামরিক অবস্থান ও রসদে ২০টি বিমান হামলা চালায়। সৌদি আরবের মদিনায় হুথি ড্রোন হামলায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জোটের মুখপাত্র দাবি করেন, হুথিরা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পেছনে রয়েছে
ইয়েমেনের সেনাবাহিনী হুথি বিদ্রোহীদের সামরিক স্থাপনা ও রসদে গত তিন ঘণ্টায় ২০টি সুনির্দিষ্ট বিমান হামলা চালিয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) তাইজ প্রদেশে হুথিদের গতিবিধি, সামরিক সমাবেশ ও সরঞ্জাম লক্ষ্য করে এই হামলা পরিচালিত হয়। সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জানান, হামলায় হুথি মিলিশিয়ার সদস্য ও সামরিক সরঞ্জামে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে সানা, সা’দা ও তাইজে হুথিদের অবস্থানে বিশেষ অভিযান চালানো হয়, যেখানে সানা’তে একটি ‘উচ্চমূল্যের লক্ষ্যবস্তু’ ও সা’দায় ১১টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। তাইজে হুথিদের সমন্বিত সামরিক ব্যবস্থায় ২৭টি বিমান হামলাও করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইয়েমেনের সেনাবাহিনী হুথি সামরিক স্থাপনায় ২০টি বিমান হামলা চালায়, লক্ষ্যবস্তুতে সরাসরি আঘাত হানে
- 📌 সৌদি আরবের মদিনায় হুথি ড্রোন হামলায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত, জোট দাবি করে হুথিরা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পেছনে
- 📌 সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানান, ২৯ সেপ্টেম্বর মদিনার তাইবাহ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ড্রোন হামলা চালানো হয়
- 📌 মুসলিম ও আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশ হুথির ড্রোন হামলাকে নিন্দা জানায়
- 📌 হুথি মিলিশিয়া ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনি বিদ্রোহী গোষ্ঠী, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নিয়মিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে
📰 বিস্তারিত
ইয়েমেনের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত পোস্টে বলেন, তাইজ প্রদেশে হুথিদের ‘গতিবিধি, রসদ ও সামরিক সমাবেশ’ লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়। সামরিক বাহিনীর দাবি, এই হামলায় হুথি মিলিশিয়ার সদস্য, সামরিক সরঞ্জাম ও তাদের সামরিক তৎপরতায় উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে ইয়েমেনের রাজধানী সানা, সা’দা ও তাইজে হুথিদের অবস্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। সানায় একটি ‘উচ্চমূল্যের লক্ষ্যবস্তু’ লক্ষ্য করে বিশেষ অভিযান চালানো হয়, যেখানে সা’দায় ১১টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। তাইজে হুথিদের একটি ‘সমন্বিত সামরিক ব্যবস্থা’ লক্ষ্য করে ২৭টি বিমান হামলাও করা হয় বলে জানানো হয়।
সৌদি আরবের মদিনায় হুথি ড্রোন হামলার ঘটনাটি ঘিরে মুসলিম ও আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশ নিন্দা জানিয়েছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানান, গত ২৯ সেপ্টেম্বর ভোরে মদিনার তাইবাহ বিদ্যুৎ বিতরণকেন্দ্রে ড্রোন হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, তদন্তে দেখা গেছে, হুথি মিলিশিয়াই পরিকল্পিতভাবে এই ‘কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ চালিয়েছে। হামলায় ব্যবহৃত ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পরীক্ষা এবং অভিযান-পরবর্তী পর্যালোচনার মাধ্যমে হামলার উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে দাবি করেন তিনি।
হুথি মিলিশিয়া ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনি বিদ্রোহী গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত। ২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি আরব হস্তক্ষেপ করার পর থেকেই হুথিরা সৌদি ভূখণ্ড লক্ষ্য করে নিয়মিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে। এর আগে গত মাসেও মক্কার কাছে একটি হুথি ড্রোন ভূপাতিত করার কথা জানিয়েছিল সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। মক্কা ইসলামের পবিত্রতম নগরী হওয়ায় এ ধরনের হামলাকে ‘রেড লাইন’ বা চরম সীমা হিসেবে অভিহিত করেছিল জোটটি।
"তাইজ প্রদেশে হুথিদের গতিবিধি, রসদ ও সামরিক সমাবেশ লক্ষ্য করে এসব বিমান হামলা চালানো হয়। হামলাগুলোতে শত্রুপক্ষের লক্ষ্যবস্তুতে সরাসরি আঘাত হানা সম্ভব হয়েছে। এতে হুথি মিলিশিয়ার সদস্য, সামরিক সরঞ্জাম ও তাদের সামরিক তৎপরতায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইয়েমেনের তাইজ প্রদেশ, সানা, সা’দা, সৌদি আরবের মদিনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি (সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০টি বিমান হামলা, ১১টি লক্ষ্যবস্তু, ২৭টি বিমান হামলা, ২৯ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!